সারাদেশে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা, কমতে পারে গরম

ফাইল ছবি
সারাদেশে কিছুটা কমে আসতে পারে প্রচণ্ড ভ্যাপসা গরম। দেশের ৫০ থেকে ৭০ শতাংশ এলাকায় সম্ভাবনা রয়েছে বজ্রসহ বৃষ্টি বা ভারী বর্ষণের। এতে চলমান তাপপ্রবাহ দুর্বল হয়ে আসতে পারে। আজ শনিবার রাতে দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে এসব তথ্য।
আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আজ দেশের বেশ কিছু এলাকার আকাশ আংশিক থেকে শুরু করে মূলত মেঘলা থাকতে পারে। বিশেষ করে বরিশাল, খুলনা, ঢাকা, রংপুর, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগে মেঘের পরিমাণ বেশি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে মেঘের ফাঁকে ফাঁকে দেশের কিছু কিছু এলাকায় দিনে কিছুটা রোদের দেখাও মিলতে পারে। স্থানভেদে দিনে ৩ থেকে ৬ ঘণ্টা স্বাভাবিক সূর্যকিরণ পাওয়া যেতে পারে।
এদিন দেশের সব বিভাগেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে বিক্ষিপ্তভাবে বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে রংপুর, ঢাকা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও খুলনা বিভাগের বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।
এ ছাড়া রংপুর, বরিশাল, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বর্তমানে সক্রিয় বৃষ্টি বলয়ের কারণে বৃষ্টিযুক্ত স্থানে কিছুটা দমকা হাওয়া থাকতে পারে, তবে কালবৈশাখী ও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা কম। বৃষ্টিপাতের সম্ভাব্য এলাকায় মাঝারি থেকে তীব্র বজ্রপাতের আশঙ্কা থাকায় মেঘ দেখলেই দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী বৃষ্টি বলয়ের নাম ‘রিমঝিম’।
বৃষ্টির কারণে দেশের অধিকাংশ এলাকায় দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে। একই সঙ্গে রাতের তাপমাত্রাও কিছুটা কমবে। ফলে চলমান তাপপ্রবাহের সম্ভাবনা কম এবং ভ্যাপসা গরম ধীরে ধীরে কমে আসতে পারে। তবে দেশের কিছু কিছু এলাকায় দিনের বেলা স্বাভাবিক ভ্যাপসা গরম আবহাওয়া বজায় থাকবে। পরবর্তী তাপপ্রবাহের নাম ‘গুমোট’।
৫ জুন সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে নরসিংদীতে, ৪৯ মিলিমিটার। এ সময়ে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে কক্সবাজারে, ৩৬.৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটে, ২২.৭০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আজ ঢাকায় সূর্যোদয় হয়েছে সকাল ৫টা ১০ মিনিটে এবং সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৩ মিনিটে। আজকের দিনের দৈর্ঘ্য ১৩ ঘণ্টা ৩৩ মিনিট। দুপুরে মধ্য অঞ্চল থেকে সূর্য দক্ষিণ আকাশে ১.২০ ডিগ্রি হেলে থাকবে। অন্যদিকে, দেশের সমুদ্র উপকূলীয় বা সাগর অঞ্চল বর্তমানে প্রায় নিরাপদ রয়েছে।
চলতি বছরের ১২ আগস্ট একটি পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ এবং ২৮ আগস্ট একটি আংশিক চন্দ্রগ্রহণ সংঘটিত হবে। তবে দুটি গ্রহণের কোনোটিই বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে না।




