আগামীর সময়

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের ১ ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অপহরণের ১ ঘণ্টার মধ্যে স্কুলছাত্র উদ্ধার

সংগৃহীত ছবি

ছেলে অপহৃত হওয়ার খবর শুনে সচিবালয়ের কর্মচারী বাবা কাঁদতে কাঁদতে ঢুকে পড়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে। সামনাসামনি পেয়েও যান প্রধানমন্ত্রীকে।


খবরটা শুনেই ফোনে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের ছেলেটিকে উদ্ধারের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর এক ঘণ্টার মধ্যেই খিলগাঁওয়ের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে ছেলেটিকে উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের রমনা বিভাগের ডিসি মাসুদ আলম উদ্ধার অভিযানে যুক্ত ছিলেন।

‘অপহৃত ছেলেটি খিলগাঁওয়ের ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি আইডিয়াল স্কুলে নবম শ্রেণিতে পড়ে। বেলা আড়াইটার দিকে স্কুল থেকে বের হওয়ার পর ৪-৫ জন তাকে আটকে জোড়পুকুর এলাকায় সাততলা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধর করা হয়। এরপর তার বাবার নম্বর নিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা চায়। না হলে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। বাবা সচিবালয়ে চাকরি করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ের দপ্তরে কাঁদতে কাঁদতে ঢুকে পড়েন। পরে প্রধানমন্ত্রী ফোন করে ছেলেটিকে দ্রুত উদ্ধারের নির্দেশনা দেন’, গণমাধ্যমকে এমনটাই জানাচ্ছিলেন ডিসি মাসুদ আলম।

এরপর অপহরণকারীরা চাঁদা চেয়ে যে নম্বর থেকে ফোন দিয়েছিল সেই নম্বরে যোগাযোগ শুরু করে পুলিশ। ডিসি রমনার ভাষ্য, ‘কোন নম্বরে টাকা পাঠানো হবে তাদের কাছে সেই নম্বর চাওয়া হয়। তারা প্রথমে নম্বর দিতে দেরি করছিল। দর কষাকষিও চলে। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের অবস্থান শনাক্ত করে ওই ভবনে গিয়ে ছেলেটিকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অপহরণকারীরা পালিয়ে যায়।’

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে, ‘প্রধানমন্ত্রী এই খবর শুনেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ফোন করে পুলিশকে নির্দেশ দেন।’

    শেয়ার করুন: