ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের কাজ ২০২৮ সালের জুনে শেষ করার নির্দেশ

সেতু বিভাগের সঙ্গে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা-আশুলিয়া নির্মাণ প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ দিয়েছে সেতু বিভাগ। ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্যে বলা হয়েছে জনবল, যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রী বাড়ানোর পাশাপাশি কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে। একই সঙ্গে নির্মাণ এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে পর্যাপ্ত যানবাহন ব্যবস্থাপনা, নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড ও নিরাপত্তাবেষ্টনী নিশ্চিতে দেওয়া হয়েছে গুরুত্ব।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সঙ্গে প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে ব্যুরো গ্রুপ কোম্পানি লিমিটেডের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের বৈঠকে দেওয়া হয় এসব নির্দেশনা। এ সময় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন এর চেয়ারম্যান উ ইয়ানকুন।
বৈঠকে সেতু সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফ জানান, বর্তমান সরকারের হাত ধরেই আধুনিক বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক রূপান্তর ঘটছে। প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী দিকনির্দেশনা, সুদৃঢ় সংকল্প, দ্বিতীয় সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন ও সার্বক্ষণিক নিবিড় নজরদারির ফলেই ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মতো সুবিশাল প্রকল্প বাস্তবতার মুখ দেখছে। একই সঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশের সামগ্রিক যোগাযোগ অবকাঠামো নতুন এক উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে চালু হলে রাজধানী ঢাকার সঙ্গে দেশের উত্তর ও পশ্চিমাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার অভূতপূর্ব উন্নয়ন হবে। সাভার, আশুলিয়া ও ঢাকা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঘটবে আমূল পরিবর্তন। একই সঙ্গে উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোর সঙ্গে ঢাকার নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে, যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে রাখবে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা।
বাংলাদেশ সরকার, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এবং সেতু বিভাগকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানান উ ইয়ানকুন। আন্তর্জাতিক মানের প্রকৌশল প্রযুক্তি ও সর্বোচ্চ দক্ষতা প্রয়োগের পাশাপাশি জনবল, যন্ত্রপাতি ও নির্মাণসামগ্রীর সরবরাহ বাড়িয়ে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি সফলভাবে সম্পন্ন করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
বৈঠকে নির্মাণাধীন এলাকায় চলাচলকারী সাধারণ মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে পর্যাপ্ত যানবাহন ব্যবস্থাপনা, নির্দেশনামূলক সাইনবোর্ড ও উন্নত নিরাপত্তাবেষ্টনী নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। প্রকল্পের কাজের গুণগত মান বজায় রেখে নির্ধারিত সময়, অর্থাৎ ২০২৮ সালের জুনের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্প পরিচালককে নির্দেশনা দেন সেতু সচিব।







