গান্ধী জয়ন্তী উদযাপন ঢাকার ভারতীয় হাই কমিশনে

সংগৃহীত ছবি
রাজধানীর ভারতীয় হাই কমিশন প্রাঙ্গণে মহাত্মা গান্ধীর ১৫৭তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছে ভারতীয় হাই কমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। এ উপলক্ষে মহাত্মা গান্ধীর সত্য, অহিংসা ও স্বার্থহীন সেবার চিরন্তন বার্তা স্মরণ করা হয়। সমসাময়িক সমাজেও গান্ধীর আদর্শের প্রাসঙ্গিকতা রয়েছে বলে অনুষ্ঠানে তুলে ধরা হয়।
অনুষ্ঠানে মহাত্মা গান্ধীর সত্য, অহিংসা ও স্বার্থহীন সেবার আদর্শ স্মরণ করেন ভারতের হাই কমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী। একই সঙ্গে বর্তমান সমাজে এসব আদর্শের গুরুত্ব ও ধারাবাহিক প্রাসঙ্গিকতার কথা তুলে ধরেন।
ফেরদৌস বাপ্পির পরিচালনায় মহাত্মা গান্ধীর জীবন, চিন্তাধারা ও অবদানের ওপর ঢাকা শহরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পোস্টার তৈরি ও কুইজ প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। প্রতিযোগিতা শেষে ‘সেবা পক্ষওয়াড়া ২০২৪’-এর সমাপনী অনুষ্ঠান করা হয়।
এরপর শিশুদের অংশগ্রহণে সর্বধর্ম প্রার্থনা এবং মহাত্মা গান্ধীর আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গীতিমালিকার বাংলাদেশি শিল্পীরা মহাত্মা গান্ধীর প্রিয় গান ‘বৈষ্ণব জন তো’, ‘যদি তোর ডাক শুনে’ ও ‘রঘুপতি রাঘব’ পরিবেশন করেন। পাশাপাশি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গানও পরিবেশন করা হয়।
খ্যাতনামা বাংলাদেশি নকশাবিদ বিপ্লব সাহার নেতৃত্বে ‘বিশ্ব রঙ’-এর আয়োজনে খাদি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যান্ড ‘কৃষ্ণপক্ষ’ পরিবেশন করে লোক ও আধুনিক সংগীতের সংমিশ্রণে সংগীত।
এতে আরও ছিলেন বাংলাদেশে বসবাসরত ভারতীয় সম্প্রদায়ের সদস্য, ভারত ও বাংলাদেশের আমন্ত্রিত অতিথি, বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি, বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মের জনগোষ্ঠীর প্রতিনিধি এবং ঢাকার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা তরুণ ও শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে ফ্রেন্ডশিপ ও কুমিল্লা খাদিঘরের প্রদীপ কান্তি সাহার খাদির স্টলের পাশাপাশি নোয়াখালী ও জামালপুরের গান্ধী আশ্রমের বিভিন্ন নিদর্শন প্রদর্শন করা হয়।




