স্বাভাবিক হচ্ছে ফেসবুক-হোয়াটসঅ্যাপ

বিশ্ব জুড়ে হঠাৎ অচল হয়ে পড়ে মেটার একাধিক জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। শুক্রবার সন্ধ্যায় ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও থ্রেডস ব্যবহার করতে গিয়ে বিপাকে পড়েন লাখো ব্যবহারকারী। তবে প্রায় এক ঘণ্টা পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে সেবাগুলো।
বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর থেকে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন ধরনের সমস্যার কথা জানাতে শুরু করেন। কেউ ফেসবুক অ্যাপ খুলতে পারছিলেন না, কেউ আবার লগইন করেও সেবা ব্যবহার করতে ব্যর্থ হন। অনেকের স্ক্রিনে ‘সরি, সামথিং ওয়েন্ট রং’ বার্তাও দেখা যায়।
বিশ্বব্যাপী প্রযুক্তি সেবার বিভ্রাট পর্যবেক্ষণকারী ওয়েবসাইট ডাউনডিটেক্টরে অল্প সময়ের মধ্যেই অভিযোগের সংখ্যা দ্রুত বেড়ে যায়। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ আসে ফেসবুক অ্যাপ ব্যবহারে সমস্যা নিয়ে। এ ছাড়া লগইন ও ওয়েবসাইট ব্যবহারে সমস্যার কথাও জানান বহু ব্যবহারকারী।
বিভ্রাটের প্রভাব শুধু একটি দেশে সীমাবদ্ধ ছিল না। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, রোমানিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে একই ধরনের সমস্যার খবর পাওয়া যায়। ইনস্টাগ্রাম ও থ্রেডসেও একই সময়ে সমস্যা দেখা দেওয়ায় এটিকে মেটার বড় পরিসরের প্রযুক্তিগত বিপর্যয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এদিকে বিপুলসংখ্যক ব্যবহারকারী একযোগে অভিযোগ জানাতে প্রবেশ করায় ডাউনডিটেক্টর ওয়েবসাইটও কিছু সময়ের জন্য ধীরগতির হয়ে পড়ে।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে ফেসবুক ও মেটার অন্যান্য সেবা। তবে এখনো অনেক ব্যবহারকারী বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন বলে জানা গেছে। কী কারণে এই বিভ্রাট তৈরি হয়েছিল, সে বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি মেটা।
প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বড় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতেও মাঝে মাঝে সার্ভার বা নেটওয়ার্কজনিত জটিলতা দেখা দিতে পারে। যদিও মেটার সেবাগুলোয় অতীতেও কয়েকবার বড় ধরনের বিভ্রাট হয়েছে, এবারের ঘটনায় কতসংখ্যক ব্যবহারকারী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তা এখনো স্পষ্ট নয়।





