আগামীর সময়

ইইউ পর্যবেক্ষক দল ভোটের দিন ৬৪ জেলায় পর্যবেক্ষণ করবে

ইইউ পর্যবেক্ষক দল ভোটের দিন ৬৪ জেলায় পর্যবেক্ষণ করবে

সংগৃহীত ছবি

সারা দেশের ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় নির্বাচনের দিন চলমান কার্যক্রম ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন পর্যবেক্ষণ করবেন বলে জানিয়েছেন মিশনের প্রধান ইভার্স ইজাবস। আজ মঙ্গলবার ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান।

ইভার্স ইজাবস বলেন, ‘বাংলাদেশে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন ৯০ জন স্বল্পমেয়াদী পর্যবেক্ষক মোতায়েন করেছে, যারা সকল ৬৪টি প্রশাসনিক জেলায় নির্বাচনের দিন চলমান কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবেন। এই স্বল্পমেয়াদী পর্যবেক্ষকরা ভোটকেন্দ্র খোলা, ভোটগ্রহণ, ভোটকেন্দ্র বন্ধ, ব্যালট গণনা এবং ফলাফল তালিকাভুক্ত করার প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন।’

নিরাপত্তা পরিস্থিতি ও ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জাবাবে ইভার্স ইইয়াবস বলেন, তারা সেনাবাহিনী, পুলিশসহ নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর সঙ্গে কথা বলেছেন।
“দেশে বেশি ঝুকিপূর্ণ এবং কম ঝুঁকিপূর্ণ জেলা রয়েছে। তবে, এখন পর্যন্ত আমাদের সার্বিক ধারণা হল, পরিস্থিতি রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।”

ভোটের পরিস্থিতি নিয়ে আরেক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমি বলব, ভোটের পরিবেশ খুবই ইতিবাচক। যেমনটা আপনি বলেছেন, আমরা সব জেলা ও অঞ্চলে প্রার্থী ও কর্তৃপক্ষ উভয়ের সঙ্গে আলোচনা করেছি।

“এবং সাধারণ পরিস্থিতি খুবই আশাব্যঞ্জক এই অর্থে যে, আমরা প্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলেছি, প্রতিটি জেলা ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি, তাদের বেশিরভাগই একটি বিষয়ে জোর দিয়েছেন, এটা যেন বাংলাদেশে ইতিহাস এবং বাংলাদেশের গণতন্ত্রে নতুন অধ্যায় হয়। এবং সে কারণে আমি বলব যে, বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হলেও সাধারণ পরিস্থিতি এবং প্রত্যাশা খুবই আশাব্যঞ্জক।”

সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্বেগের বিষয়ে কী জানা গেছে প্রশ্নে ইভার্স ইইয়াবস বলেন, “কেবল নির্বাচনি প্রচারের সময়েই নয়, তার আগে থেকেই বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে আমরা এটা নিয়ে কথা বলেছি।

“নির্বাচন প্রক্রিয়ার এই অংশগ্রহণমূলক বিষয়টির উপর আমরা অবশ্য জোর দিয়েছি। নারীদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি সব সম্প্রদায়, সব সংখ্যালঘুর এই প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভূক্তি করাটা খুবই কাঙ্খিত। এ বিষয়েও আমরা নজর রাখব।”

“পূর্ণ সক্ষমতায়, এই মিশনে ২০০ জনেরও বেশি পর্যবেক্ষক থাকবেন, যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য রাষ্ট্রের পাশাপাশি কানাডা, নরওয়ে ও সুইজারল্যান্ড থেকে আগত।”

নির্বাচনের পর ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে একটি বিবৃতির মাধ্যমে প্রাথমিক প্রতিবেদন উপস্থাপন করবে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন।


সম্পূর্ণ নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর ভবিষ্যৎ নির্বাচনী প্রক্রিয়ার জন্য সুপারিশসহ একটি চূড়ান্ত প্রতিবেদন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হবে। উভয় প্রতিবেদনই সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে এবং মিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়।

    শেয়ার করুন: