কাজে মনোনিবেশ করাই অগ্রাধিকার: আমীর খসরু

সংগৃহীত ছবি
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন আগাম কোনো বক্তব্য দেওয়ার চেয়ে তার অগ্রাধিকার হবে কাজের ওপর মনোনিবেশ করা। তিনি বলেন, আমরা কথা কম বলতে চাই, কাজ বেশি করতে চাই।
রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
আমীর খসরু স্পষ্ট করে জানান, তাৎক্ষণিক জনসমক্ষে বক্তব্য দেওয়ার পরিবর্তে তার দৃষ্টিভঙ্গি হবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও বিষয়সমূহ সতর্কভাবে পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করে।
তিনি বলেন, সদ্য দায়িত্ব গ্রহণ করায় চলমান কর্মসূচি পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিস্তারিত পরিকল্পনা উপস্থাপনের জন্য কিছুটা সময় প্রয়োজন। আমি মাত্রই এসেছি। আগেভাগেই বেশি কথা বলে কোনো লাভ নাই। আমাকে স্থির হতে দিন, পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করতে দিন। যথাসময়ে সবকিছু জানানো হবে।
মন্ত্রী জানান, কয়েক দিন আগে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তিনি এখনো মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি, বিদ্যমান অঙ্গীকার এবং প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জগুলো বোঝার প্রক্রিয়ায় রয়েছেন।তিনি অনুমাননির্ভর বক্তব্য না দিয়ে তথ্যভিত্তিক ও প্রমাণনির্ভর সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বাংলাদেশকে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের মতো দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী তাৎক্ষণিক কোনো নির্দিষ্ট তথ্য দেননি। তিনি বলেন, পূর্ণাঙ্গ মূল্যায়নের পরই অর্থবহ নীতিগত দিকনির্দেশনা দেওয়া সম্ভব হবে।
পরিকল্পনা মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন যে, পর্যালোচনা প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে স্বচ্ছতা ও সময়োপযোগী যোগাযোগ বজায় রাখা হবে। উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। যথাসময়ে সব জানানো হবে। আগে পরিস্থিতি বুঝে নিয়ে তথ্যের ভিত্তিতে কথা বলা গুরুত্বপূর্ণ।
উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি বা বাস্তবায়নে বিলম্বের বিষয়ে জানতে চাইলে আমীর খসরু বলেন, এসব বিষয় ইতোমধ্যে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ এবং প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমেই সমাধান করা হবে।

