ঈদের দ্বিতীয় দিনে জমজমাট বিনোদন কেন্দ্রগুলো

সংগৃহীত ছবি
পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপনের রেশ এখনো কাটেনি। ঈদের দ্বিতীয় দিন আজ রবিবারও রাজধানীর বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলোয় ছিল উৎসবপ্রেমীদের উপচে পড়া ভিড়। ঈদের আনন্দ একটু রাঙিয়ে নিতে বিনোদনকেন্দ্রগুলোয় ছুটে গেছে রাজধানীবাসী।
এদিন মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানায় সবচেয়ে বেশি দর্শনার্থীর সমাগম লক্ষ্য করা গেছে। এছাড়া রাজধানীর অন্য বিনোদন কেন্দ্রেও উৎসবের উচ্ছ্বাস ছিল। চিড়িয়াখানায় শিশুরা হরিণ, বানর, বক পাখি ও কুমির দেখে আনন্দে মেতে উঠেছে। দীর্ঘ কর্মব্যস্ততার পর এমন উন্মুক্ত পরিবেশ নগরবাসীর মনে প্রশান্তি এনেছে বলেই জানাচ্ছেন তারা।
ঈদের ছুটিতে রাজধানীর লালবাগ কেল্লা, রমনা পার্ক, ধানমন্ডি লেক,সংসদ ভবন, জিয়া উদ্যান, আহসান মঞ্জিল, হাতিরঝিল, মিরপুরের চিড়িয়াখানা, বোটানিক্যাল গার্ডেন, রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ বিভিন্ন বিনোদনকেন্দ্রে ভিড় করেছেন অনেকেই।
মিরপুরের জাতীয় চিড়িয়াখানা বরাবরই আকর্ষণীয় স্থান। সন্তানদের বাঘ, সিংহ, জেব্রা, জিরাফ, হরিণ, ময়ূর, বানর, সাপ, নানারকম পাখি ও জলহস্তীসহ বিভিন্ন প্রজাতির জীবজন্তুর সাথে পরিচয় করিয়ে দিতে যায় বাবা -মা’দের।
‘প্রথম দিনের ঈদের দ্বিতীয় দিনে দর্শনার্থী অনেক বেশি। আজ দর্শনার্থীর সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে’, বলছিলেন চিড়িয়াখানার পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার।
রাজধানীর রামপুরা থেকে দুই সন্তানকে নিয়ে চিড়িয়াখানায় ঘুরতে এসেছেন রাজিব ও মাহমুদা দম্পতি। তারা জানাচ্ছিলেন, ‘সাধারণত সন্তানদের নিয়ে বের হওয়ার সুযোগ হয় না। এবার ওদের নিয়ে চিড়িয়াখানায় এলাম। সন্তানদের সাথে আমরাও উপভোগ করেছি।’
লালবাগ কেল্লায় ছিল নানা বয়সী মানুষ। দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে প্রবেশ টিকিট সংগ্রহ করছেন অনেকেই। ভেতরে ঢুকে কেউ কেল্লার ছায়ায় বসে আড্ডা দিয়েছেন, কেউ কেউ গ্রুপ ছবি তুলেছেন। মাঠজুড়ে শিশুদের ছোটাছুটি ভিডিও করতে দেখা যায় অনেককে।
অপরদিকে ধানমন্ডি লেকে নৌকা ভ্রমণ করেন অনেকেই। রমনা পার্কও মুখর ছিল মানুষের পদচারণায়। বিরল প্রজাতির গাছ-গাছালির সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি বোটে চড়ে লেকে ভেসে বেড়িয়েছেন অনেকে। ভিড় ছিল হাতিরঝিলের ওয়াকওয়ে ও লেকপাড়ে। অন্যদিকে মেট্রোরেল ভ্রমণেও ছিল উৎসবের আমেজ। উত্তরা উত্তর, আগারগাঁও ও মতিঝিল স্টেশনে দিনভর যাত্রীদের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে।




