জুলাইয়ের স্মৃতি ও সম্ভাবনা নিয়ে চার দিনের চিত্রপ্রদর্শনী শুরু

সংগৃহীত ছবি
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে জুলাইয়ের শহীদদের স্মরণে সমগীতের আয়োজনে চার দিনব্যাপী চিত্রপ্রদর্শনী ‘জুলাইয়ের স্মৃতি ও সম্ভাবনা’ শুরু হয়েছে। আজ শুক্রবার জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী চিত্রশালায় প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়।
প্রদর্শনীটির কিউরেটর শিল্পী মোস্তফা জামান। উদ্বোধন করেন অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ ও অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন শিল্পী মোস্তফা জামান, শিল্পী অমল আকাশ, সমগীতের সভাপ্রধান রেবেকা নীলা এবং সহসভাপ্রধান বীথি ঘোষ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেছেন, ‘জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনতার প্রতিরোধ। সেই প্রতিরোধ ও সম্ভাবনার নানা দিক এই প্রদর্শনীর ছবিগুলোতে চিত্রায়িত হয়েছে।’
অধ্যাপক রেহনুমা আহমেদ বলেছেন, ‘ছবিগুলোতে শেখ হাসিনার দুঃশাসনের শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির প্রতিচ্ছবি যেমন উঠে এসেছে, তেমনি সম্মিলিত প্রতিরোধও চিত্ররেখায় ভাষা পেয়েছে।’
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ ও রেহনুমা আহমেদ প্রদর্শনীটিকে ‘জনতার উদ্বোধন’ হিসেবে অভিহিত করেন।
শিল্পী অমল আকাশ প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী শিল্পীদের ধন্যবাদ জানান এবং বিশেষভাবে কিউরেটর মোস্তফা জামানের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সভাপ্রধানের বক্তব্যে রেবেকা নীলা বলেছেন, ‘২০২৪ সালের অভ্যুত্থান এখনো আমাদের স্মৃতিতে জাগ্রত। এ অঞ্চলের গণমানুষের শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে দীর্ঘ সংগ্রামের যে সামগ্রিকতা, তার বিভিন্ন দিক আজকের প্রদর্শনীতে উঠে এসেছে।’ তিনি প্রদর্শনীর শিল্পী, কিউরেটর ও দর্শকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়া শিল্পীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রোকেয়া সুলতানা, শামসেত তাবরেজী, সুমন হালদার, শাওন চিশতি, সুমনা আক্তার, নাফিউজ্জামান নাফি, আফসানা শারমিন ঝুম্পা, রাসেল রানা, কাজী সালাহউদ্দিন আহমেদ এবং রক্তিম বিশ্বাস। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অরূপ রাহী, ফেরদৌসি রীতা, নাভা মাহাজাবিন, জান্নাতুল মাওয়া, শিল্পী রডুয়া, আবুল হাসান রুবেল ও বাকী বিল্লাহ।
জাতীয় জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী চিত্রশালায় আয়োজিত এই প্রদর্শনী আগামী ২৪ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।






