বাসিত আলী
‘রানার বোলিং ওয়াসিম-ওয়াকারদের মনে করিয়ে দিচ্ছে’

ছবি: আগামীর সময়
ঢাকা টেস্টে পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের দাপুটে জয়ে ক্রিকেটবিশ্বে আলোড়ন তৈরি হয়েছে। সবচেয়ে বেশি আলোচনায় নাহিদ রানা। এই তরুণ গতি তারকা প্রথম ইনিংসে খরুচে বোলিং করলেও দ্বিতীয় ইনিংসে পাকিস্তানকে ধসিয়ে দেন। ৪০ রানে তুলে নেন ৫ উইকেট। রানার প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন পাকিস্তানের সাবেক ক্রিকেটার বাসিত আলী।
নিজের ইউটিউব চ্যানেলে ম্যাচ বিশ্লেষণে বাসিত বলেছেন, ‘শান্ত এই ম্যাচে দারুণ খেলেছে এবং ক্রিকেটিং বিচারে সে-ই ম্যাচসেরার যোগ্য। কিন্তু আমার কাছে আসল ম্যান অব দ্য ম্যাচ নাহিদ রানা। এই ছেলেটি আমাকে পাকিস্তানের সেই পুরনো আমলের ফাস্ট বোলিংয়ের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে। ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিস এবং শোয়েব আখতাররা যেভাবে বল করতেন, আজ (গতকাল) নাহিদকে দেখে তেমনটাই মনে হয়েছে।’
ঝড়ের নাম নাহিদ রানা
১২ মে ২০২৬
নাহিদের প্রশংসায় বাসিত আরও যোগ করেন, ‘একজন স্ট্রাইক বোলার রান দেবে ঠিকই, কিন্তু সে নিয়মিত উইকেট তুলে নেবে। নাহিদ ঠিক সেটাই করেছে। প্রথম ইনিংসে উইকেট না পাওয়ায় অনেকে আমাকে মেসেজ করে জিজ্ঞেস করেছিল- নাহিদের কী হলো? ভাই, আমার চুল এমনি এমনি পাকেনি। আমি চিনি কার ভেতরে আগুন আছে। ও ওভার প্রতি ৫-৬ রান দিলেও প্রতিপক্ষকে কাঁপিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।’পাকিস্তানের দ্বিতীয় ইনিংসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা ছিল নাহিদের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের স্টাম্প উপড়ে যাওয়া। নাহিদের ইনসুইঙ্গার বুঝতে না পেরে ছেড়ে দেন রিজওয়ান। বল আঘাত হানে তার স্টাম্পে। এই আউট নিয়ে বাসিত বলেন, ‘নাহিদ যেভাবে ইনসুইঙ্গারে রিজওয়ানের স্টাম্প চূর্ণ করল, তা আমাকে ইমরান খানের সেই বিষওয়ানাথকে আউট করার ডেলিভারিটির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।’
ঢাকা টেস্টের প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের স্পিনাররা ৭ উইকেট নিলেও দ্বিতীয় ইনিংসে পেসাররা নিয়েছেন ৭ উইকেট। নাহিদের পাশাপাশি তাসকিন আহমেদেরও প্রশংসা করেন বাসিত। ইমাম-উল-হককে আউট করা তাসকিনের সেই স্পেলটিকে তিনি ‘টপ ক্লাস’ হিসেবে অভিহিত করেন। বাসিতের মতে, বাংলাদেশের পেসারদের এই আগ্রাসী মানসিকতাই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিয়েছে।







