Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ইসলাম

যেসব ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে দান করাই উত্তম

মুফতি সাইফুল ইসলাম
মুফতি সাইফুল ইসলাম
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ আগস্ট ২০২৬, ১৯:৫২
যেসব ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে দান করাই উত্তম

প্রতীকী ছবি

দান-সদকা ইসলামের অন্যতম মহৎ ইবাদত। এটি শুধু সম্পদের একটি অংশ অন্যের কাছে পৌঁছে দেওয়া নয়, বরং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের একটি মাধ্যম, মানুষের প্রতি ভালোবাসা ও সহমর্মিতার বহিঃপ্রকাশ। তবে ইসলাম দানের ক্ষেত্রে গোপনীয়তাকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। কারণ গোপনে দান করলে লোক দেখানোর প্রবণতা থেকে বাঁচা যায় এবং দাতার নিয়ত বিশুদ্ধ থাকে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা যদি সদকা প্রকাশ করো, তবে তা উত্তম; আর যদি তা গোপন করো এবং অভাবগ্রস্তদের দিয়ে দাও, তবে তা তোমাদের জন্য আরও উত্তম।’ (সুরা আল-বাকারা, আয়াত : ২৭১)

তবে এই আয়াতের মাধ্যমে ইসলাম প্রকাশ্য দানকে নিষিদ্ধ করেনি। বরং কিছু ক্ষেত্রে প্রকাশ্যে দান করাকে উত্তম ও কল্যাণকর হিসেবে বিবেচনা করেছে। কারণ কোনো কোনো দান অন্যদের উৎসাহিত করা, সমাজের প্রয়োজন পূরণ করা এবং ভালো কাজের সংস্কৃতি গড়ে তোলার জন্য প্রকাশ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে।

মানুষকে দানে উৎসাহিত করার ক্ষেত্রে

যখন কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান প্রকাশ্যে দান করে অন্যদের দান করার প্রতি উৎসাহিত করতে পারে, তখন তা প্রকাশ করা উত্তম। বিশেষ করে সমাজের বড় কোনো কল্যাণমূলক কাজে, যেমন দুর্যোগকবলিত মানুষের সাহায্য, এতিমদের সহযোগিতা, শিক্ষা বা চিকিৎসা সহায়তায় প্রকাশ্যে দানের মাধ্যমে অন্যরাও এগিয়ে আসতে পারে।

রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগে এমন অনেক ঘটনা রয়েছে যেখানে সাহাবায়ে কেরাম প্রকাশ্যে দান করেছেন, যাতে অন্যরা উৎসাহিত হয়। তাবুক অভিযানের সময় হজরত উসমান (রা.) বিপুল পরিমাণ সম্পদ দান করেছিলেন। তাঁর এই প্রকাশ্য দান মুসলিম সমাজকে সহযোগিতার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছিল। (তিরমিজি, হাদিস : ৩৭০৩)

বড় সামাজিক কল্যাণমূলক উদ্যোগে

কোনো বড় প্রকল্প বা জনকল্যাণমূলক কাজে প্রকাশ্যে দান করলে মানুষের আস্থা বৃদ্ধি পায় এবং প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ সহজ হয়। মসজিদ নির্মাণ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা, হাসপাতাল বা জনসেবামূলক কার্যক্রমে দানের হিসাব ও অংশগ্রহণ প্রকাশ করা অনেক সময় প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠে।

ইসলাম স্বচ্ছতা ও আমানতদারিতাকে গুরুত্ব দিয়েছে। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের নির্দেশ দেন আমানত তার হকদারের কাছে পৌঁছে দিতে।’ (সুরা নিসা, আয়াত : ৫৮)

যখন গোপন রাখলে উপকার কমে যায়

কিছু দান এমন হয়, যার প্রভাব শুধু একজন ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং পুরো সমাজের ওপর পড়ে। যেমন, কেউ যদি একটি দরিদ্র শিক্ষার্থীর জন্য বৃত্তি চালু করেন এবং তা প্রকাশের মাধ্যমে আরও মানুষ একই কাজে আগ্রহী হয়, তাহলে প্রকাশ্য দান কল্যাণের মাধ্যম হতে পারে।

ইবনে কাসির (রহ.) সুরা আল-বাকারার ২৭১ নম্বর আয়াতের ব্যাখ্যায় উল্লেখ করেছেন, প্রকাশ্য সদকা তখনই উত্তম হতে পারে যখন এর উদ্দেশ্য হয় অন্যদের উৎসাহিত করা এবং ভালো কাজে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করা। (তাফসির ইবনে কাসির, সুরা বাকারা, আয়াত : ২৭১)

রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক দানের ক্ষেত্রে

ব্যক্তিগত নফল সদকার ক্ষেত্রে গোপনীয়তা উত্তম হলেও রাষ্ট্র, সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানের দানের ক্ষেত্রে প্রকাশ অনেক সময় অপরিহার্য। কারণ জনগণের আস্থা, জবাবদিহিতা এবং কার্যক্রমের স্বচ্ছতার জন্য দানের তথ্য প্রকাশ করা প্রয়োজন হয়।

যেমন, কোনো দাতব্য সংস্থা যদি জনসাধারণের কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করে, তাহলে কত টাকা সংগ্রহ হয়েছে এবং কোথায় ব্যয় হয়েছে তা জানানো দায়িত্বের অংশ।

ভালো কাজের দৃষ্টান্ত স্থাপনের ক্ষেত্রে

সমাজে অনেক মানুষ দান করতে আগ্রহী হলেও সঠিক পদ্ধতি বা উদ্যোগের অভাবে পিছিয়ে থাকে। একজন সামর্থ্যবান ব্যক্তি যখন প্রকাশ্যে কোনো ভালো কাজে অংশ নেন, তখন তা অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠে। কুরআনে আল্লাহ বলেন, “তোমরা সৎকর্ম ও তাকওয়ার কাজে একে অপরকে সহযোগিতা করো।” (সুরা মায়িদা, আয়াত : ২)

তবে প্রকাশ্য দানের সবচেয়ে বড় শর্ত হলো নিয়তের বিশুদ্ধতা। যদি মানুষের প্রশংসা পাওয়ার উদ্দেশ্যে দান করা হয়, তাহলে তা ইবাদতের মর্যাদা হারাতে পারে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি লোক দেখানোর জন্য কোনো আমল করে, আল্লাহ তার সেই লোক দেখানোর বিষয়টি প্রকাশ করে দেবেন।” (মুসলিম, হাদিস, আয়াত : ২৯৮৭)

অতএব, ইসলামের শিক্ষা হলো, সাধারণত গোপন দান উত্তম; কারণ এতে আত্মপ্রদর্শনের ঝুঁকি কম থাকে। কিন্তু যেখানে প্রকাশ্য দান মানুষের কল্যাণ বৃদ্ধি করে, অন্যদের উৎসাহিত করে এবং সমাজে ভালো কাজের পরিবেশ তৈরি করে, সেখানে তা উত্তম ও প্রশংসনীয় হতে পারে। মূল বিষয় হলো দানের পরিমাণ নয়, বরং নিয়ত, উদ্দেশ্য ও তার মাধ্যমে অর্জিত কল্যাণ।

দান-সদকাহপ্রকাশ্য দানদানের ফজিলত
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise