রাজনৈতিক সংকটে অলি আহমেদ

সংগৃহীত ছবি
কর্নেল (অব.)অলি আহমদ এবার নিজে নির্বাচন না করে তার ছেলে ওমর ফারুককে নির্বাচনে দাঁড় করান। ওমর ফারুক জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট সমর্থিত লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
চট্টগ্রাম-১৪ আসনের ভোটরা একাধিক গণ মাধ্যমকে জানান,কর্নেল অলির নানাসময়ে নানা বিষয়ে বিরূপ মন্তব্য; বার বার দল ও জোট বদল; নিজের বদলে ছেলেকে প্রার্থী করা, যাকে এলাকার মানুষ তেমন জানেন-বুঝেন না এবং নির্বাচনে অর্থের প্রভাবকে দায়ী করছেন তারা।
এবারের আসনটিতে নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে জসীম উদ্দীন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট। ২০২৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন প্রচুর অর্থবিত্তের মালিক জসীম উদ্দীন আহমেদ।
মাত্র একটি আসনে জয়ের আশায় জীবনের শেষ সময়ে এসে কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ জোটবদ্ধ হন এক সময়ের চরম রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে। সেই চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনেই ১ হাজার ২৬ ভোটের ব্যবধানে বিএনপির প্রার্থী জসীম উদ্দিন আহমেদের কাছে পরাজিত হয়েছেন এলডিপি প্রার্থী ওমর ফারুক (অলি আহমদের ছেলে)। এ পরাজয়ের পর ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে অলি আহমদ বলেন, তার ছেলে ওমর ফারুক হারেননি, কারচুপি করে হারিয়ে দেওয়া হয়েছে চন্দনাইশের মানুষকে।
দুই প্রার্থীর ভোটের ব্যবধান সামান্য হওয়ায় এ আসনের ফলাফল ঘোষণা করতেও দেরি করে প্রশাসন। প্রভাব বিস্তার করে ফলাফল নিজের পক্ষে আনার চেষ্টার অভিযোগ দুই পক্ষেরই বিরুদ্ধে। ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, জসীম উদ্দিন আহমেদ পেয়েছেন ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দল সমর্থিত এলডিপির ওমর ফারুক ‘ছাতা’ প্রতীকে পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
দীর্ঘ সময় দাপটের সঙ্গে রাজনীতি করা বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) অলি আহমদ শুক্রবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তায় নির্বাচনের ফলাফল বিষয়ে অভিযোগ তুলে ধরেন।

