Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

মাহদী আমিন

‘সমন্বয় করে’ সীমিত আকারে বাড়ানো হয়েছে জ্বালানি তেলের দাম

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ জুন ২০২৬, ১৯:৪৩
‘সমন্বয় করে’ সীমিত আকারে বাড়ানো হয়েছে জ্বালানি তেলের দাম

ছবি: আগামীর সময়

জ্বালানি তেলের মূল্য ‘সমন্বয় করে’ সীমিত আকারে বাড়ানো হয়েছে বলে জানালেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

আজ সোমবার বিকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের করবী হলে এক সংবাদ সম্মেলনে জ্বালানি তেলের দাম হঠাৎ বাড়ানো নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এই মন্তব্য করেন। ঈদুল আজহায় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত বিভিন্ন জনসম্পৃক্ত ও গণমুখী উদ্যোগের বিষয়াবলী জানাতে তার প্রেস উইংয়ের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় এই সংবাদ সম্মেলন।

মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, ‘জ্বালানি তেলের দাম কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর পৃথিবীর সব দেশেই বাড়ানো হয়েছে। যে কয়টা দেশ একদম শেষ মুহূর্তে দাম বাড়িয়েছে বা যতটা সম্ভব বিলম্বিত করে দাম বেড়েছে। বাংলাদেশ তার ভিতরে অন্যতম। অন্যান্য দেশের সঙ্গে তুলনা করলে এখনো বাংলাদেশের তেলের দাম অনেকটুকু কম। পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে শুরু করে আমাদের এই অঞ্চলে যদি দেখি, আমাদের আলহামদুলিল্লাহ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। যার কারণে মূল্যস্ফীতি আমরা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছি।’

‘‘সামগ্রিকভাবে বিশ্বে যে তেলের যোগান রয়েছে, যে সরবরাহ রয়েছে এবং তার সঙ্গে যেভাবে মূল্য বৃদ্ধি করা হচ্ছে, তার সঙ্গে সমন্বয় করেই বাংলাদেশে হয়তো নীতিগতভাবে কিছুটা তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। কারণ, তেল তো আমাদের ইন্টার্নাল প্রোডাকশন না। আমাদের গ্লোবাল ডিপেন্ডেন্স রয়েছে। এটা একটা ইম্পোর্ট এবং চেইনের ওপর ডিপেন্ড করছে। সুতরাং অন্যান্য বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে, অন্যান্য দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যতটা সম্ভব সীমিত আকারে মূল্য বাড়ানো হয়েছে,’ যোগ করেন তিনি।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান সরকার তিন মাসে ‘জবাবদিহিমূলক সরকারের যা করা সম্ভব, তার সর্বোচ্চটুকু করার চেষ্টা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে হচ্ছে’ বলে জানান মাহদী আমিন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের বক্তব্য নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া সরকারকে বিব্রত করে কিনা-প্রশ্ন ছিল মাহদী আমিনের কাছে। জবাবে মাহদী আমিন বললেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং পাবলিক ইউনিভার্সিটিগুলোর যে অসাধারণ ভূমিকা রয়েছে, ইতিহাসের প্রতিটি পরতে পরতে তা প্রমাণিত। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ১৯৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ১৯৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন, ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থান প্রতিটা ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে অনন্য অসাধারণ ভূমিকা— এটি বাস্তবতা।’

‘আজকে আমাদের রাষ্ট্র পরিচালনায় যারা রয়েছেন, তাদেরও একটি বিশাল অংশ মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতার ভিত্তিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে উঠে এসেছেন। রাষ্ট্রযন্ত্রেও অনেকেই রয়েছেন— যারা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে, তারাও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং বিভিন্ন পাবলিক ইউনিভার্সিটি থেকে পড়ে এসেছেন।’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘আর প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোর যাত্রা কিন্তু শুরু হয়েছিল বেগম খালেদা জিয়ার সময় ১৯৯২ সাল থেকে। স্বাভাবিকভাবে তাদের সেই সুদীর্ঘ ঐতিহ্যটুকু নেই, তবে সময়ের প্রবাহে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিগুলোও ভালো করছে। আমরা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেখেছি— যেটা সূচনা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, যা প্রাথমিকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের প্রতিটা পাবলিক ইউনিভার্সিটিতে। তারপর কিন্তু খুব কঠিন একটা সময় প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে এবং এই বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদের পতন ঘটেছে পাবলিক ইউনিভার্সিটি, প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে। তার মানে বর্তমান সরকার থেকে আমরা মনে করি, এই যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বলেন, নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় বলেন— এভাবে আমরা চিন্তা করি না। আমরা মনে করি, প্রত্যেকটা বিশ্ববিদ্যালয় প্রত্যেকটা প্রতিষ্ঠান প্রাতিষ্ঠানিকভাবে একে অপরের পরিপূরক, কম্পিটিশন না; তারা প্রত্যেকে একজন আরেকজনকে কমপ্লিমেন্ট করে।’

‘যার কারণে আমরা দেখি যে, অনেকেই হয়ত ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স করছেন, নর্থ-সাউথ থেকে মাস্টার্স করছেন; আবার অনেকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি থেকে অনার্স করছেন, ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্স করছেন। তার মানে আমরা সবাই মিলে দেশের প্রতিটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই তো মেধার ভিত্তিতে যোগ্যতার ভিত্তিতে আমাদের আগামীর বাংলাদেশ গড়ে তুলবে, যেখানে আমাদের নতুন প্রজন্মের যারা রয়েছেন তারা মেধাবী হবেন, তাদের দক্ষতা তৈরি হবে, তাদের মাঝে সুনাগরিকের গুণাবলী তৈরি থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টার ভাষ্য, ‘আমরা জনগণের প্রতি নির্বাচিত সরকার হিসেবে বিশ্বাস করি, আগামীর বাংলাদেশকে যদি আমাদের একসঙ্গে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হয়, তাহলে কে কোন ইউনিভার্সিটির সেটা বিবেচ্য না। আমরা সততা, দক্ষতা, যোগ্যতার মাধ্যমে মেধার মূল্যায়ন করে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই— যেখানে সরকারের দিক থেকে সর্বোচ্চ নীতিগত সহযোগিতা থাকবে প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য।’

চিড়িয়াখানায় সাদা মহিষ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে মাহদী আমিন বললেন, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প নামের মহিষের যে বিষয়— আমরা তো বুঝতেই পারছি যে, এটা নিয়ে একটা অপ্রীতিকর বা অস্থিতিশীল অবস্থা তৈরি হতে পারতো। সরকার হিসেবে আমাদের মূল দায়িত্ব দেশে স্থিতিশীলতা ধরে রাখা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যেন ভালো থাকে এবং সৌহার্দ্যের একটা পরিবেশ ধরে রাখা। এমন কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না হয়, যেটা নিয়ে দেশে-বিদেশে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। একটি দায়িত্বশীল এবং জবাবদিহিমূলক সরকারের যেটি কাম্য যে, আমরা এমনভাবে দেশটাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই- যেখানে উৎসবমুখর পরিবেশে প্রত্যেকে আন্তরিকতা-সদিচ্ছা নিয়ে এগিয়ে আসবে।

‘কোনো নির্দিষ্ট বিষয়কে সামনে রেখে অপ্রীতিকর বিষয় হবে, সেটা নিয়ে কোথাও কোনো অস্বাচ্ছন্দ্য বা অস্থিতিশীলতা তৈরি হবে- সেটা আমাদের কাম্য না। আমি বলব, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্যোগে যুগের চাইতে অগ্রসর একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত যেভাবে নেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে সেটিকে চিড়িয়াখানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মাধ্যমে মনে হয়- সুন্দর, সুষ্ঠু এবং সম্মানজনক সমাপ্তি হয়েছে অধ্যায়ের,’ ইতি টানেন মাহদী আমিন।

উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনির পরিচালনায় সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্তি প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, স্পিচ রাইটার মাহফুজুর রহমান, উপ-প্রেস সচিব সুজন মাহমুদ, সহকারী প্রেস সচিব নাজমুল হক খান ও আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার।

মাহদী আমিনজ্বালানি তেলের দাম
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise