আল্লাহ আমার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন পাটওয়ারীকে দিয়ে : আব্বাস

সংগৃহীত ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বাকী আর মাত্র কয়েক দিন। ইতোমধ্যে প্রচারণাও শেষের দিকে। বিভিন্ন দল প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন। নির্বাচনি ইশতেহারও দিয়েছে কয়েকটি দল। বড় দুই জোটই বলেছে নির্বাচনে শঙ্কার কথা।
বিএনপি সরাসরি কারচুপি ও জাল ভোটের কথা বলছে। এজন্য ভোটকেন্দ্র পাহাড়া দেওয়ার কথা বলেছেন তারেক রহমান। অন্যদিকে জামতায়াতও ভোটকেন্দ্র পাহাড়া দেওয়ার কথা বলছে। যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি দাড় করাছেন।
নেতাদের বাকযুদ্ধ সাধারণ ভোটাররা অনেকটা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।
তবে ঢাকা- ৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী মির্জা আব্বাস ও ১১ দলীয় জোটের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী নির্বাচনী প্রচারে তাদের যেকোন বক্তব্য মুহুর্তে দেশ-বিদেশে আলোচনার ঝড় তুলছে । ঢাকা-৮ আসনকে দেশের সবচেয়ে বড় নির্বাচনী বাকযুদ্ধ বলেও অবহিত করেছেন অনেক।
পাশাপাশি তাদের দুই জনের ভোটার ও সমর্থকরাও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে নেতিবাচক ও ইতিবাচক মন্তব্যে সরব ।
এবার বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী মির্জা আব্বাস জানিয়েছেন, ১১ দলীয় জোটের নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে দিয়ে আল্লাহ তায়ালা তার ধৈর্যের পরীক্ষা নিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘আমি যেন নির্বাচনের দিন ১২ তারিখ পর্যন্ত ধৈর্য ধরে থাকতে পারি—এই দোয়া করি।’
আজ (রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারণাকালে এসব কথা বলেন মির্জা আব্বাস।
উল্লেখ্য, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রায় নিয়মিতই নির্বাচনি প্রচারণায় মির্জা আব্বাসকে নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ করে আসছেন। এর প্রতিক্রিয়াতেই এসব মন্তব্য করেন বিএনপির এই নেতা। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচন বানচালের জন্য কয়েকটি দল পরিকল্পিতভাবে কাজ করছে এবং ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে ফল পরিবর্তনের চেষ্টা করা হতে পারে।
মির্জা আব্বাসের দাবি, ‘নিজেরা যা করবে, তার দায় অন্য দলের ওপর চাপিয়ে দেয়া হচ্ছে। কারণ তাদের সমর্থিত দল এখন ক্ষমতায় রয়েছে।’ যাদের দেশ পরিচালনার কোনো অভিজ্ঞতা নেই, তারা কীভাবে ১২ তারিখের পর ক্ষমতায় এসে ‘দেখে নেয়ার’ হুমকি দেয়—তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তার ভাষায়, ‘এই সাহস তারা পেয়েছে, কারণ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় তাদের লোক বসানো আছে, যারা প্রয়োজন হলে তাদের ইচ্ছেমতো নির্বাচনের ফল ম্যানিপুলেট করার কাজ করছে।’

