Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
পথশিশুদের জন্য ওমর ফারুকের ১২ বছরের লড়াই
বুধবার, ২১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

সৌদি আরবে শিরশ্ছেদে আমরা কী শিক্ষা নেব

মাহফুজুর রহমান
agamir somoy
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:২১
সৌদি আরবে শিরশ্ছেদে আমরা কী শিক্ষা নেব

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সামাজিক মাধ্যম ও গণমাধ্যম— দুই-ই এখন তোলপাড় সম্প্রতি সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের শিরশ্ছেদের ঘটনায়। এক্ষেত্রে আলোচনা ও সমালোচনার ধারা প্রধানত দুটি। এক. দূতাবাস বা বাংলাদেশ সরকার কেন কিছুই করেনি, কেন শিরশ্ছেদের ঘটনা বাংলাদেশ আগে থেকে জানত না, সৌদি আরবে প্রবাসী শ্রমিকদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন সাধারণ ঘটনা। অতএব, সরকার কেন সৌদি আরবের প্রতি কঠোর মনোভাব দেখায় না। দুই. লঘু পাপে কেন সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হলো।

যে দুজন বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ করা হয়েছে, তাদের নাম যথাক্রমে নজরুল ও সিতি। নাম-ঠিকানাসহ নজরুলের পুরো হদিস পাওয়া গেছে। সিতির কোনো হদিস এখনো পাওয়া যায়নি। দুজনকে ঘিরে যেসব গল্প বা ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ঘুরেছে, তার প্রায় সবই কাল্পনিক ও মনগড়া। নজরুলের বাবার কাছ থেকে কিছুটা সত্য পাওয়া গেছে। ২০২২ সালের নভেম্বরে নজরুল সৌদি আরবে যান। চার মাসের মাথায় গ্রেপ্তার হন। নজরুলের বাবাও একসময় সৌদি আরবে কাজ করতেন। নজরুল ও সিতির বিরুদ্ধে অভিযোগ ধর্মীয় স্থানের পবিত্রতা লঙ্ঘন। শিরশ্ছেদের পর পাঁচ দিন পার হয়ে গেলেও দূতাবাস বা সরকার অতিরিক্ত কোনো তথ্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি।

কোনো প্রবাসীকে কোনো কারণে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা কোনো ধরনের আদালত আটক করলে বা কোনো কারণে অভিযুক্ত করলে সাধারণত তা সেই প্রবাসীর দূতাবাসকে জানানো হয়। জানানোর পদ্ধতি নিয়ে ভিয়েনা কনভেনশনে (১৯৬৩) স্পষ্ট নির্দেশনা আছে। তবে এ পদ্ধতির পুরোটা নির্ভর করে অভিযুক্ত ব্যক্তির ইচ্ছার ওপর। আমি আমার দীর্ঘ পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, প্রবাসী বাংলাদেশিরা যখন কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হন, তখন তারা কখনোই তা দূতাবাসকে অবহিত করতে চান না। আলোচ্য ক্ষেত্রে তারা সাধারণত দূতাবাসকে বিশ্বাস করেন না, দূতাবাস কোনো সহায়তা করতে পারবে বলে মনে করেন না। বরং মনে করেন, দূতাবাস অবহিত হলে তার বিপদ বাড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে দূতাবাস তাকে দেশে ফেরত পাঠাতে বাধ্য করতে পারে, কালোতালিকাভুক্ত করতে পারে এবং দেশে তার বাড়তি বিচারের আয়োজন করতে পারে। শুধু দূতাবাস নয়; তারা সাধারণত এসব ক্ষেত্রে নিজের পরিবার বা বন্ধুবান্ধবকেও কোনো কিছু অবহিত করেন না। প্রকৃত তথ্য এড়িয়ে যান। কারণ তারা মনে করেন, প্রকৃত তথ্য দেওয়া হলে তারা সামাজিকভাবে হেয় হবেন, তাদের পরিবার উদ্বিগ্ন হবে। ব্যতিক্রম আছে। যখন শুধু ভিসা বা পাসপোর্টহীন অবস্থায় থাকেন, বেআইনি অবস্থানের কারণে গ্রেপ্তার হন, জাল করা ড্রাইভিং লাইসেন্স নিয়ে দুর্ঘটনা ঘটান, কোনো কারণে আর্থিক জরিমানার শিকার হন, তখন ক্ষেত্রবিশেষে দূতাবাসের সাহায্য চান। কারণ তখন মনে করেন, দূতাবাস তাদের ছাড়িয়ে নিতে পারবে। কিংবা কোনো সময় বিদেশি সরকার সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করলে তারা তার সুবিধা পাবেন।

আলোচ্য ক্ষেত্রে নজরুলের বাবার বক্তব্য শুনে মনে হয়েছে, তার ছেলে শেষ দিন পর্যন্ত তাকে অপরাধ বা অভিযোগ সম্পর্কে কিছু বলেননি। কিংবা কোনো একসময় বললেও বাবা সে তথ্য গোপন করেছেন। বাবা যেহেতু নিজেও সৌদি আরবে ছিলেন, তিনি কিছুটা হলেও সৌদি আরবের পরিস্থিতি বোঝেন। সম্ভবত সেজন্য তিনিও ছেলেকে দূতাবাসের সহায়তা নিতে উৎসাহ দেননি।

নজরুল বা সিতির কথা বাদ দিলাম। জেদ্দায় বাংলাদেশ কনস্যুলেট রয়েছে। রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাস রয়েছে। তারা কি স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এসব খোঁজ নিতে পারে না? এ প্রশ্নের উত্তর কঠিন। দূতাবাস বা কনস্যুলেট থেকে নির্দিষ্ট সময় অন্তর বাংলাদেশি বন্দিদের তালিকা সংগ্রহ করা হয়। তালিকা অনুযায়ী কোনো কোনো বন্দিশালা পরিদর্শন করা হয়। কিন্তু সেসব ক্ষেত্রে যেসব বন্দি দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে দেখা করতে চান না, তাদের বাদ রাখা হয়। বাকিদের ক্ষেত্রে স্থানীয় আইনজীবী নিযুক্ত করা হয়। এই আইনজীবীরা খুব সীমিত আইনি সহায়তা দিতে পারেন। কোনো কোনো বন্দি ব্যক্তিগত উদ্যোগে উঁচু দরের আইনজীবী নিয়োগ করেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে দূতাবাস বাংলাদেশে বন্দিদের পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করে। এ প্রক্রিয়া কাগজ-কলমে ক্রিয়াশীল থাকলেও এর কার্যকারিতা খুব একটা নেই। দুয়েকটি হাইপ্রোফাইল ঘটনায় শুধু দূতাবাস তাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করে। সরকারও তাতে যুক্ত হয়। সাধারণভাবে বহু ঘটনা বিভিন্ন কারণে দূতাবাসের কর্মকর্তাদের চোখ এড়িয়ে যায়।

প্রবাসী শ্রমিকদের কল্যাণার্থে দূতাবাসে শ্রম শাখা রয়েছে। প্রধানত তারা প্রবাসীদের হালহকিকত দেখেন। তাদের বাজেট, বেতন-ভাতা, অফিস ভাড়া, গাড়ি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা আসে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে। কর্মকর্তাদের বার্ষিক গোপনীয় প্রতিবেদন লেখেন ঢাকায় বসা প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব। কর্মকর্তাদের বদলি বা নিয়োগও নিয়ন্ত্রণ করে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়। ফলে শ্রম শাখা বিদেশে কাজের ক্ষেত্রে অবারিত স্বাধীনতা পায়। এই স্বাধীনতা কখনো তাদের কাজে সৃজনশীলতা আনে, কখনো তাদের জবাবদিহির জায়গা সংকুচিত করে। শ্রম শাখাগুলো সে হিসেবে দূতাবাসের ভেতর আরেক দূতাবাস। শ্রম শাখাগুলো তাদের লোকবল-স্বল্পতার অভিযোগ বরাবরই করে। আবার প্রবাসীরাও দূতাবাসের কাজের ঢালাও সমালোচনা করেন। দুয়ের মধ্যেই সত্যতা আছে।

দীর্ঘ পেশাগত কাজের অভিজ্ঞতায় দেখেছি, প্রবাসী বাংলাদেশিরা যখন কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হন, তখন তারা কখনোই তা দূতাবাসকে অবহিত করতে চান না। আলোচ্য ক্ষেত্রে তারা সাধারণত দূতাবাসকে বিশ্বাস করেন না, দূতাবাস কোনো সহায়তা করতে পারবে বলে মনে করেন না

লঘু পাপে কি সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়া হয়েছে? মনে হয় না। সৌদি আরব সার্বভৌম একটি দেশ। সে দেশের আইন সে দেশের জন্য প্রযোজ্য। বহু ক্ষেত্রে আমরা নিজের দেশের পরিপ্রেক্ষিতে সৌদি আইনের ব্যাখ্যা দিয়ে ভুল করি। এমনিতেই আমরা বিচারহীনতার সংস্কৃতিতে ডুবে আইনের কোনো লঙ্ঘনকেই আর ভয়াবহ মনে করি না। অপরাধে অভিযুক্ত হলে বা প্রমাণিত হলেও আমরা বিকল্পপথে পরিত্রাণ খুঁজি। ধর্মীয় স্থানের পবিত্রতা লঙ্ঘন সৌদি আইনে ছোট অপরাধ নয়। এই অপরাধে হয়তো তুলনামূলক লঘু শাস্তি হতে পারত। কিন্তু তা শুধু বিচারক এবং বিচারপ্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্জিত হতে পারত। অভিযুক্ত ব্যক্তিদের পক্ষে জোরালো আইনি পরামর্শ তাদের সহায়ক হতে পারত এবং এখানেই হয়তো দূতাবাস বা সরকারের কিছু করার সুযোগ থাকত।

কদিন আগে সৌদি আরবের সঙ্গে তুর্কি ও পাকিস্তানের যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি হওয়ার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সরকারের কর্তাব্যক্তিরা অতি উৎসাহী হয়ে সেখানে বাংলাদেশের যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। বহু বুদ্ধিজীবীও সরকারকে উৎসাহ দিয়েছেন। অন্যদিকে প্রতিবেশী ভারতে সরকার ও বুদ্ধিজীবীরা সতর্ক ও উদ্বিগ্ন মন্তব্য করেছেন। দুজন বাংলাদেশির শিরশ্ছেদের ঘটনা এ সুযোগে তাই অনেকে অ্যান্টি-ক্লাইম্যাক্স হিসেবে উপস্থাপন করছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্ক নিয়েও কটাক্ষ করছেন। সরকারকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।

আলোচ্য ক্ষেত্রে কিছু প্রশ্ন এখনো অমীমাংসিত রয়েছে। মীমাংসিত হলে সৌদি আরব বা বাংলাদেশে হয়তো কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের ওপর কিছু দায় চাপিয়ে দেওয়া যাবে। তবে ঘটনা যেরকমই হোক, দুজন মানুষের মৃত্যুর দায় সমষ্টিবাচক। সৌদি আরবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ উত্থাপিত হয়, তার তালিকা খুব বড় নয়। অভিযোগগুলো নিয়ে ঢাকায় কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস এবং সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাস মাঝেমধ্যে সচেতনামূলক কর্মশালা চালু করতে পারে।

দুটি দেশের মধ্যে সম্পর্ক বহুমাত্রিক হলে বহু ক্ষেত্রেই পীড়াদায়ক ঘটনা ঘটতে পারে। নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে এসবের সুরাহা করা যায়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ যদি সক্রিয় হয়, তাহলে সুরাহায় বাংলাদেশের স্বার্থ সুরক্ষিত হতে পারে। যেহেতু সৌদি আরবে হাজার হাজার বাংলাদেশি বিভিন্ন কারণে কারান্তরীণ থাকেন, বাংলাদেশ উদ্যোগ নিতে পারে, শাস্তি হওয়ার পর যেন সেই শাস্তি অভিযুক্ত চাইলে বাংলাদেশের কারাগারে কাটাতে পারেন। যদি কোনো কারণে কোনো সৌদিপ্রবাসী সর্বোচ্চ শাস্তি পান, তবে রিভিউ বা আপিলের আগে অভিযুক্তের সম্মতিসাপেক্ষে তা যেন অবশ্যই বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করা হয়। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, শিরশ্ছেদের ঘটনা থেকে বাংলাদেশের ‘শিক্ষা’ নেওয়ার আছে। এই কয়েকটি পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা সরকারের জন্য একটি শিক্ষা হতে পারে।

 

লেখক: সাবেক কূটনীতিক

শিরশ্ছেদসৌদি আরবদূতাবাসসরকারপ্রবাসী
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটির বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া সুইটির বাড়ি টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে

    সৌদিতে সুইটি আক্তারের শিরশ্ছেদে মৃত্যুর খবর জানতো না পরিবার

    সৌদিতে সুইটি আক্তারের শিরশ্ছেদে মৃত্যুর খবর জানতো না পরিবার

    সৌদিতে শিরশ্ছেদ, গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে যা লিখেছিলেন নজরুল

    সৌদিতে শিরশ্ছেদ, গ্রেপ্তারের আগে ফেসবুকে যা লিখেছিলেন নজরুল

    ইশরাক ইস্যুর মধ্যেই পুলিশকে না জানিয়ে ববি হাজ্জাজের নামে মাদকবিরোধী অভিযান

    ইশরাক ইস্যুর মধ্যেই পুলিশকে না জানিয়ে ববি হাজ্জাজের নামে মাদকবিরোধী অভিযান

    ৯৭ শতাংশ কাজ হয়ে যাওয়ার পর বাতিল হচ্ছে বিআরটি প্রকল্প

    ৯৭ শতাংশ কাজ হয়ে যাওয়ার পর বাতিল হচ্ছে বিআরটি প্রকল্প

    বিএনপির এমপি চাঁদ নিলেন আখচাষির প্রণোদনা

    বিএনপির এমপি চাঁদ নিলেন আখচাষির প্রণোদনা

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড : ধন্ধ নিয়েই শোকাতুর টাঙ্গাইলের সুইটির পরিবার

    সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড : ধন্ধ নিয়েই শোকাতুর টাঙ্গাইলের সুইটির পরিবার

    অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অভিযান, আটক ৮৫

    অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে অভিযান, আটক ৮৫

    পদ দেওয়ার কথা বলে ১ লাখ টাকা ও ৩ খাসি নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    পদ দেওয়ার কথা বলে ১ লাখ টাকা ও ৩ খাসি নেওয়ার অভিযোগ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে

    যাঁরা ভবিষ্যৎ গড়েন, তাঁরা কোথায়?

    যাঁরা ভবিষ্যৎ গড়েন, তাঁরা কোথায়?

    স্বৈরাচারের গুলি মুসলমান-হিন্দু-খ্রিষ্টান দেখেনি: প্রধানমন্ত্রী

    স্বৈরাচারের গুলি মুসলমান-হিন্দু-খ্রিষ্টান দেখেনি: প্রধানমন্ত্রী

    নাটোরে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

    নাটোরে বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত বেড়ে ১৪

    বহিষ্কার হলেন পদ দেওয়ার কথা বলে টাকা-খাসি নেওয়া সেই বিএনপি নেতা

    বহিষ্কার হলেন পদ দেওয়ার কথা বলে টাকা-খাসি নেওয়া সেই বিএনপি নেতা

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    পূজা শেষে বাড়ি ফিরছিলেন চার নারী, পথে স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নিল ডাকাতরা

    সেই ২০ অক্টোবরেই আবার মৃত্যুর মিছিল বড়াইগ্রামের সড়কে

    সেই ২০ অক্টোবরেই আবার মৃত্যুর মিছিল বড়াইগ্রামের সড়কে