আওয়ামী লীগের ‘ভিপি জোয়াহেরকে’ টাঙ্গাইলে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

ছবিঃ আগামীর সময়
চব্বিশের আগস্টে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর পালিয়ে ভারতে চলে যান টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলাম। অবস্থান ছিল কলকাতায়।
অসুস্থ হয়ে সেখানেই মারা যান ৭২ বছরের এই নেতা। রবিবার রাতে মরদেহ এসে পৌঁছায় দেশে। দুই দফা জানাজা শেষে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয় নিজ এলাকা টাঙ্গাইলের সখীপুরের বেড়বাড়ি গ্রামে।
বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগছিলেন জোয়াহেরুল। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় কলকাতার দমদম এলাকার ফিনিক্স মেডিকেল সেন্টারে এক সপ্তাহ ধরে নিচ্ছিলেন চিকিৎসা।
তিনদিন লাইফ সাপোর্টে থাকার পর শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত সাড়ে ১০টার দিকে তার মৃত্যু হয়। বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে রবিবার রাতে তার মরদেহ আসে দেশে। পরে নেওয়া হয় টাঙ্গাইল শহরের ছোট কালিবাড়ী এলাকায় নিজ বাসভবনে।
জেলা সদর হেলিপ্যাডে সোমবার দুপুরে প্রথম জানাজা ও বিকাল সাড়ে ৩টায় সখীপুরের বেড়বাড়ি জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা শেষে স্থানীয় সামাজিক গোরস্তানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে দাফন করা হয়।
প্রবীণ আইনজীবী জোয়াহেরুল ইসলাম ছিলেন টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। টাঙ্গাইল-৮ (বাসাইল-সখীপুর) আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হন। করটিয়া সরকারি সা’দত কলেজ ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রলীগ মনোনীত প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়ে দুই মেয়াদে ছিলেন ভিপি। তৃণমূলের নেতাকর্মীদের কাছে তিনি ‘ভিপি জোয়াহের’ নামেই পরিচিত।
তার শেষ বিদায়ে পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর আব্দুল কাদের সিদ্দিকী বীর-উত্তম, কেন্দ্রীয় সদস্য ও কালিহাতী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান শামীম আল মনসুর, আজাদ সিদ্দিকী, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মী, আইনজীবী, অন্যান্য রাজনৈতিক কর্মীসহ অনেকে।

