আগামীর সময়

নির্বাচনের ছুটিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ

নির্বাচনের ছুটিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখার নির্দেশ

সংগৃহীত ছবি

নির্বাচন উপলক্ষ্যে আগামী ১১ ও ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ ছুটির পর ১৩ ও ১৪ ফেব্রুয়ারি যথাক্রমে শুক্র ও শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় টানা ৪ দিন দেশের ব্যাংকিং ও আর্থিক লেনদেন বন্ধ থাকছে। ফলে টানা ছুটিতে এটিএম বুথে পর্যাপ্ত অর্থ সরবরাহ নিশ্চিত করতে দেশের ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। একই সময়ে টাকার অপব্যবহার রোধে মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবায় কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, ছুটির সময়ে কোনো সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক আর্থিক লেনদেন শনাক্ত হলে তাৎক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানায় রিপোর্ট করতে হবে। গত রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস ডিপার্টমেন্ট-১ এ বিষয়ে একটি নির্দেশনা জারি করে।

নির্দেশনায় বলা হয়, নির্বাচনে এমএফএস ও এনপিএসবি’র আওতাধীন আইবিএফটি’র মাধ্যমে পিটুপি লেনদেনের অপব্যবহার রোধে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ১২টা থেকে বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত মোট ৯৬ ঘণ্টা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের ব্যক্তি হিসাবের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এ সময় বিকাশ, নগদ ও রকেটসহ সব মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রদানকারীর ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পি-টু-পি) লেনদেনে একবারে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকার বেশি পাঠানো যাবে না। দিনে সর্বোচ্চ ১০টি লেনদেনের মাধ্যমে মোট ১০ হাজার টাকা পাঠানো যাবে।

তবে কেনাকাটার পেমেন্ট (মার্চেন্ট পেমেন্ট) এবং বিদ্যুৎ-গ্যাসসহ ইউটিলিটি বিল পরিশোধের মতো জরুরি সেবাগুলো আগের নিয়মেই চালু থাকবে।

এছাড়া আলোচ্য ৯৬ ঘণ্টায় এক ব্যাংক থেকে অন্য ব্যাংকের হিসাবে তাৎক্ষণিক অর্থ স্থানান্তর (আইবিএফটির মাধ্যমে পি-টু-পি ইন্টারনেট ব্যাংকিং) সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

নির্বাচন উপলক্ষে এমএফএস-সংক্রান্ত অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তির জন্য প্রতিটি মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানকে নিজস্ব ‘কুইক রেসপন্স সেল’ গঠন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সব ধরনের লেনদেন সার্বক্ষণিক, নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে এবং সন্দেহজনক বা অস্বাভাবিক লেনদেনের ক্ষেত্রে দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট থানায় রিপোর্ট করতে হবে।

    শেয়ার করুন: