শিক্ষিকাকে জুতা মারার কারণ জানালেন সেই ব্যবসায়ী

সংগৃহীত ছবি
রাজশাহীতে সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত ‘জুতাকাণ্ড’ নিয়ে এবার কথা বলেছেন অভিযুক্ত ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শাহাদ আলী।
গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে শাহাদ আলী বলেছেন, ‘কয়েকদিন আগে কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে আমাকে একটি চিঠি দেওয়া হয়। কলেজের কিছু জমি আমার পুকুরের মধ্যে রয়েছে। এ বিষয়ে কথা বলতে আমাকে ডাকা হয়। তবে ওই সময়ে আমি অসুস্থ হয়ে পড়ি এবং হার্ট ফাউন্ডেশনে ভর্তি ছিলাম।
তার ভাষ্য, সুস্থ হয়ে বাসায় ফেরার পর কলেজের এক সহকারী শিক্ষক (বুলবুল) আমাকে ফোন করে নতুন প্রিন্সিপালের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি সমাধানের জন্য আমন্ত্রণ জানান।’
তার দাবি, ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে কলেজে যাই। সেখানে গিয়ে কিছু সময় অপেক্ষার পর অফিসে প্রবেশ করলে দেখি সেখানে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে। ওই শিক্ষিকা একজন ছাত্রকে মারধর করছেন। এ অবস্থায় প্রিন্সিপালের সঙ্গে জমির বিষয়ে কথা না বলে অন্যদিন আসবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু ওই সময় ওই শিক্ষিকা আমাকে ‘নেতাগিরি করতে এসেছেন’ বলে কটূক্তি করেন। আমি কোনো জবাব না দিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে হঠাৎ ওই শিক্ষিকা আমাকে চড় মারেন।
শাহাদ আলী ওই শিক্ষিকাকে চড় মারার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আমাকে চড় মারার পর আমি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। পরে উত্তেজিত হয়ে পা থেকে স্যান্ডেল খুলে ওই শিক্ষিকাকে কয়েকবার আঘাত করি। পরে সেখান থেকে বের হয়ে চলে আসি।’
শাহাদ আলীর দাবি, তিনি একাই কলেজে গিয়েছিলেন এবং কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন।ওই শিক্ষিকার আচরণ সবার সঙ্গেই খারাপ এবং এ ঘটনাই মূলত পুরো পরিস্থিতির সূত্রপাত।

