যুব প্রশিক্ষণের নামে অনেক বড় বড় দুর্নীতি হয়েছে : প্রতিমন্ত্রী

সংগৃহীত ছবি
যুব প্রশিক্ষণের নামে গত ১৬-১৭ বছর অনেক বড় বড় দুর্নীতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ফারুকের এক সম্পূরক প্রশ্নের উত্তরে এ তথ্য জানান তিনি।
সংসদ অধিবেশনে প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, বিগত ১৬-১৭ বছর এই যুব উন্নয়ন বা যুব প্রশিক্ষণের বিভিন্ন নামে অনেক বড় বড় দুর্নীতি হয়েছে। অনেক কিছু ইতোমধ্যে পরিলক্ষিত হয়েছে আমার দৃষ্টিতে এবং সেগুলো আপাতত আমার কাছে পর্যবেক্ষণের জন্য রেখে দিয়েছি। পর্যবেক্ষণ করে বিগত সময় যেখানেই দুর্নীতি হয়েছে, সেগুলোকে কীভাবে আমরা সুন্দরভাবে গুছিয়ে সমাধান করতে পারি... কারণ দুর্নীতিকে আমরা কখনোই কোনো প্রশ্রয় দেব না। যারা অবৈধভাবে বিভিন্নভাবে এই সুযোগগুলো নিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধেও দ্রুত ব্যবস্থা নেব।
‘যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মাধ্যমে আরও ব্যাপকভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রশিক্ষণগুলো যেন সঠিকভাবে করা হয় সেগুলো নিজে তদারকি করব ইনশাল্লাহ’, বলছিলেন প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।
আওয়ামী লীগের সময়ে বিসিবিতে নিয়োগ পাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনিয়মের বিষয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী, ‘বিগত ২০০৮ সাল থেকে যারা দলীয় সুযোগ-সুবিধার মাধ্যমে অবৈধ নিয়োগ হয়েছে তা নিয়ে দ্রুত তদন্ত কমিটি করে, এতে কারা কারা জড়িত আছে তা জাতির সামনে নিয়ে আসব।’
‘পাশাপাশি আপনারা শুনে অবাক হবেন বিসিবির অর্থ ও জনবল বিগত সময় ভোটের অধিকারহরণ করার জন্য একটি গ্রুপকে সহযোগিতার মাধ্যমে এ ধরণের অপকর্মগুলো করেছে। বোর্ডের যারা অপকর্মের সঙ্গে জড়িত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে’, যোগ করেন তিনি।
আমিনুল হক বলছিলেন, ক্রিকেট বোর্ডের দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তা, কর্মচারীর ব্যক্তিগত সম্পদের হিসাব নেওয়ার কিছু ইস্যু আমার সামনে পরিলক্ষিত হয়েছে। আমি দুর্নীতি দমন কমিশনের মহাপরিচালকের কাছে আহ্বান করব, এ বিষয়ে তদন্ত থাকলে, আমাদের যেন অবগত করেন। যাতে জাতির সামনে উত্থাপিত হয়।

