Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় চিঠি

আগামীর চোখ

জিপিএ ৫ বিক্রয়কেন্দ্র

agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৩:২৬
জিপিএ ৫ বিক্রয়কেন্দ্র

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

বরাবর

প্রধান শিক্ষক, নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুল

দূর গ্রামের এক সাধারণ হাই স্কুলের এই প্রধান শিক্ষকের প্রীতি ও শুভেচ্ছা নেবেন। আপনাকে এবং আপনার প্রতিষ্ঠান নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুলকে অভিনন্দন জানাই। ৩৮২ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৮২ জনই জিপিএ ৫! কিন্তু  শুনতে পেলাম, এ সাফল্যের পেছনে রয়েছে টেস্ট পরীক্ষা নামক বিশেষ ছাঁকনপ্রক্রিয়া। আপনাদের ৪৮৫ শিক্ষার্থীর মধ্যে ১০৩ জন নাকি এই বিশেষ ছাঁকনপ্রক্রিয়ায় বাদ পড়ে গেছে? তাও আবার ফেল করবে এমন ছাত্র নয়, আপনাদের ধারণা অনুযায়ী জিপিএ ৫ পাবে না এমন ছাত্রদেরই বাদ দিেয়ছেন! এটা কি আম বাছাইয়ের প্রক্রিয়া যে, আধা পাকা আম বাদ দিয়ে পাকা আম বাছাই করে খাঁচার ওপর লিখে দিলেন, ‘সব আমই সুমিষ্ট’! এ তো খাঁটি করপোরেট বুদ্ধি! আমরা এতকাল জেনে এসেছি— শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হলো শিক্ষার্থী গড়ে তোলার কারখানা, আর শিক্ষকরা কারিগর। কিন্তু আপনারা দেখালেন, এ কালের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আসলে শুধুই ফলাফলে বিশ্বাসী। দুর্বল ছাত্র দূর, জিপিএ ৫ পাবে না এমন ছাত্রও ছেঁটে ফেলতে হবে পরীক্ষার আগে!

জিপিএ ৫ নিশ্চয়ক শিক্ষার্থীকেই অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হইবে

আমরা গ্রামের দেহাতি মাস্টার, এসব আধুনিক মার্কেটিং বুঝি না। আমাদের স্কুলে প্রতি বছর এমন কিছু ছাত্র পাই, যারা পরীক্ষার খাতায় অদ্ভুত সব রচনা লিখে রাখে। আমরা জানি, তারা আসল পরীক্ষায় বসলে ফলাফল কী হবে। তবুও আমাদের মতো সেকেলে মাস্টাররা ওই দুর্বল ছাত্রগুলোকেও মূল পরীক্ষায় বসতে দিই। আমাদের বোকা মন বলে— বাচ্চাটা হয়তো শেষ মুহূর্তে একটু চেষ্টা করবে, পাস করেও ফেলতে পারে। পাস করা আর ফেল করা, দুজন তো আমাদেরই সন্তান। একজনকে রেখে অন্যজনকে ফেলে দিই কীভাবে?

কিন্তু আপনারা দুর্বলগুলোকে ছেঁটে ফেলে দিয়ে একদম চকচকে তৈরি পণ্যগুলোকে বোর্ডে পাঠালেন। আর আমরা? দুর্বলগুলোকে টেনেটুনে তৈরি করার পেছনে সারা বছর রক্ত জল করলাম, শেষমেশ তারা কেউ বি, কেউ সি পেল, কেউ ফেল করল। এখন মনে হচ্ছে, ছাত্রদের আমরা এতদিন ভুল বুঝে এসেছি। ছাত্ররা তো মানুষ নয়, তারা বিজ্ঞাপন! যাদের ফল ভালো হবে, তাদের সামনে রাখতে হয়, আর যাদের খারাপ হবে তাদের লুকিয়ে রাখতে হয়। ফল ভালো হলেই তো লাভ। পরের বছর শত শত ছাত্র আসবে ‘সফল’ বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে। তখন অঙ্গীকারপত্রে লিখে দেবেন, ‘জিপিএ ৫ নিশ্চয়ক শিক্ষার্থীকেই অ্যাডমিট কার্ড দেওয়া হইবে।’

ইতি

গ্রামের সেকেলে এক প্রধান শিক্ষক

নাছিমা কাদির মোল্লা হাই স্কুলবিক্রয়কেন্দ্র
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise