রাওয়ালপিন্ডির কথা মনে পড়ছিল লিটনের

রাওয়ালপিন্ডিতেও বিপর্যয়ের মুখে সেঞ্চুরি করেছিলেন লিটন। ছবি: বিসিবি
২০২৪ পাকিস্তান সফরের দ্বিতীয় টেস্টে সেঞ্চুরি করেছিলেন লিটন। ওই ইনিংসে ২৬ রানে ৬ উইকেট পড়ে যায় বাংলাদেশের। এমন অবস্থা থেকে ১৩৮ করে দলকে ২৬২ রানের সংগ্রহ এনে দিয়েছিলেন। মিরপুর টেস্টে অতটা বাজে অবস্থায় পড়তে হয়নি বাংলাদেশকে। ৬ উইকেট পড়েছে ১১৬ রানে, তবুও সেঞ্চুরি করা, লেজের ব্যাটারদের নিয়ে লড়াই; সবকিছু রাওয়ালপিন্ডি টেস্টের সময়টা মনে করিয়ে দেয় লিটনকে।
সিলেটে শনিবার ষষ্ঠ টেস্ট সেঞ্চুরি করে বাংলাদেশকে ভালো অবস্থানে নিয়েছেন এই ব্যাটার। ১৫৯ বলে ১২৬ রানের ইনিংসটি পুরোটাই ছিল লেজের ব্যাটারদের সঙ্গে। তাই বেশিরভাগ সময়ই নিজেকে সামনে রেখে খেলতে হয়েছে লিটনের।
দিন শেষে টেস্টে তার দায়িত্ব যে ভিন্ন তা মনে করিয়ে দিলেন লিটন, ‘আমার দায়িত্বটা ভিন্ন। কখনো মুশি (মুশফিকুর রহিম) ভাইয়ের সঙ্গে, কখনো মিরাজের সঙ্গে ব্যাট করতে হয়। যখন ব্যাটসম্যান থাকে মাইন্ডসেটটা একরকম থাকে। কিন্তু বোলারদের সঙ্গে তো সেভাবে ব্যাট করতে পারি না। সবাই জানে আমাদের টেল এন্ড অতো শক্তিশালী নয়। এটাই স্বাভাবিক যে, তারা রান করবে না। রান আমাকেই করতে হবে। ব্যাটসম্যান হিসেবে রান করার দায়িত্বটা আমার।’
লিটনের আগের সেঞ্চুরিটাও ছিল পাকিস্তানের সঙ্গে। সিলেটে আজ ওই ইনিংসের কথা মনে পড়েছে তার। তবে দুই সেঞ্চুরির পথটা ভিন্ন ছিল। রাওয়ালপিন্ডিতে মেহেদী হাসান মিরাজের সঙ্গে লম্বা জুটি ছিল তার। মিরাজ ৭৬ রানে আউট হওয়ার পর টেল এন্ডারদের নিয়ে সেঞ্চুরি পূরণ করেছেন ও ইনিংসটিকে আরও টেনেছেন।
সিলেটে সেঞ্চুরি নয়, দলের রান বাড়াতে খেলেছেন লিটন। তাই পাকিস্তানে ওই ইনিংসে স্ট্রাইক রেট ছিল ৬০ আর আজ শনিবার ৭৯.২৪, ‘রাওয়ালপিন্ডিতেও মিরাজ মানে একজন ব্যাটারকে নিয়ে আমি খেলেছিলাম। ও যখন আউট হয় তখন আমার ৮০ রানের মতো ছিল, ২০ রান আমাকে কষ্ট করতে হয়েছে।
আজকেরটা একদম ভিন্ন। আমি মনে হয় যখন ২ বা ৩ রানে তখন তাইজুল ভাই আসে। সেঞ্চুরি মানুষ বলে কয়ে করতে পারে না। আর আমি এটা নিয়ে খুব একটা ভবিনি। আমি জানতে চাইলাম কীভাবে খেলব। ওপর (ড্রেসিংরুম) থেকে বলেছে রানের জন্য খেলতে। তো আমি চেষ্টা করেছি রান করার।’




