প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি

প্যারিসে বাংলাদেশ দূতাবাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির আলোচনা সভায় বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম. তালহা। ছবি: আগামীর সময়
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ফ্রান্সের বাংলাদেশ দূতাবাসে পালন করা হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস। মঙ্গলবার প্যারিসের ১৬তম এরোনডিসমেন্টে অবস্থিত দূতাবাসে এ উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
দূতাবাসের দূতালয় প্রধান মো. ওয়ালিদ বিন কাশেমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউনেস্কোতে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি এবং ফ্রান্স ও মোনাকোতে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম. তালহা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে করা হয় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত। পরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের স্মরণে পালন করা হয় এক মিনিট নীরবতা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের ডিফেন্স অ্যাটাশে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান মোল্লা (এনডিসি, পিএসসি)। প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করেন দূতাবাসের মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) মিজানুর রহমান। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের বাণীও পাঠ করা হয়।
সভাপতির বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত খন্দকার এম. তালহা বলেন, ‘প্রতিটি শহীদ পরিবারের কাছে আমাদের ঋণ রয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির বাণীতেও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের তাৎপর্য ও মাহাত্ম্য ফুটে উঠেছে।’
তিনি আরও জানান, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে দেশের উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে ভূমিকা রাখতে হবে।
দূতাবাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ৫ আগস্ট প্রবাসী বাংলাদেশিদের পাসপোর্টসংক্রান্ত কনসুলার সেবা সীমিত রাখার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে গণঅভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে একদিন আগে।
অনুষ্ঠানে ছিলেন ফ্রান্সে বসবাসরত বাংলাদেশি কমিউনিটির রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ব্যবসায়ী নেতারা। এদের মধ্যে ছিলেন এম এ রহিম, আবুল খায়ের লস্কর, জুনেদ আহমেদ, ইফতেশাম চৌধুরী, মনোয়ার পাটোয়ারী, ফ্রান্স বাংলাদেশ জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র ও ফ্রান্স টুয়েন্টিফোরের সাংবাদিক মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম, ফারুক আহমেদসহ অনেকে।
এ ছাড়াও ছিলেন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম সচিব শেখ মারেফাত তারিকুল ইসলাম, মিনিস্টার (কমার্শিয়াল) মিজানুর রহমান, দ্বিতীয় সচিব কে. এফ. এম. শারহাদ শাকিলসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।




