Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায় প্রাণী থেকে মানুষ, সবার পাশেই বাচ্চু
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় স্বাস্থ্য

মাদকাসক্তি থেকে টেকসই সুস্থতায় চাই সহায়ক পারিবারিক পরিবেশ

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯:২১
মাদকাসক্তি থেকে টেকসই সুস্থতায় চাই সহায়ক পারিবারিক পরিবেশ

সংগৃহীত ছবি

মাদকাসক্তি কোনো অপরাধ বা ইচ্ছাশক্তির অভাব নয়; এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ। মাদকাসক্তির সঙ্গে মানসিক রোগের গভীর সম্পর্ক রয়েছে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘ডুয়াল ডায়াগনসিস’ নামে পরিচিত। রোগীর টেকসই সুস্থতা ও পুনর্বাসনে পরিবারের সচেতনতা, মানসিক সমর্থন এবং সহায়ক পরিবেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৩টায় রাজধানীর শ্যামলীতে ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন নারী মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনায় রোগীদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত ‘ফ্যামিলি অ্যাডুকেশন মিটিং’-এ বক্তারা এসব কথা বলেন।

‘ফ্যামিলি অ্যাডুকেশন মিটিং অন দ্য রোল অব ফ্যামিলি অ্যাওয়ারনেস অ্যান্ড ইন সাসটেইনেবল রিকভারি ফ্রম মেন্টাল হেলথ অ্যান্ড অ্যাডিকশন’ শীর্ষক সভায় প্রধান আলোচক ছিলেন জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মো. আরিফুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘তীব্র মানসিক কষ্ট বা বিষণ্নতা থেকে মুক্তি পেতে কেউ কেউ মাদকের আশ্রয় নিতে পারেন। আবার দীর্ঘদিন অতিরিক্ত মাদক সেবনের কারণে মস্তিষ্কের রাসায়নিক ভারসাম্যে পরিবর্তন ঘটে গুরুতর মানসিক সমস্যা, এমনকি সাইকোসিসও দেখা দিতে পারে।’

ডা. আরিফুজ্জামান বলেন, ‘মাদকাসক্তি ও মানসিক রোগ একসঙ্গে থাকলে রোগীর আচরণে হঠাৎ তীব্র পরিবর্তন, মারমুখী আচরণ কিংবা ওভারডোজের মতো জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্যদের উত্তেজিত না হয়ে শান্ত থাকতে হবে। রোগীকে মারধর বা শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা যাবে না; প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসকের সহায়তা নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘রিহ্যাব থেকে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফেরার পর রোগীর সুস্থতা ধরে রাখতে পরিবারের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পরিবার প্রয়োজনীয় মানসিক সমর্থন ও সহায়ক পরিবেশ দিতে না পারলে রোগীর পুনরায় মাদক গ্রহণ বা ‘রিল্যাপস’-এর ঝুঁকি বাড়তে পারে।’

রোগীকে অতীতের ভুল নিয়ে বারবার দোষারোপ বা অতিরিক্ত সন্দেহ না করে চাপমুক্ত, নিরাপদ ও মাদকমুক্ত পারিবারিক পরিবেশ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের মাদকাসক্তি ও মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে সচেতন হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন।

সভায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের চিকিৎসাধীন রোগীদের অভিভাবক এবং ‘মায়ের হাসি’ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের রোগীদের অভিভাবকরা অংশ নেন।

সভায় ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশন স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সেক্টরের পরিচালক ইকবাল মাসুদ, সিনিয়র সাইকোলজিস্ট রাখি গাঙ্গুলী, কেন্দ্র ব্যবস্থাপক লায়লা ইয়াসমিন, কেস ম্যানেজার আফসানা খাতুন ও ফারজানা ডেরোসসহ কাউন্সেলররা উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, মাদকাসক্তির চিকিৎসা শুধু মাদক থেকে দূরে রাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; দীর্ঘমেয়াদি সুস্থতার জন্য মানসিক স্বাস্থ্য, পারিবারিক সম্পর্ক, সামাজিক পরিবেশ ও পুনর্বাসনকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সচেতন ও সহায়ক পরিবার রোগীর টেকসই সুস্থতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: