Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
গরিবের ‘ডাক্তারবাবু’ সুনীল মণ্ডল
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

সর্বজনীন পেনশন স্কিম

সর্বজনের করতে আসছে শরিয়াহ সংস্করণ

মিজান চৌধুরী
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ মে ২০২৬, ০৭:৪০
সর্বজনের করতে আসছে শরিয়াহ সংস্করণ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করতে শিগগিরই ‘সর্বজনীন পেনশন’ কর্মসূচিতে আসছে ব্যাপক সংস্কার। এর অংশ হিসেবে চারটি স্কিমেই অন্তর্ভুক্ত হচ্ছে ইসলামিক সংস্করণ (শরিয়াহসম্মত)। দেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষ ইসলাম ধর্মাবলম্বী হওয়ায় অনেকেই সুদভিত্তিক (রিবা) আর্থিক ব্যবস্থাপনায় আগ্রহ দেখান না। তাদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিকল্প হিসেবে নেওয়া হচ্ছে এ পদক্ষেপ। এরই মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে সংস্কারের বিষয়ে অবহিত করে প্রস্তাব দিয়েছে সর্বজনীন পেনশন কর্তৃপক্ষ। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

সংস্কার কর্মসূচির মধ্যে আরও আছে— বিদ্যমান শ্রম আইন সংশোধন করে অনানুষ্ঠানিক খাতে ৬ কোটি শ্রমজীবীকে প্রগতি স্কিমে অন্তর্ভুক্ত করা, সরকারের আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগ প্রকল্পে সর্বজনীন পেনশন বাধ্যতামূলক করা, মেয়াদ শেষের আগে পেনশনভোগীর মৃত্যু হলে নমিনিকে আজীবন সুবিধা দেওয়ার বিধান চালু করা। এ ছাড়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও ডাক বিভাগকে নিবন্ধনের ক্ষমতা দেওয়া এবং নিবন্ধন ফি ১৫ থেকে বাড়িয়ে ২৫ টাকা নির্ধারণ করা। সর্বজনীন পেনশন স্কিমে এই ছয় ধরনের সংস্কারের উদ্যোগকে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন অর্থনীতিবিদরা।

এ প্রসঙ্গে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মো. সুরাতুজ্জামান গতকাল মঙ্গলবার আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, ধর্মপ্রাণ মুসলিম নাগরিকদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ইসলামিক শরিয়াহসম্মত ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া চলমান। ফলে দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণের সুযোগ তৈরি হবে। তার মতে, দেশের শ্রমশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত হওয়ায় তাদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক অবসর সুবিধা নেই। বিশাল এ জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষার আওতায় আনার কাজ চলছে। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রতিটি পরিবারের অন্তত একজনকে পেনশন স্কিমের আওতায় আনাই তাদের লক্ষ্য।

জানতে চাইলে সাবেক অর্থ সচিব (সিনিয়র) মাহবুব আহমেদ আগামীর সময়কে বললেন, দেরিতে হলেও সরকার একটি বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নিয়েছে, যা ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে প্রকৃত অর্থেই সর্বজনের করে তুলতে এখন এ বিষয়ে ব্যাপক প্রচার ও মনিটরিং ব্যবস্থার ওপর জোর দিতে হবে।

দেশের সব মানুষকে সুবিধা দিতে সরকার ২০২৩ সালে সর্বজনীন পেনশন স্কিম প্রবর্তন করে। এর আওতায় চালু রয়েছে চারটি স্কিম। এগুলো হচ্ছে— প্রগতি, সুরক্ষা, প্রবাসী ও সমতা স্কিম। তবে এসব স্কিম ঘিরে যেরকম সাড়া জাগার প্রত্যাশা ছিল, কার্যক্ষেত্রে সেটা দেখা যায়নি। অনেকেরই চাওয়া ছিল, দেশে আর্থসামাজিক বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে যাতে এ স্কিমে শরিয়াহসম্মত ব্যবস্থা অন্তর্ভুক্ত করা হয়। সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অবশেষে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে।

সূত্রমতে, চলতি বছরের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সর্বজনীন পেনশনের চারটি স্কিমে ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৫৪৫ জন নিবন্ধন করেছেন, যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম। পেনশন কর্তৃপক্ষের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে সুদ বা ‘রিবা’ নিয়ে ধর্মীয় সংবেদনশীলতা প্রবল। ফলে অনেকেই প্রচলিত দীর্ঘমেয়াদি সঞ্চয়ভিত্তিক পেনশন ব্যবস্থায় যুক্ত হতে আগ্রহী নন। শরিয়াহভিত্তিক স্কিম চালু করা হলে মধ্যবিত্ত, প্রবাসী, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীসহ ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর বড় অংশ পেনশন ব্যবস্থায় যুক্ত হতে পারে।

সর্বজনীন পেনশন স্কিমে শরিয়াহভিত্তিক ব্যবস্থা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষ এরই মধ্যে নিয়েছে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি। এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত করা হয়েছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদেরও।

এদিকে পেনশন কর্তৃপক্ষ মাঠপর্যায়ের তথ্য পর্যালোচনা করে দেখতে পেয়েছে, শ্রমশক্তির প্রায় ৮৫ শতাংশ (প্রায় সাড়ে সাত কোটি) মানুষ বেসরকারি খাতে কাজ করেন। তাদের জন্য সাধারণত পেনশন, গ্র্যাচুইটি বা প্রভিডেন্ট ফান্ডের কোনো সুবিধা নেই। মোট শ্রমশক্তির মধ্যে মাত্র ১০ লাখ মানুষ একটি দৃশ্যমান সিপিএফ (কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড) স্কিমের আওতাভুক্ত। বাকি প্রতিষ্ঠানগুলোতে সিপিএফ বা অনুরূপ অবসরভিত্তিক সুবিধা চালু আছে কি না, সে বিষয়ে সুস্পষ্ট ও নির্ভরযোগ্য তথ্য নেই। সংস্কারের অংশ হিসেবে শ্রম আইন সংশোধন করে মালিক ও শ্রমিক উভয়পক্ষকে পেনশন স্কিমে নিবন্ধন করানো নিশ্চিত করা হবে।

সূত্র আরও জানায়, পেনশনভোগীর মৃত্যুর পর নমিনিকে আজীবন পেনশন সুবিধা দেওয়ার বিধান চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সর্বজনীন পেনশন আইনের বিধান অনুযায়ী, বর্তমানে কোনো পেনশনার ৭৫ বছর বয়সের আগে মারা গেলে তার মনোনীত নমিনিকে কেবল অবশিষ্ট সময় পর্যন্ত (অর্থাৎ পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত যেটুকু সময় থাকে) সুবিধা দেওয়ার কথা বলা রয়েছে। যদিও অন্যান্য পেনশন ব্যবস্থায় নমিনিদের আজীবন সুবিধা দেওয়ার বিধান আছে। সে আলোকে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায়ও নমিনিদের জন্য আজীবন পেনশন সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। এটি হলে সর্বজনীন পেনশন স্কিম আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ছাড়া সংস্কারের মাধ্যমে পেনশন স্কিমে যুক্ত করা হচ্ছে সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োজিত জনবলকেও। বর্তমানে সরকারি অফিসে আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া ৬০ হাজার এবং রাষ্ট্রায়ত্ত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে রয়েছে ১০ হাজার কর্মী। আগামীতে বিভিন্ন প্রকল্পে আরও নিয়োগ করা হবে। ফলে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মাধ্যমে আউটসোর্সিং জনবল নিয়োগের জন্য বাজেট বরাদ্দের সময় তাদের প্রগতি স্কিমে যুক্ত করার নির্দেশ দেবে অর্থ মন্ত্রণালয়। এরই মধ্যে শুরু হয়েছে এ প্রক্রিয়া। বিশ্লেষকদের মতে, এটি বাস্তবায়ন হলে প্রথমবারের মতো অস্থায়ী ও অনিশ্চিত চাকরিতে থাকা বিপুল জনগোষ্ঠী সামাজিক নিরাপত্তার আওতায় আসবে।

জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের সূত্রে জানা গেছে, গত ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত পেনশনের জন্য ঢাকায় ৩০ হাজার ৪৬, চট্টগ্রামে ২ লাখ ৭ হাজার ৭৬৪, রাজশাহীতে ৩২ হাজার ৬৩৭, খুলনায় ৮ হাজার ৬৪৪, বরিশালে ২১ হাজার ৫৩৩, রংপুরে ৪৫ হাজার ৮৯৭, ময়মনসিংহে ৪ হাজার ৭৯৮ ও সিলেটে ২৬ হাজার ২৪৬ জন নিবন্ধন করেছেন। নিজ উদ্যোগের পাশাপাশি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে (ইউডিসি) গিয়েও অনেকে করেছেন নিবন্ধন। আগামীতে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও ডাক বিভাগকেও নিবন্ধনের কাজে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। এতে সর্বজনীন পেনশনে অংশ নিতে আগ্রহীরা আরও সহজে নিবন্ধন করতে পারবেন।

সূত্রমতে, বর্তমানে ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তারা প্রতিটি নিবন্ধনের জন্য ১৫ টাকা কমিশন পান। পেনশন কর্তৃপক্ষ এটি বাড়িয়ে ২৫ টাকা করার প্রস্তাব দিয়েছে। ব্যাংক ও ডাক বিভাগের প্রতিনিধিদেরও প্রতিটি নিবন্ধনের বিপরীতে ২৫ টাকা করে ফি দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে ব্যাংক, ডাকঘর ও ইউডিসির উপস্থিতি সবচেয়ে বেশি। ফলে এসব নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারলে দ্রুত নিবন্ধন বাড়ানো সম্ভব হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সর্বজনীন পেনশন স্কিমের চিত্র: ১৯৩৫ সালে অবদানভিত্তিক পেনশন কর্মসূচি চালু হয় যুক্তরাষ্ট্রে। ১৯৪৮ সালে ন্যাশনাল ইন্স্যুরেন্স নামে স্কিম শুরু হয় যুক্তরাজ্যে। নেদারল্যান্ডসে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু হয় ১৯৫৭ সালে। এ ছাড়া ভারতে আংশিক অবদানভিত্তিক পেনশন ব্যবস্থা শুরু হয় ১৯৯৫ সালে। সুইডেন ১৯৯৯ সালে এবং কানাডায় ১৯৫২ সালে সম্পূর্ণ অবদানভিত্তিক পেনশন চালু হয়। আরও দেখা গেছে, ১৯০৯ সালে অস্ট্রেলিয়া টেস্টেড এজ পেনশন, ১৯৭৭ সালে নিউজিল্যান্ডে, ১৯৬১ সালে জাপানে এবং ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ায় সর্বজনীন ধাঁচের পেনশন চালু হয়। আফ্রিকার দেশ বতসোয়ানায় সর্বজনীন প্রবীণ পেনশন স্কিম চালু করা হয়েছে ১৯৯৬ সালে।

সর্বজনীন পেনশনস্কিমশ্রমশক্তিশরিয়াহভিত্তিক
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১০ জুলাই ২০২৬
    রাত ২:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    মরক্কো
    ০
    ১১ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    স্পেন
    ০
    বেলজিয়াম
    ০
    ১২ জুলাই ২০২৬
    রাত ৩:০০ টা
    নরওয়ে
    ০
    ইংল্যান্ড
    ০
    advertisement
    advertisement
    advertiseadvertise