Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় রাজধানী

৫৫ বছর পূর্তিতে আলোচনা সভা

গোলাহাট গণহত্যার স্বীকৃতি দাবি

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ২৩:৪৬
গোলাহাট গণহত্যার স্বীকৃতি দাবি

ছবি: আগামীর সময়

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে নীলফামারীর সৈয়দপুরের গোলাহাটে সংঘটিত নৃশংস গণহত্যার ৫৫ বছর পূর্তিতে করা হয়েছে বিশেষ আলোচনা সভা।

আজ শনিবার (১৩ জুন) বিকেল ৪টায় রাজধানীর নিমতলীতে এশিয়াটিক সোসাইটি মিলনায়তনে এই বিশেষ সভা করা হয়। ‘জেনোসাইড জাস্টিস অ্যান্ড রিসার্চ ফোরাম’ এবং ‘বাংলা ভুবন ঐকতান’-এর যৌথ উদ্যোগে চলে অনুষ্ঠানটি। শুরুতেই এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় শহীদদের স্মরণে। তারপর শুরু হয় মূল আলোচনা।

অনুষ্ঠানে ১৯৭১ সালের সেই ভয়াবহ দিনটির স্মৃতিচারণ করেন আমন্ত্রিত অতিথিরা। এছাড়াও আন্তর্জাতিক গণহত্যার স্বীকৃতির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে করা হয় আলোচনা।

এতে আদিত্যপুর গণহত্যা, কালিগঞ্জ গণহত্যা এবং ছাতনী গণহত্যার কথাও উল্লেখ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক জেবুন্নেছা।

কথা হচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ ও গণহত্যা নিয়ে। ছবি: আগামীর সময়

সভায় আরও ছিলেন সৈয়দপুরের শহীদ পরিবারের সদস্য সাইদুর রহমান। তিনি বলেছেন, ‘যে দেশটার মুক্তিযুদ্ধ না হলে জন্ম হতো না। সেই দেশের জন্ম নিয়ে আমরা তেমন ঘটা করে কোনো আয়োজন করি না। অথচ আমার দেশ মুক্তিযোদ্ধা তৈরির হ্যাচারি। কিন্তু আমরা শহীদ বুদ্ধিজীবী লিখছি, যেখানে অন্যান্য শহীদদের ক্ষেত্রে তৈরি করা হয়েছে জাত। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকেও করা হয়েছিল খণ্ড-বিখণ্ড। শঙ্কা হয়, জানি না এ দেশ আদৌ মুক্তিযুদ্ধের দেশ হবে কিনা।’

অনুষ্ঠানের সভা প্রধান ফউজুল আজিম বলেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের সময় আমাদের দেশের যেসব স্থানে বিহারী অধ্যুষিত ছিলো সেই সব স্থানেই গণহত্যা হয়েছে বেশি। কিন্তু আমাদের দেশ এখনো এই বিষয়ে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নেয়নি।’ তিনি আরো যোগ করেছেন, ‘মুক্তিযুদ্ধে আমরা বাঙালিরা কখনোই আগে আক্রমণ করিনি। বিহারী এবং পাকিস্তানিই সর্বপ্রথম আমাদের আক্রমণ করেছে এবং পরে আমরা সেই আক্রমণ প্রতিহত করেছি।’

এছাড়াও অনুষ্ঠানে ছিলেন সাংবাদিক ও গবেষকরা। তাদের ভাষ্য, নতুন প্রজন্মের কাছে সঠিক ইতিহাস পৌঁছে দিতে গোলাহাটের মতো নির্মম গণহত্যার ঘটনাগুলোকে আরও বেশি নথিবদ্ধ ও প্রচার করা প্রয়োজন। তরুণ প্রজন্মকে এই ইতিহাসের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার মাধ্যমেই কেবল সত্য সংরক্ষণ সম্ভব।

রাজধানীমুক্তিযুদ্ধগণহত্যা
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise