Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
সবুজ স্বপ্ন বুনছেন শাকির
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় সম্পাদকীয়

আগামীর চোখ

সবই আমরা আমরা

agamir somoy
প্রকাশ: ১২ জুন ২০২৬, ১১:৪২
সবই আমরা আমরা

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

প্রিয়

সংস্কৃতিমন্ত্রী,

নিজেদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে নিজেরাই অতিথি হয়ে বসে পড়ছেন আপনার অধীন কর্মকর্তারা। প্রাসঙ্গিক হোক বা না হোক– শিল্প-সাহিত্য নিয়ে হাত-পা ছুড়ে লম্বা-চওড়া বক্তব্য দিয়ে বেড়াচ্ছেন তারা। ভাবখানা এমন, আমরা সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, আমাদের চেয়ে বড় সংস্কৃতিমনা আর কে আছে জগতে! কিন্তু তারা বোধহয় এটি জানেন না, শিল্প-সাহিত্য এক ভিন্নতর সাধনার বিষয়। আমলার চেয়ারে বসে সেই সাধনা অধিকাংশ ক্ষেত্রে করা সম্ভব হয় না। আর একান্তই যদি তারা সাধনায় সিদ্ধিলাভ করেও ফেলেন, সেক্ষেত্রে নিজেদের আয়োজিত অনুষ্ঠানে অতিথির চেয়ারে বসে পড়া বড্ড বেমানান; একই সঙ্গে দায়িত্বের অবহেলা। কারণ, তাদের দায়িত্ব হলো দেশের সংস্কৃতি, শিল্প-সাহিত্যের বিকাশ ও চর্চা নিশ্চিত করা। এগুলো নিয়ে সভা-সেমিনার আয়োজন করা, অতিথি ও আলোচক খুঁজে নেওয়া।

শুনেছি, বিগত সরকারগুলোর সময়ও সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অতিথির আসন অলংকৃত করতেন। একবার বাংলা একাডেমিতে আয়োজিত একটি বিষয়ভিত্তিক সেমিনারে বক্তব্য দিচ্ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা। প্রসঙ্গ ছেড়ে বহুদূর চলে গিয়ে হারিয়ে যাওয়ায় মঞ্চে উপস্থিত গবেষক ও সাংস্কৃতিক সংগঠক মফিদুল হক বিরক্ত হয়ে মঞ্চেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। এরপর বুড়িগঙ্গার পানি শাখা নদী ধরে বহুদূর চলে গেছে। কিন্তু আপনার সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সংস্কৃতির কোনো নড়চড় হলো না। সম্প্রতি মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক আমন্ত্রণ জানানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এরকমই এক ঘটনা ঘটেছে গত মঙ্গলবার। সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁকে স্মরণ করে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ইনস্টিটিউট। এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ খালিদ হোসেন। আর বিশেষ অতিথির চেয়ারে বসেছিলেন পরিচালক কে এম আল-আমীন! মুখ্য আলোচক জেহাদ উদ্দিনও ইনস্টিটিউটের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য! সভাপতিত্ব করেন নির্বাহী পরিচালক লতিফুল ইসলাম শিবলী! মানে সবাই ভাই-ব্রাদার। এমনকি ইবরাহীম খাঁর স্মরণে তার পরিবারের কোনো সদস্যকেও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন ইবরাহীম খঁা ফাউন্ডেশনের সভাপতি মোসাদ্দেক হাবিব।

অথচ আমরা আশা করেছিলাম, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় দেশের শিল্প-সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে কাণ্ডারির ভূমিকা পালন করবে। কিন্তু দেখতে পাচ্ছি, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় নিজেই স্বজনপ্রীতির সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি! অতিথির চেয়ার ধরে রাখতে যারা কূল পাচ্ছেন না, দেশের শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতির বিকাশ তারা কীভাবে ঘটাবেন!

ইতি

এক সাহিত্য অনুরাগী

 

আগামীর চোখসংস্কৃতিমন্ত্রীচিঠি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise