Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

বদলাবে শুধু পোশাক কাজ একই

  • র‌্যাবের মতোই কার্যপরিধি এসআরবির
সাখাওয়াত কাওসার
সাখাওয়াত কাওসার
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৩২
বদলাবে শুধু পোশাক কাজ একই

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

কার্যপরিধি হবে অনেকটা পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট র‌্যাবের মতোই। শুধু নাম, পোশাক, মনোগ্রাম ও পতাকায় আসছে পরিবর্তন। ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর পরবর্তী কার্যক্রমে পেয়েছে বিশেষ গতি। ভেটিংয়ের (কোনো প্রস্তাব বা আইন চূড়ান্তভাবে গ্রহণ বা পাসের আগে পুঙ্খানুপুঙ্খ পরীক্ষা-নিরীক্ষা) জন্য আজ ফাইল যাবে আইন মন্ত্রণালয়ে। ভেটিং শেষে শিগগির বিল আকারে তা জাতীয় সংসদে যাবে বলে আগামীর সময়কে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট একাধিক কর্মকর্তা।

প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে যাত্রা শুরু করা এই ‘এলিট’ ফোর্সের পোশাকের রঙ পরিবর্তন না করার পক্ষে মন্ত্রণালয় ও বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারা। তবে একান্তই পরিবর্তন করা হলেও তাতে কালোর কাছাকাছি অন্য কোনো একটি রঙ অথবা কালোর ওপর মাটি রঙের ডোরাকাটা কিংবা এরকম কোনো রঙ রাখার কথা বলছেন তারা।

র‌্যাব মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ আগামীর সময়কে বললেন, ‘সরকার যা সিদ্ধান্ত নেবে, সেভাবেই এসআরবি চলবে। পোশাকের ক্ষেত্রেও তাই। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার স্বার্থে যা করা দরকার তাই করবেন এই বাহিনীর সদস্যরা।’

জানা গেছে, সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ-সংক্রান্ত আইনের খসড়ায় অনুমোদন দেওয়া হলেও র‌্যাব তাৎক্ষণিকভাবে বিলুপ্ত হয়ে নতুন বাহিনী মাঠে নেমে যাচ্ছে— বিষয়টি এমন নয়। এর আগে আইন প্রণয়ন, সাংগঠনিক কাঠামো নির্ধারণ, জনবল ও সম্পদ পুনর্বিন্যাসসহ বেশ কয়েকটি ধাপ অতিক্রম করতে হবে। প্রয়োজনীয় আইনি যাচাই ও আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিল আকারে জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হবে। সংসদে বিল উপস্থাপনের পর সেটি সংশ্লিষ্ট সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হতে পারে। কমিটি খসড়ার বিভিন্ন ধারা পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় মতামত ও সুপারিশ দিতে পারবে। সেখানে বাহিনীর দায়িত্ব, ক্ষমতা, সাংগঠনিক কাঠামো, নিয়ন্ত্রণ, জবাবদিহি, জনবলসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এরপর সংসদে বিলটি নিয়ে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধনের পর তা পাসের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। বিল পাস হওয়ার পর সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুযায়ী প্রয়োজন হবে রাষ্ট্রপতির সম্মতি। এরপর আইনটি সরকারি গেজেট আকারে প্রকাশিত হবে। আইনে কার্যকর হওয়ার যে তারিখ বা পদ্ধতি নির্ধারণ করা হবে, সেই অনুযায়ী এসআরবির আইনি অস্তিত্ব কার্যকর হবে।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়া উদ্দীন আহমেদ জানালেন, মাত্রই খসড়ার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এখনো অনেক কাজ বাকি। এরপরই পোশাক, পতাকা, মনোগ্রামের বিষয় আসবে। এক্ষেত্রে কমিটি গঠন হবে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারেই পোশাকের রঙ এবং মনোগ্রাম ঠিক করা হবে।

খসড়া আইনে কী আছে: ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর খসড়ায় বাহিনীর সদর দপ্তর ঢাকায় রেখে দেশের যেকোনো স্থানে ইউনিট স্থাপনের সুযোগ রাখা হয়েছে। এসআরবির নেতৃত্বে অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন মহাপরিচালক থাকার কথা বলা হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যাটালিয়ন, কোম্পানি, প্লাটুন ও সেকশন গঠন করা যাবে। শুধু পুলিশ নয়, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকেও সদস্যদের প্রেষণে এনে এই ইউনিট গঠন করা যাবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সম্পর্কিত আইন সাপেক্ষে কোনো সদস্যকে নির্ধারিত শর্তাধীনে এই ইউনিটে চাকরিতে প্রেষণে নিযুক্ত বা অস্থায়ীভাবে সংযুক্ত করা যাবে। পাশাপাশি প্রতিরক্ষা কর্ম বিভাগের কোনো সদস্যকে নির্ধারিত শর্তাধীনে এ ইউনিটে প্রেষণে পাঠানো যাবে। প্রেষণে দায়িত্বের মেয়াদ ন্যূনতম দুই বছর রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

খসড়ার তৃতীয় অধ্যায়ে এসআরবির কার্যপরিধি সুনির্দিষ্ট করা হয়েছে। র‌্যাবের কর্মকাণ্ডের সবকিছু লিখিত না থাকলেও এবার এসআরবির কর্মকাণ্ডের ফিরিস্তি খসড়াতেই দেওয়া হয়েছে। এসআরবির প্রধান দায়িত্ব হবে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা রক্ষা, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ, অবৈধ অস্ত্র, গোলাবারুদ, বিস্ফোরক ও মাদক উদ্ধার, সাইবার অপরাধ, মানব পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, পাচার, অপহরণসহ মানবতাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া, সন্ত্রাসী কার্যক্রম, গুম, খুন ও ভূমিদস্যুতার বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা এবং প্রয়োজনে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহায়তা করা। খসড়ায় এসআরবির সদস্যদের অস্ত্র ও গোলাবারুদ বহন এবং ব্যবহারের পাশাপাশি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোনো স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তল্লাশি, আটক, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে ইউনিটের কর্মকর্তা ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী তদন্ত কর্মকর্তার ক্ষমতাও প্রয়োগ করতে পারবেন। তবে গ্রেপ্তার ব্যক্তি ও জব্দ করা আলামত পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ার জন্য অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানায় হস্তান্তর করতে হবে। ভ্রাম্যমাণ আদালতের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর অনুমতি নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। 

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ গঠিত হয় র‌্যাব। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সফলতার পাশাপাশি বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বাহিনীটিকে বিলুপ্তির দাবি ওঠে। গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে র‌্যাব ও বাহিনীর সাত কর্মকর্তার ওপর যুক্তরাষ্ট্র ২০২১ সালের ১০ ডিসেম্বর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপি গঠিত পুলিশ প্রশাসন সংস্কারবিষয়ক কমিটি র‌্যাব বিলুপ্তির দাবি জানায়।

গত ৪ অগাস্ট ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’ শীষর্ক খসড়া স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দিয়ে জনসাধারণের মতামত চাওয়া হয়। মতামত দেওয়ার জন্য সেখানে একটি ইমেইল অ্যাড্রেস দেওয়া হয়। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ছিল।

 

কার্যপরিধিএসআরবি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise