টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ
কেমন ছিল আগের ৯ ফাইনাল

২০২৪ সালে ভারতের ১৭৬ রানই বিশ্বকাপ ফাইনালের সর্বোচ্চ। ছবি: সংগৃহীত
টিকিটের জন্য হাহাকfর চলছে আহমেদাবাদে। হোটেল ভাড়া, বিমান ভাড়াও বেড়েছে কয়েকগুণ। সবার চাওয়া ভারত-নিউজিল্যান্ডের রান উৎসবের ফাইনাল। এমনকি ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব পর্যন্ত চান ফাইনালের স্কোর ২০০-২৫০ রানের মধ্যে হোক।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাস বলছে অন্য কথা। আগের ৯ ফাইনালে শুরুতে ব্যাট করে ১৮০ রানের পুঁজিও পায়নি কোনো দল! শুরুতে ব্যাট করে সর্বোচ্চ স্কোর ১৭৬। ব্রিজটাউনে গত আসরের ফাইনালে ৭ উইকেটে ১৭৬ করেছিল ভারত। ৫৯ বলে ৭৬ করেছিলেন বিরাট কোহলি। জবাবে আশা জাগিয়েও ৮ উইকেটে ১৬৯-এ থামে প্রোটিয়ারা।
নিউজিল্যান্ড ফাইনাল খেলেছিল একবারই। ২০২১ সালের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪ উইকেটে ১৭২ করেছিল তারা। ৭ বল বাকি থাকতে ২ উইকেট হারিয়ে সেই লক্ষ্য পেরিয়ে গিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। ৫০ বলে ৭৭ রানের বিস্ফোরক ইনিংসে অস্ট্রেলিয়াকে শিরোপা জেতান মিচেল মার্শ।
২০০৭ সালে প্রথম বিশ্বকাপ ফাইনালটা ছিল জমজমাট। ভারতের ৫ উইকেটে ১৫৭ রানের জবাবে পাকিস্তান থামে ১৫২ রানে। মিসবাহ উল হকের ‘পাগলাটে’ রিভার্স সুইপে হাতের মুঠোয় আসা ম্যাচ হাতছাড়া হয় পাকিস্তানের।
২০০৯ সালের ফাইনালে শ্রীলঙ্কার ১৩৮ রানের চ্যালেঞ্জ পাকিস্তান পেরিয়ে যায় ১৮.৪ ওভারে। পরের টানা তিন ফাইনালেও ১৫০ রানের স্কোর পায়নি কোনো দল। ২০১৬ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ইডেনের ফাইনালে ইংল্যান্ড করেছিল ৯ উইকেটে ১৫৫। ক্রেগ ব্রাথওয়েটের শেষ ওভারে টানা চার ছক্কায় রুদ্ধশ্বাস ম্যাচটা ওয়েস্ট ইন্ডিজ জিতেছিল ৪ উইকেটে।
ইংল্যান্ডের সেই হতাশা কাটে ২০২২ সালে। পাকিস্তানের ১৩৭ রানের চ্যালেঞ্জ ১ ওভার ও ৫ উইকেট হাতে রেখে পেরিয়ে যায় তারা। ২০১০ সালের পর সেটা ছিল ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় শিরোপা। ওয়েস্ট ইন্ডিজ (২০১২ ও ২০১৬) আর ভারতও (২০০৭ ও ২০২৪) দুইবার করে জিতেছে বিশ্বকাপ।
পাকিস্তান (২০০৯), শ্রীলঙ্কা (২০১৪) ও অস্ট্রেলিয়া (২০২১) জিতেছে একবার করে। আজ ভারতের তৃতীয় ও নিউজিল্যান্ডের সামনে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের হাতছানি। শেষ হাসিটা হাসবে কারা?

