Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন রাসেল
শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় শুরুর সুবাস

বাংলাদেশ কি বিভাজনের রাজনীতি থেকে বের হতে পারবে

আসিফ বিন আলী
agamir somoy
প্রকাশ: ১৮ মে ২০২৬, ০৮:০৫
বাংলাদেশ কি বিভাজনের রাজনীতি থেকে বের হতে পারবে

যে অভাবনীয় ঐক্য নিয়ে দেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল বাঙালি জাতি, স্বাধীনতার কিছুকাল পরেই তা যেন রূপকথার মতো হয়ে গেল। পঁচাত্তর-পরবর্তী বাংলাদেশে মৌলিক জাতীয় ইস্যুতে বিভাজন যেন আমাদের বিধিলিপি হয়ে আছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতির উত্তরণ ঘটাতে এর সমাধান জরুরি

বিভাজনের রাজনীতি হলো এমন রাজনৈতিক চর্চা, যেখানে মতপার্থক্যকে গণতান্ত্রিক প্রতিযোগিতা হিসেবে না দেখে সমাজকে স্থায়ীভাবে ‘আমরা’ ও ‘তারা’ শিবিরে ভাগ করা হয়। এতে প্রতিপক্ষকে শুধু ভুল রাজনৈতিক অবস্থানের মানুষ হিসেবে নয়; নির্মাণ করা হয় জাতি, ধর্ম, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র বা রাষ্ট্রের শত্রু হিসেবে। ফলে রাজনীতি নীতি, কর্মসূচি ও জবাবদিহির প্রতিযোগিতা না থেকে পরিচয়, স্মৃতি, প্রতিশোধ ও অস্তিত্বের লড়াইয়ে পরিণত হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে এ বিভাজন শুধু দলীয় রাজনীতিতে সীমাবদ্ধ নয়; এটি ইতিহাস, রাষ্ট্রের চরিত্র, বিচারবোধ, স্মৃতির ব্যবহার এবং সামাজিক সম্পর্কের ভেতরেও গেছে ঢুকে। তাই রাজনীতিবিদরা যেমন সমাজকে কলুষিত করেন, সমাজও প্রতিশোধ ও পক্ষপাতের আকাঙ্ক্ষা দিয়ে কলুষিত করে রাজনীতিকে।

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ জন্ম নেয় এক গভীর ক্ষত নিয়ে। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে প্রশাসনিক ভাঙন, অস্ত্রের বিস্তার এবং দুর্ভিক্ষ একটি নতুন রাষ্ট্রের জন্য ছিল বিশাল বোঝা। কিন্তু স্বাধীনতার পর রাজনৈতিক নেতৃত্ব সেই সংকট গণতান্ত্রিকভাবে সামলাতে পারেনি। ১৯৭৫ সালের বাকশাল প্রতিষ্ঠা বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ওপর বড় আঘাত হিসেবে থেকে যায়। রাজনৈতিকভাবে এর ফল দাঁড়ায় বিরোধিতা দমনের পথ প্রশস্ত করা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এটি শুধু একজন রাষ্ট্রপ্রধানের হত্যাকাণ্ড ছিল না, স্বাধীন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এটি ছিল সহিংস ক্ষমতা পরিবর্তনের এক ভয়াবহ সূচনা। এরপর সামরিক শাসন, পাল্টা অভ্যুত্থান, বিচারহীনতা এবং ইনডেমনিটির সংস্কৃতি রাষ্ট্রকে দীর্ঘদিন করেছে তাড়া।

এরপর আসে আরেকটি বড় রাজনৈতিক ট্রমা, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রধান সামরিক সংগঠক ও পরে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যাকাণ্ড। ১৯৮১ সালের ৩০ মে হওয়া এ হত্যাকাণ্ডও আমাদের রাজনীতিতে আরেক স্তরের অবিশ্বাস তৈরি করে। একটি রাষ্ট্র যখন তার প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি এবং আরেক রাষ্ট্রপতি হত্যার স্মৃতি নিয়ে এগোয় কিন্তু সেই স্মৃতিগুলোকে ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রচিন্তার ভেতর স্থাপন করতে পারে না, তখন রাজনীতি স্বাভাবিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জায়গায় থাকে না। তা হয়ে ওঠে স্মৃতির যুদ্ধ।

বাংলাদেশের আরেকটি বড় ব্যর্থতা ছিল ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধ এবং বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডের প্রশ্নে দ্রুত, নির্মোহ এবং বিশ্বাসযোগ্য বিচার নিশ্চিত করতে না পারা। এ বিলম্বের ফলে সমাজে ক্ষত শুকায়নি, বরং রাজনৈতিকভাবে একে ব্যবহারের সুযোগ তৈরি হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী, যে দল ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর দমননীতির সঙ্গে রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ছিল, তাকে পরবর্তী সময়ে বিনা বিচারে স্বনামে রাজনীতিতে ফিরে আসতে দেওয়া হয়। এর ফলে মুক্তিযুদ্ধের প্রশ্নটি ন্যায়বিচারের প্রশ্ন না হয়ে, বারবার দলীয় লাভক্ষতির প্রশ্নে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশ বিভাজনের রাজনীতি থেকে বের হতে পারবে কি না– এর উত্তর দ্বিধাময়। ইতিহাস আমাদের হতাশ করে কিন্তু নিরাশ করে না। কারণ, এ দেশ বহুবার অসম্ভবের ভেতর থেকে সম্ভব তৈরি করেছে

নব্বইয়ের গণআন্দোলন আমাদের সামনে অন্যরকম সম্ভাবনা তৈরি করেছিল। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, বাম দল, ছাত্রসমাজ, পেশাজীবী সমাজ— সবাই মিলে এরশাদের সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল। ওই মুহূর্তে বাংলাদেশের রাজনীতি দেখিয়েছিল, যৌথ গণতান্ত্রিক সংগ্রাম সম্ভব। ১৯৯১ সালের নির্বাচনও গণতান্ত্রিক প্রত্যাবর্তনের আশা তৈরি করেছিল। কিন্তু সেই আশা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। নির্বাচনব্যবস্থা বিশ্বাসযোগ্য করার প্রশ্নে রাজনৈতিক ঐকমত্য ভেঙে পড়ে। ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির একতরফা নির্বাচন এবং তার পরবর্তী গণআন্দোলন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ধারণাকে সাংবিধানিক রূপ দেয়। ১৯৯৬ সালের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালু হয়।

কিন্তু সমস্যা হলো, আমরা প্রতিষ্ঠান বানাই, তারপর সেই প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের সুবিধা অনুযায়ী ভাঙি। ২০০১ সালে ক্ষমতা শান্তিপূর্ণভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে হস্তান্তর করে নির্বাচন হওয়া একটি ভালো উদাহরণ ছিল। কিন্তু পরবর্তী সময়ে সেই ব্যবস্থার ওপরও আস্থা নষ্ট হয় ২০০৬ সালে। ২০০৬-০৮ সালের সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার, মাইনাস টু রাজনীতি, রাজনৈতিক নেতাদের গ্রেপ্তার, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে অভিযানের নির্বাচিত ব্যবহার— সব মিলিয়ে গণতন্ত্র আবারও সামরিক ও আমলাতান্ত্রিক অভিভাবকত্বের ছায়ায় চলে যায়।

ছবি: আগামীর সময়ছবি: আগামীর সময়

এখানেই বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতির বড় সমস্যা। আমরা গণতন্ত্র চাই কিন্তু প্রতিপক্ষকে সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্র চাই না। আমরা বিচার চাই কিন্তু নিজের পক্ষের অপরাধকে বিচারযোগ্য মনে করি না। আমরা মানবাধিকার চাই কিন্তু রাজনৈতিক শত্রুর মানবাধিকার নিয়ে অস্বস্তি বোধ করি। ফলে রাষ্ট্রের নৈতিক ভাষা ক্রমেই দলীয় ভাষায় পরিণত হয়। যে দল ক্ষমতায় থাকে, তার কাছে আইনশৃঙ্খলা মানে বিরোধী দলকে নিয়ন্ত্রণ। যে দল বিরোধী দলে থাকে, তার কাছে গণতন্ত্র মানে ক্ষমতায় ফেরার রাস্তা। রাষ্ট্র, নাগরিক এবং প্রতিষ্ঠান মাঝখানে চাপা পড়ে।

২০০৪ সালের ২১ আগস্ট শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা বাংলাদেশের রাজনীতিতে অবিশ্বাসকে আরও গভীর করে। একটি গণতান্ত্রিক দেশে প্রধান বিরোধী নেত্রীকে হত্যার চেষ্টা শুধু রাজনৈতিক সহিংসতা নয়, এটি পুরো রাজনৈতিক ব্যবস্থার ওপর আক্রমণ। এ ঘটনার বিচারপ্রক্রিয়া নিয়েও দীর্ঘ রাজনৈতিক বিতর্ক ছিল। একইভাবে বিএনপি নেতৃত্বের ওপর দমন, তারেক রহমানের ওপর নির্যাতন, তার নির্বাসন এবং খালেদা জিয়াকে ক্যান্টনমেন্টের বাড়ি থেকে উচ্ছেদ— বিএনপির রাজনৈতিক স্মৃতিতে অপমানের উপাদান হিসেবে থেকে গেছে। যে রাজনীতিতে প্রতিটি পক্ষ নিজেকে ভুক্তভোগী এবং অন্য পক্ষকে অপরাধী মনে করে, সেখানে রাষ্ট্রের সাধারণ ন্যায়বোধ দুর্বল হয়ে পড়ে।

২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনগুলো বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংকট করেছে আরও তীব্র। এ ধারাবাহিকতার পর ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান অনেকের কাছে নতুন সুযোগ হিসেবে এসেছিল। কিন্তু সুযোগ আর নিশ্চয়তা এক জিনিস নয়।

সমস্যা হলো, গণঅভ্যুত্থানের পরও পুরনো রোগ ফিরে এসেছে। বিচারকে পাশ কাটিয়ে প্রতিশোধকে অগ্রাধিকার দেওয়া, আইনের বদলে মবকে নৈতিক ক্ষমতা দেওয়া, ইতিহাসকে পুনর্ব্যাখ্যা না করে মুছে ফেলতে চাওয়া— এগুলো গণতন্ত্রের পথ নয়। ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাড়ি ভাঙার ঘটনা সেই কারণে শুধু একটি স্থাপনা ধ্বংসের ঘটনা নয়। এটি দেখায় যে, আমরা এখনো ইতিহাসের সঙ্গে পরিণত সম্পর্ক গড়তে পারিনি। কোনো রাজনৈতিক শাসন বা পরিবারতন্ত্রের সমালোচনা করা এক জিনিস কিন্তু স্বাধীনতার স্মৃতিবাহী একটি ঐতিহাসিক স্থাপনাকে মবের হাতে তুলে দেওয়া আরেক জিনিস।

বাংলাদেশের রাজনীতির ভালো উদাহরণও আছে। খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনাকে পাশাপাশি বসে দেখা গেছে হাসতে। নব্বইয়ের গণআন্দোলনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি এবং অন্যান্য দল একসঙ্গে কাজ করেছে। ২০০১ সালে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া তুলনামূলকভাবে ছিল শান্তিপূর্ণ। তারেক রহমানের বঙ্গবন্ধুর টুঙ্গিপাড়ার কবর জিয়ারতে যাওয়াও একটি প্রতীকী রাজনৈতিক মুহূর্ত ছিল। এ ঘটনাগুলো দেখায়, রাজনৈতিক সৌহার্দ্যের সম্ভাবনা কখনো পুরোপুরি মরে যায়নি। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, ভালো উদাহরণগুলো প্রতিষ্ঠান হয়ে ওঠেনি। এগুলো থেকে রাজনৈতিক সংস্কৃতি তৈরি হয়নি। বরং খারাপ উদাহরণগুলোই বেশি শক্তিশালী হয়েছে।

বাংলাদেশের অর্জনও কম নয়। এ রাষ্ট্র দুর্ভিক্ষ, যুদ্ধ-পরবর্তী ভাঙন, ঘূর্ণিঝড়, সামরিক শাসন, দারিদ্র্য এবং রাজনৈতিক অস্থিরতা পেরিয়ে খাদ্য উৎপাদন, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, নারী শিক্ষা, মাতৃস্বাস্থ্য, শিশুমৃত্যু হ্রাস এবং গড় আয়ু বৃদ্ধিতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। কিন্তু এ অর্জনের ওপর সবসময় ঝুলে থাকে রাজনৈতিক সহিংসতার ছায়া।

রাষ্ট্র যখন বারবার রাজনৈতিক সংঘর্ষে অচল হয় তখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় অর্থনীতি। বিনিয়োগ কমে। প্রশাসন দলীয় হয়। বিশ্ববিদ্যালয় পাস করা মানুষের সংখ্যা বাড়ে কিন্তু দক্ষতার প্রশ্ন চাপা পড়ে যায়। এ সংকট শুধু নৈতিক নয়, অর্থনৈতিকও। বিশ্ব এখন এআই, অটোমেশন এবং ডিজিটাল অর্থনীতির নতুন যুগে ঢুকেছে। এ যুগে শুধু সস্তা শ্রম দিয়ে উন্নয়ন ধরে রাখা যাবে না। দরকার দক্ষতা, ভাষা, গণিত, প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা, গবেষণা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা।

আগামী বিশ বছরের বাংলাদেশ কেমন হবে, সেটি শুধু কোন দল ক্ষমতায় থাকবে তার ওপর নির্ভর করবে না। নির্ভর করবে আমরা রাষ্ট্রকে কীভাবে কল্পনা করি তার ওপর। আমরা কি রাষ্ট্রকে বিজয়ীদের সম্পত্তি ভাবব নাকি নাগরিকদের যৌথ প্রতিষ্ঠান ভাবব? আমরা কি বিচার চাইব নাকি প্রতিশোধ চাইব? আমরা কি ইতিহাসকে দলীয় অস্ত্র বানাব নাকি জটিলতা মেনে নিয়ে ইতিহাসের সঙ্গে পরিণত সম্পর্ক গড়ব? আমরা কি তরুণদের মবের শক্তি শেখাব নাকি যুক্তি, শিক্ষা ও প্রতিষ্ঠানের প্রতি শ্রদ্ধা শেখাব?

বাংলাদেশ বিভাজনের রাজনীতি থেকে বের হতে পারবে কি না, এর উত্তর তাই দ্বিধাময়। ইতিহাস আমাদের হতাশ করে কিন্তু পুরোপুরি নিরাশ করে না। কারণ, এ দেশ বহুবার অসম্ভবের ভেতর থেকে সম্ভব তৈরি করেছে। কিন্তু এবার কাজটা কঠিন। শুধু সরকার পরিবর্তন করে হবে না। দরকার রাজনৈতিক ভাষার পরিবর্তন। দরকার এমন নাগরিক সংস্কৃতি, যেখানে প্রতিপক্ষকে হারানো যায় কিন্তু অপমান করা যায় না; বিচার করা যায় কিন্তু মবের হাতে তুলে দেওয়া যায় না; স্মৃতির সমালোচনা করা যায় কিন্তু স্মৃতি ভাঙা যায় না।

 

লেখক: ভূরাজনৈতিক বিশ্লেষক ও যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির ডক্টরাল ফেলো

রাজনীতিজাতিধর্মগণতন্ত্রশুরুর সুবাস
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ১২:০০ টা
    অস্ট্রেলিয়া
    ১
    মিসর
    ১
    ০৪ জুলাই ২০২৬
    রাত ১১:০০ টা
    কানাডা
    ০
    মরক্কো
    ০
    ০৫ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    প্যারাগুয়ে
    ০
    ০৬ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    ব্রাজিল
    ০
    নরওয়ে
    ০
    ০৬ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৬:০০ টা
    মেক্সিকো
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    ০৭ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    পর্তুগাল
    ০
    স্পেন
    ০
    advertisement
    advertisement
    মানুষের তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন রাসেল

    মানুষের তৃষ্ণা মেটাচ্ছেন রাসেল

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০২:৩২

    কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ জিতে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

    কেপ ভার্দে চ্যালেঞ্জ জিতে শেষ ষোলোয় আর্জেন্টিনা

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৩

    তৃণমূলে কোন্দলের শঙ্কায় বিএনপি

    তৃণমূলে কোন্দলের শঙ্কায় বিএনপি

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৫

    বাজারে প্রচলিত টাকা কমেছে ১১ হাজার কোটি

    বাজারে প্রচলিত টাকা কমেছে ১১ হাজার কোটি

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫৪

    সফল এনসিটি কেন বিদেশিদের হাতে

    সফল এনসিটি কেন বিদেশিদের হাতে

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৫০

    ঘানাকে হারিয়ে শেষ ১৬তে কলম্বিয়া

    ঘানাকে হারিয়ে শেষ ১৬তে কলম্বিয়া

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৮

    বিচারক মোশাররফ

    বিচারক মোশাররফ

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০০:০৫

    শোকের সাগরে ভাসছে ইরান

    শোকের সাগরে ভাসছে ইরান

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০০:৪৬

    স্বচ্ছতার সঙ্গেই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে

    স্বচ্ছতার সঙ্গেই প্রক্রিয়া এগোচ্ছে

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮

    ইভি ব্যাটারি নির্মাতাদের জন্য পলিউশন ওয়াচডগ গঠন করছে হাঙ্গেরি

    ইভি ব্যাটারি নির্মাতাদের জন্য পলিউশন ওয়াচডগ গঠন করছে হাঙ্গেরি

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০০:৩৩

    নকআউটে রোনালদোর প্রথম গোল

    নকআউটে রোনালদোর প্রথম গোল

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮

    ছায়ানটে বর্ষার অনুষ্ঠান, সুফিয়া কামালকে নিবেদন

    ছায়ানটে বর্ষার অনুষ্ঠান, সুফিয়া কামালকে নিবেদন

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০১:০২

    শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

    শনিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:২২

    ৪ গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনসিপির

    ৪ গণমাধ্যমের বিরুদ্ধে হাসনাত আবদুল্লাহকে নিয়ে মিথ্যাচারের অভিযোগ এনসিপির

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪২

    আজকের নামাজের সময়সূচি (০৪ জুলাই)

    আজকের নামাজের সময়সূচি (০৪ জুলাই)

    ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৭:৩৩

    advertiseadvertise