স্বাস্থ্য টিপস
ফিজিওথেরাপির শরণাপন্ন হবেন কখন

ফিজিওথেরাপি আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের এমন এক পদ্ধতি, যা কেবল ব্যায়াম নয়; বরং শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরিয়ে আনার বিজ্ঞানসম্মত মাধ্যম। অনেকের ধারণা, কেবল হাড় ভাঙলে বা তীব্র আঘাত পেলেই ফিজিওথেরাপিস্টের কাছে যেতে হয়। কিন্তু বর্তমানে চিকিৎসার প্রতিটি ক্ষেত্রেই ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব অনেক। বর্তমানে দাঁত থেকে শুরু করে চোখের সমস্যা বা জটিল সার্জারি— সব ক্ষেত্রেই ফিজিওথেরাপির প্রয়োজন পড়ছে। শরীর সচল রাখতে এবং ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া এড়াতে সঠিক সময়ে ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নিন।
কখন বুঝবেন আপনার ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন
দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা: ঘাড়, কোমর, হাঁটু বা গোড়ালি ব্যথায় আমরা অনেকেই ব্যথানাশক ওষুধের ওপর নির্ভর করি। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি পেইন ম্যানেজমেন্টের জন্য ফিজিওথেরাপি সবচেয়ে নিরাপদ।
হাড় ও জয়েন্টের সমস্যা: হাড়ের বিভিন্ন রোগে যখন অস্থিসন্ধিগুলো শক্ত হয়ে যায়, তখন স্বাভাবিক চলাচল বজায় রাখতে থেরাপি প্রয়োজন।
অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পুনর্বাসন: অর্থোপেডিক কোনো অপারেশনের পর শরীরকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে ওষুধের পাশাপাশি এক্সারসাইজ বা ফিজিওথেরাপির পরামর্শ দেওয়া হয়। সার্জারির পর মাংসপেশি সচল করতে এর বিকল্প নেই।
নিউরোলজিক্যাল সমস্যা: স্ট্রোকের পর শরীরের কোনো অংশ অবশ হয়ে গেলে বা ভারসাম্য হারিয়ে ফেললে রিহ্যাবিলিটেশনের জন্য ফিজিওথেরাপিস্টের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এ ছাড়া ‘বেলস পালসি’ বা মুখ বেঁকে যাওয়ার মতো সমস্যায় এটি মানুষকে দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করে।
বিশেষ শিশুদের ক্ষেত্রে: অটিস্টিক শিশুদের মাংসপেশির ইমব্যালান্স বা শারীরিক জড়তা দূর করে তাদের স্বাবলম্বী করতে ফিজিওথেরাপি গুরুত্বপূর্ণ।




