শেষবারের মতো খামেনিকে দেখতে মানুষের ঢল

সংগৃহীত ছবি
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে রাজধানী তেহরানে মানুষের ঢল নেমেছে। কয়েক লাখ মানুষ ইতোমধ্যে শহরে পৌঁছেছেন। আগামী কয়েক দিন ধরে চলবে শেষকৃত্যের কর্মসূচি। এতে এক কোটিরও বেশি মানুষের অংশ নেওয়ার আশা করছে ইরানি কর্তৃপক্ষ।
এই শোকানুষ্ঠানকে ইরানের সাম্প্রতিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহৎ বিদায় অনুষ্ঠান বলা হচ্ছে। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তেহরানে এসেছেন। বিদেশ থেকেও অনেকেই অংশ নিচ্ছেন।
আজ শনিবার সকাল থেকেই রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। ইমাম খোমেনি মোসাল্লা গ্র্যান্ড মসজিদ শোকাহত মানুষে পূর্ণ হয়ে যায়। অনেকের পরনে ছিল কালো পোশাক। অনেকের হাতে ছিল ইরানের জাতীয় পতাকা।
৮৬ বছর বয়সী আলী খামেনির কফিনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে হাজারো মানুষ সারিবদ্ধভাবে অপেক্ষা করেন। কেউ দোয়া করেন। কেউ অশ্রুসিক্ত চোখে শেষ বিদায় জানান।
একই হামলায় নিহত খামেনির পরিবারের কয়েকজন সদস্যের মরদেহও সেখানে রাখা হয়েছে। তাদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন উপস্থিত মানুষ। নিহতদের মধ্যে খামেনির তিন বছর বয়সী নাতনিও রয়েছে।

শেষকৃত্যের জন্য আলী খামেনির মরদেহ তেহরানে পৌঁছেছে। তাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে রাজধানীতে লাখো মানুষের ঢল নেমেছে। আরও মিলিয়ন মানুষের সমাগমের আশা করছে কর্তৃপক্ষ—রয়টার্স

ভোর থেকেই তেহরানের প্রধান সড়ক ও ইমাম খোমেনি মোসাল্লা গ্র্যান্ড মসজিদে জড়ো হন কালো পোশাক পরা শোকাহত মানুষ। তাদের হাতে ছিল পতাকা, পবিত্র কোরআন ও আলী খামেনির প্রতিকৃতি—ছবি: সংগৃহীত

ফেব্রুয়ারির হামলায় নিহত আলী খামেনিকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে দেশজুড়ে এক কোটির বেশি মানুষের সমাগম হতে পারে বলে জানিয়েছে ইরান—ছবি: সংগৃহীত

তেহরানের বিভিন্ন স্থানে টানানো শাহাদাত ও প্রতিরোধের বার্তাসংবলিত ব্যানারে মুহাররমের শিয়া আত্মত্যাগের ঐতিহ্যের সঙ্গে আলী খামেনির মৃত্যুকে যুক্ত করে তুলে ধরা হয়েছে—ছবি: সংগৃহীত

হাতে ইরানের পতাকা ও খামেনির প্রতিকৃতি নিয়ে শোকমিছিলে অংশ নেন নারী, পুরুষ ও শিশুরা। লাউডস্পিকারে প্রচার করা হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত ও শোকগাথা—ছবি: সংগৃহীত

অনেক ইরানির কাছে খামেনির মৃত্যু একটি যুগের অবসান। তবে তার উত্তরসূরি মোজতবা খামেনি আগের নীতিই বহাল রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন—ছবি: সংগৃহীত







