আগামীর সময়

গরমে অস্বস্তি, শপথ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ

গরমে অস্বস্তি, শপথ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজার খোলা আকাশের নিচে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং বিদেশি সরকারপ্রধান ও উচ্চ পর্যায়ের অতিথিরা।

তবে এবার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন অনেকেই। কেউ কেউ খোলা আকাশের নিচে গরমে অনেকে অস্বস্তিতে পড়েছিলেন। অতিথিদের অনেককে ব্যবস্থাপনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে দেখা গেছে বলে জানিয়েছেন গণমাধ্যমকর্মীরা। অনুষ্ঠানস্থলে যথাযথভাবে পানির ব্যবস্থাও ছিল না বলে অনেকের অভিযোগ।

এবার বাংলাদেশের নবনির্বাচিত সরকারের মন্ত্রিসভার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা। এছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে স্পিকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রী ও পররাষ্ট্রসচিবসহ নানা পর্যায়ের অতিথি যোগ দেন।

নতুন সরকারের শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ১৪টি দেশের সরকারপ্রধানকে আমন্ত্রণ জানান। আমন্ত্রিত দেশগুলোর মধ্যে ছিল সৌদি আরব, চীন, জাপান, ভারত, পাকিস্তান, তুরস্ক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, মালদ্বীপ ও ভুটান। তবে আমন্ত্রিত ১৪ দেশের মধ্যে ছয় দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতরা। এসব দেশ হলো চীন, জাপান, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও মালয়েশিয়া। এছাড়া ঢাকায় অবস্থানরত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতরাও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে মঙ্গলবার সকালে ঢাকায় আসেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুইজ্জু। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান সাবেক পররাষ্ট্র উপদেষ্টা এম. তৌহিদ হোসেন। এছাড়া ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে বাংলাদেশ সরকারের আমন্ত্রণে শপথ অনুষ্ঠানে যোগ দেন। তিনি বিদায়ী প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গেও দেখা করেন। ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বিড়লা ভারতের প্রতিনিধি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শপথ অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ঢাকায় আসেন পাকিস্তানের পরিকল্পনামন্ত্রী আহসান ইকবাল চৌধুরী ও নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বালা নন্দ শর্মা। নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. নজরুল ইসলাম ও নেপালের রাষ্ট্রদূত ঘনশ্যাম ভান্ডারি।

শ্রীলঙ্কার স্বাস্থ্য ও গণমাধ্যম মন্ত্রী ড. নলিন্দা জয়তিসা কলম্বোর প্রতিনিধিত্ব করেন। এছাড়াও যুক্তরাজ্যের ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি সীমা মালহোত্রা, তুরস্কের আন্ডার সেক্রেটারি বেরিস একিনচি এবং ভারতের পররাষ্ট্রসচিব বিক্রম মিশ্রি এ সময় উপস্থিত ছিলেন।


    শেয়ার করুন: