৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডারের ফল পুনরায় প্রকাশের নির্দেশ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
নতুন করে মেধার ভিত্তিতে ৪৩তম বিসিএস নন-ক্যাডার প্রার্থীদের ফলাফল প্রকাশের জন্য পাবলিক সার্ভিস কমিশনকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি শশাঙ্ক শেখর সরকার ও বিচারপতি উর্মি রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন।
এতে বলা হয়েছে, হাইকোর্টের রায় প্রকাশের ৬০ দিনের মধ্যে এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে হবে কমিশনকে। ফল প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী নিয়োগ প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করতে হবে।
৪৬৫ জন নন-ক্যাডার প্রার্থীর দায়ের করা এক রিট আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি করে এই রায় দেন হাইকোর্ট। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব। অন্যদিকে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. মনিরুজ্জামান।
ব্যারিস্টার পল্লব জানান, ২০২৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফলে ৪৩তম বিসিএস থেকে ক্যাডার সার্ভিস পদে ২১৬৩ জনকে এবং ৬৪২ জনকে বিভিন্ন নন ক্যাডার পদে সুপারিশ করা হয়। তার দাবি, নন ক্যাডার পদে মেধা তালিকা প্রকাশ না করে ৬৪২ জনকে সরাসরি সুপারিশ করা ‘নন ক্যাডার পদে নিয়োগ (বিশেষ) বিধিমালা ২০১০’ ও সংশোধিত ‘বিধিমালা ২০১৪’ এর পরিপন্থি।
বিষয়টি নিয়ে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের করেন ৪৬৫ জন প্রার্থী— যারা ওই বিসিএসে ক্যাডার পদে সুপারিশপ্রাপ্ত হননি, কিন্তু পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রাথমিক শুনানির পর ২০২৪ সালে এ বিষয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন হাইকোর্ট।
ব্যারিস্টার পল্লব বলেছেন, নন ক্যাডার প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল প্রকাশ না করা এবং ফলাফল প্রকাশের আগেই নন ক্যাডার প্রার্থীদের পছন্দক্রম আহ্বান করে সরাসরি সুপারিশ সংশ্লিষ্ট নিয়োগ বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এটি অনাকাঙ্ক্ষিত এবং দুঃখজনক।
তার ভাষ্য, বিধি অনুযায়ী পিএসসি বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে আসা নন ক্যাডার পদগুলোকে সংরক্ষণ করবে এবং পরবর্তী বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট বিসিএসের নন ক্যাডার প্রার্থীদের ধাপে ধাপে সুপারিশ করবে। কিন্তু পিএসসি নন ক্যাডারদের মেধা তালিকা প্রকাশ না করেই ৬৪২ জনকে বিভিন্ন পদে নিয়োগের সুপারিশ করেছে, যা আইনের দৃষ্টিতে অন্যায়।





