আগামীর সময়

ব্যয় ১৬৬৭ কোটি

স্পট মার্কেট থেকে আনা হচ্ছে ২ কার্গো এলএনজি

স্পট মার্কেট থেকে আনা হচ্ছে ২ কার্গো এলএনজি

ছবিঃ আগামীর সময়

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে টালমাটাল বিশ্ব জ্বালানি তেলের বাজার। সংকট মোকাবিলায় জরুরি ভিত্তিতে স্পট মার্কেট থেকে দুই কার্গো তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) কিনতে যাচ্ছে সরকার। এতে ব্যয় হবে এক হাজার ৬৬৭ কোটি টাকা। যুক্তরাজ্যের কোম্পানি থেকে এই এলএনজি কেনা হচ্ছে।

আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এলএনজি কেনার প্রস্তাব অনুমোদন দিয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেছেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। এর আগে সবশেষ ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভায়ও তিন কার্গো এলএনজি কেনার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বৈঠক শেষে ‘কম মূল্যে’ স্পট মার্কেট থেকে এই এলএনজি কেনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

জানা গেছে, যুক্তরাজ্যভিত্তিক টোটাল এনার্জিস গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড এই এলএনজি সরবরাহ করবে। প্রতি কার্গো এলএনজির দাম ধরা হয়েছে ৮৩৩ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। সে হিসাবে দুই কার্গো এলএনজি আমদানিতে ব্যয় ১ হাজার ৬৬৭ কোটি।

মূল্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, গত সভায় অনুমোদিত যুক্তরাজ্যের এক কার্গো এলএনজি কেনায় যে পরিমাণ খরচ হয়েছিল তার তুলনায় এবার প্রায় ৭৪ কোটি টাকার মতো কম খরচ হচ্ছে। কোরিয়ার কোম্পানি থেকে কেনার হিসাবের সঙ্গে তুলনা করলেও এটি প্রায় ৪০ কোটি টাকার মতো কম।

তখন যুক্তরাজ্যের কোম্পানি থেকে এক কার্গো এলএনজি কেনায় খরচ ধরা হয়েছিল ৯০৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা; কোরিয়ার কোম্পানি থেকে কেনায় এ খরচ ছিল ৮৭৩ কোটি ৩৫ লাখ টাকা।

এদিন ক্রয় কমিটির বৈঠকের পর মন্ত্রিসভার বৈঠক থাকায় নিয়মমাফিক অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের ব্রিফিং করার কথা থাকলেও তা করেননি। গত বৈঠকে তিনি ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেওয়ায় ওই ব্রিফিংটিও হয়নি। পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পাঠানো বিজ্ঞপ্তিদে দুই কার্গো এলএনজি কেনার বিষয়টি ক্রয় কমিটিতে অনুমোদনের বিষয়টি জানানো হয়।

হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ার প্রেক্ষাপটে কাতারের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় নির্ধারিত এলএনজি সরবরাহ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় স্পট মার্কেট থেকে অতিরিক্ত কার্গো আনার বিষয়টি আলোচনায় এসেছে। পরে এ বিষয়ে নির্দেশনা এসেছে প্রধানমন্ত্রীর তরফে।

এদিকে ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ১ কোটি লিটার পরিশোধিত পামওয়েল, ইপিআই কার্যক্রমে ব্যবহৃত ভেকসিন সরাসরি ইউনিসেফ থেকে অগ্রিম অর্থ দিয়ে ক্রয় এবং ৩০ হাজার টন ব্যাগডগ্র্যানুলার ইউরিয়া আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    শেয়ার করুন: