Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানুষের উপকারে ছুটে চলেন আলাউদ্দিন
শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজধানী

ছুটির দিনে ঘুরে আসুন বলধা গার্ডেন

তৈবুর তানভীর
তৈবুর তানভীর
agamir somoy
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৯
ছুটির দিনে ঘুরে আসুন বলধা গার্ডেন

বলধা গার্ডেনের একাংশ। ছবি: আগামীর সময়

ঢাকার ব্যস্ততম এলাকাগুলোর একটি পুরান ঢাকা। চারপাশে ব্যস্ত সড়ক, যানবাহনের শব্দ, উঁচু ভবন আর মানুষের ভিড়। এর মধ্যেই ওয়ারীর বলধা গার্ডেন যেন এক টুকরো আলাদা জগৎ। বাইরে যতই কোলাহল থাকুক, গেট পেরিয়ে কয়েক কদম এগোলেই বদলে যায় চারপাশের দৃশ্য। পুরনো গাছ, নানা প্রজাতির উদ্ভিদ, পুকুরের স্বচ্ছ পানি আর পাখির ডাক মিলিয়ে সেখানে তৈরি হয় শান্ত এক পরিবেশ।

ছুটির দিনে ঢাকার বাইরে না গিয়ে শহরের ভেতরেই প্রকৃতির কাছাকাছি কিছু সময় কাটাতে চাইলে ঘুরে আসতে পারেন ঐতিহ্যবাহী এ উদ্ভিদ উদ্যানে।

পুরান ঢাকার ওয়ারীতে অবস্থিত বলধা গার্ডেন ১৯০৯ সালে প্রতিষ্ঠা করেন বলধা এস্টেটসের তৎকালীন জমিদার ও প্রকৃতিপ্রেমী নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী। তিনি বৃক্ষপ্রেমী, সাহিত্যিক ও প্রকৃতিবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে নানা প্রজাতির ফুলগাছ ও উদ্ভিদ সংগ্রহ করে নিজের বাগানে রোপণ করেছিলেন তিনি।

উনিশ শতকের শেষের দিকে এ এলাকা ছিল বলধার জমিদারের বাগানবাড়ি। একসময় এটি ঢাকার উচ্চবিত্তদের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিত হয়ে ওঠে। নিয়মিত সেখানে বসত গান-বাজনার আসর।

নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী ১৯৪৩ সালে মারা যাওয়ার পর একপর্যায়ে বাগানের দেখাশোনা কলকাতা হাইকোর্টের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি ট্রাস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। দুর্বল ব্যবস্থাপনায় সময়ের সঙ্গে বাগানের অবস্থা খারাপ হতে থাকে। পরে ১৯৬২ সালে বলধা গার্ডেনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়া হয় বন বিভাগকে।

বর্তমানে বলধা গার্ডেন জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান, মিরপুরের একটি স্যাটেলাইট ইউনিট হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

সাড়ে তিন একরেই হাজারো উদ্ভিদ

বাগানের হিসেবে, প্রায় ৩ দশমিক ৩৮ একর জায়গা জুড়ে গড়ে ওঠা এ বাগানে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১৮ হাজার উদ্ভিদ সংরক্ষিত আছে। বাগানের দুটি অংশ সাইকী ও সিবিলীতে প্রজাতির সংখ্যা প্রায় ৮০০।

উদাল, মেন্দা, কনকচাঁপা, পিংক রঙ্গন, ধুপ, রসুন্দী, উইপিং দেবদারু, পাতাবাহার, কোকোলোবা, নীল মনিলতা, কদম, জামরুলসহ নানা ধরনের উদ্ভিদ রয়েছে এখানে। এর পাশাপাশি রয়েছে আমহার্সটিয়া, কর্পর ক্যান্ডল, সোনালি বাঁশ, লতা জবা, স্বর্ণ অশোক, পনি টেইল গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির উদ্ভিদ।

বাগানটি শুধু দর্শনার্থীদের প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের জায়গা নয়। শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্যও এর উদ্ভিদ বৈচিত্র গুরুত্বপূর্ণ।

আত্মা ও প্রকৃতির দেবীর নামে দুই বাগান

বলধা গার্ডেন মূলত সাইকী ও সিবিলী নামে দুটি অংশে বিভক্ত। নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরী এ দুটি অংশের নামকরণ করেছিলেন প্রাচীন গ্রিক পুরাণের দুটি শব্দ থেকে। ‘সাইকী’ অর্থ আত্মা এবং ‘সিবিলী’ অর্থ প্রকৃতির দেবী।

বর্তমানে সাধারণ দর্শনার্থীরা সিবিলী অংশে প্রবেশ করতে পারেন। সাইকী অংশে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত।

বাগানের মালী হাফিজুল ইসলাম জানালেন, সিবিলী অংশেই রয়েছে বাগানের বেশিরভাগ পরিচিত আকর্ষণ। অন্যদিকে সাইকী অংশে রয়েছে নানা প্রজাতির শাপলা, বিরল ক্যাকটাস, অর্কিড, এনথুরিয়াম, ভুজ্জপত্র গাছ, বিচিত্র বকুল, আমাজন লিলি, কৃত্রিম সুরঙ্গসহ একটি ছায়াতরু ঘর।


রবীন্দ্রনাথের ‘ক্যামেলিয়া’র স্মৃতি

বলধা গার্ডেনের অন্যতম আকর্ষণ জয় হাউজ। ১৯২৬ সালে ঢাকায় এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এখানে এসেছিলেন। কবি জয় হাউজে থাকার সময় এখানকার ‘ক্যামেলিয়া’ কবির মন কাড়ে। এই জয় হাউজে বসেই এখানকার ক্যামেলিয়া ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বিখ্যাত ‘ক্যামেলিয়া’ কবিতাটি লিখেছিলেন বলে বাগানের সরকারি পরিচিতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

জয় হাউজের পাশেই রয়েছে ক্যামেলিয়া। স্বর্ণ অশোক, আফ্রিকান টিউলিপসহ নানা উদ্ভিদের পাশাপাশি এই অংশের অন্যতম আকর্ষণ শঙ্খনাদ পুকুর। রয়েছে ফার্ন হাউজও। রবীন্দ্রস্মৃতির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা এ স্থানটি তাই শুধু উদ্ভিদ দেখার জায়গা নয়, সাহিত্যপ্রেমীদের কাছেও আলাদা গুরুত্ব বহন করে।

পুরনো সূর্যঘড়িও আছে

বলধা গার্ডেনের গেট দিয়ে ঢুকে কিছুটা এগোলেই দেখা যায় পুরনো একটি সূর্যঘড়ি। সিবিলী অংশে শঙ্খনাদ পুকুরের পাশে থাকা এ ঘড়িটি বাগানের অন্যতম পুরনো নিদর্শন।

সূর্যের আলো ও ছায়া ব্যবহার করে সময় নির্ণয়ের এ পদ্ধতি যান্ত্রিক ঘড়ির প্রচলনের আগের সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়। কংক্রিটের তৈরি অর্ধবৃত্তাকার ডায়াল প্লেটে ঘণ্টা অনুযায়ী দাগ ও সংখ্যা রয়েছে। এর ওপর কোণাকুণিভাবে বসানো গনোমনের ছায়া সূর্যের গতির সঙ্গে অবস্থান পরিবর্তন করে। সেই ছায়া দেখে সময়ের হিসাব করা হতো।

তবে সূর্যের আলোর ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় মেঘলা আবহাওয়া কিংবা রাতে এ ঘড়ি কাজ করে না।

শঙ্খনাদ পুকুরে মাছ-কচ্ছপের আকর্ষণ

বাগানের ভেতরের শঙ্খনাদ পুকুরও দর্শনার্থীদের কাছে বেশ আকর্ষণীয়। পুকুরের ঘাটের সিড়ি যেখান থেকে শুরু হয়েছে সেখানেই রয়েছে বসার জন্য টাইলস করা বেঞ্চ। পুকুরে রয়েছে নানা আকার ও প্রজাতির মাছ। পুকুরের ঘাটে যেতেই দুই ধারে টবে রাখা ছোট ছোট গাছ। ঘাটে বসে দর্শনার্থীদের কেউ কেউ মাছের কাছে হাত বাড়িয়ে দেন। অনেকে আবার বাগানের কাউন্টার থেকে খাবার কিনে পানিতে ছড়িয়ে দেন। খাবার পেয়ে মাছগুলো পানির ওপর উঠে লাফালাফি করতে থাকে।

পুকুরের কচ্ছপও দর্শনার্থীদের আগ্রহের জায়গা। কেউ অপেক্ষা করেন কখন কচ্ছপ পানির ওপর ভেসে উঠবে, আবার কেউ পাড়ের কাছে এসে কচ্ছপগুলোকে দেখার চেষ্টা করেন।

গাছের ছায়ায় বসে কাটে সময়

বলধা গার্ডেনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য এর ছায়াঘেরা পরিবেশ। কয়েক কদম পরপরই দর্শনার্থীদের বসার জন্য বেঞ্চ রয়েছে। গাছের ছায়ায় বসে অনেকেই কিছু সময় বিশ্রাম নেন, কেউ উপভোগ করেন চারপাশের নীরবতা।

সম্প্রতি বৃষ্টির সময় বসার সুবিধার জন্য ছাউনিযুক্ত দুটি বসার জায়গাও করা হয়েছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে সরেজমিন বাগানে গিয়ে দেখা যায়, বাইরে প্রচণ্ড রোদ থাকলেও ভেতরের পরিবেশ তুলনামূলক অন্ধকার ও শীতল। চারপাশের গাছের পাতা ও লতায় সূর্যের আলো অনেকটাই আটকে যায়। বাইরে ব্যস্ত সড়কের যানবাহনের শব্দ থাকলেও ভেতরে তা অনেকটাই মৃদু। কোথাও পাখির ডাক, কোথাও পাতার নড়াচড়া— সব মিলিয়ে তৈরি হয়েছে নিরিবিলি পরিবেশ।

এ সময় কয়েকজন দর্শনার্থীকে গাছপালা দেখতে দেখা যায়। কেউ কাছে গিয়ে গাছের সঙ্গে লাগানো ফলক পড়ে দেখছে। চেনার চেষ্টা করছে কি গাছ। কেউ পুকুরের পাশে বসে ছিলেন, কেউ আবার গাছের ছায়ায় নিজেদের মতো সময় কাটাচ্ছিলেন।

বাগানে বেড়াতে আসা কলেজ শিক্ষার্থী ছায়মা আক্তার বললেন, বাগানের জায়গাটা বেশি বড় না, কিন্তু গাছপালায় ভরা। ছোট বেলা থেকে শহরে থাকি বিধায় অনেক গাছেরই নাম জানি না, শুধু বইয়ে পড়েছি। এখানে আসলে অনেক গাছ দেখতে পারি, নীরব সময়ও কাটাতে পারি।

বাগানের ভেতরেই নরেন্দ্র নারায়ণের সমাধি

বলধা গার্ডেনের ইতিহাসের সঙ্গে যার নাম সবচেয়ে বেশি জড়িয়ে, সেই নরেন্দ্র নারায়ণ রায় চৌধুরীর সমাধিও রয়েছে এ বাগানে।

সমাধির স্মৃতিফলকে সংস্কৃত ভাষায় লেখা রয়েছে, ‘সত্যাৎ নাস্তি পরো ধর্ম্ম, জ্ঞানাৎ মুক্তি’। এর নিচে ইংরেজিতে লেখা—‘LORD GRANT ME INFINITE LOVE AND LIGHT AND END MY ENDLESS JOURNEY’। যার অর্থ, ‘হে প্রভু, আমাকে অসীম প্রেম ও আলো দান করুন এবং আমার অন্তহীন যাত্রার সমাপ্তি ঘটান।’
বাগানে ঘুরতে এসে এ সমাধিস্থল দর্শনার্থীদের সামনে এর প্রতিষ্ঠাতার স্মৃতিও তুলে ধরে।

ঘোষণা পেয়েছে ‘কুঞ্জবন’ হিসেবে

বলধা গার্ডেন শুধু ঐতিহাসিক উদ্যান নয়, জীববৈচিত্র সংরক্ষণের ক্ষেত্র হিসেবেও নতুন স্বীকৃতি পেয়েছে। পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের ২০২৫ সালের ১০ আগস্টের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর ২৩(১) ধারায় বলধা গার্ডেনকে ‘কুঞ্জবন’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

‘কুঞ্জবন’ হলো কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষরাজি ও লতাগুল্মের সমাহার। যা জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর কাছে সাংস্কৃতিক, সামাজিক ও প্রথাগত মূল্যবোধ রয়েছে।
এর উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে বৃক্ষ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, সাংস্কৃতিক-সামাজিক ও প্রথাগত মূল্যবোধ রক্ষা এবং শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি।

ফলে বাগানটি এখন আইনগতভাবেও সুরক্ষিত।

ছুটির দিনে যেতে চাইলে

সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য বলধা গার্ডেনের সিবিলী অংশ খোলা থাকে। বাগান কতৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দর্শনার্থীরা প্রতিদিন সকাল ৯ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত বাগানটি পরিদর্শন করতে পারেন। সিবিলী অংশে টিকিট সংগ্রহ করে প্রবেশ করতে হয়। সেখানকার টিকেটের মূল্য ৩০ টাকা।

মালী হাফিজুল ইসলাম জানান, ‘এমনিতেও সব বয়সের মানুষই ঘুরতে আসেন বাগানে। কেউ হাটতে, কেউ বসে সময় কাটাতে, কেউ বা প্রকৃতির মধ্যে সময় কাটাতে। তবে ছুটির দিনগুলোয় দর্শনার্থী অন্য দিনের তুলনায় বেশি থাকে।’

বাগানের ভেতরে ফুল ছেঁড়া, গাছপালার ক্ষতি করা কিংবা উদ্ভিদের কোনো ধরনের ক্ষতি করা নিষেধ।
ব্যস্ত ঢাকার মাঝখানে খুব বেশি সময় বা দূরে কোথাও যাওয়ার সুযোগ না থাকলেও কয়েক ঘণ্টা প্রকৃতির মধ্যে কাটাতে চাইলে বলধা গার্ডেন হতে পারে ছুটির দিনের একটি ভিন্ন অভিজ্ঞতা। পুরনো বৃক্ষ, বিরল উদ্ভিদ, পুকুরের মাছ-কচ্ছপ, সূর্যঘড়ি, রবীন্দ্রস্মৃতি আর নীরব পরিবেশ— সব মিলিয়ে শহরের ভেতরেই এটি যেন অন্য এক ঢাকা।

    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    বলিউডে জনপ্রিয়, তবু ভারতীয় নাগরিক নন যেসব তারকা

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    তারেক রহমানের নির্দেশে যুক্তরাষ্ট্রে ড. ইউনূসের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    সাংবাদিকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও চাঁদা দাবির অভিযোগ, সাইবার ট্রাইব্যুনালে মামলা

    আইন নিজের হাতে তুলে নিলেন বিদেশি নাগরিক!

    আইন নিজের হাতে তুলে নিলেন বিদেশি নাগরিক!

    যে রাতে নাটক দেখার আনন্দ পরিণত হয়েছিল বিষাদে

    যে রাতে নাটক দেখার আনন্দ পরিণত হয়েছিল বিষাদে

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    অনৈতিক কর্মকাণ্ড : সৌদি আরবে ২ বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি

    এআই ভিডিও প্রসঙ্গে যা বললেন মেহজাবীন

    এআই ভিডিও প্রসঙ্গে যা বললেন মেহজাবীন

    মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ

    মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ

    ১২ মাসে মবের হাতে নিভেছে ২৪৯ প্রাণ

    ১২ মাসে মবের হাতে নিভেছে ২৪৯ প্রাণ

    মৃত স্ত্রীর জন্মদিনে জাহের আলভীর পোস্ট, ‘পারলে মাফ করে দিও’

    মৃত স্ত্রীর জন্মদিনে জাহের আলভীর পোস্ট, ‘পারলে মাফ করে দিও’

    হাসপাতাল থেকে আবার সার্কিট হাউজে ফিরলেন চুয়েট উপাচার্য

    হাসপাতাল থেকে আবার সার্কিট হাউজে ফিরলেন চুয়েট উপাচার্য

    ফিডিং কর্মসূচির রুটিতে ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ শিক্ষার্থীর

    ফিডিং কর্মসূচির রুটিতে ব্লেড পাওয়ার অভিযোগ শিক্ষার্থীর

    রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা’ মুসলমানদের বিরুদ্ধে, দাবি হেফাজত নেতার

    রবীন্দ্রনাথের ‘আমার সোনার বাংলা’ মুসলমানদের বিরুদ্ধে, দাবি হেফাজত নেতার

    ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ১১০ মেগাওয়াটে নিতে চায় মেঘনা গ্রুপ

    ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ সক্ষমতা ১১০ মেগাওয়াটে নিতে চায় মেঘনা গ্রুপ