আগামীর সময়

বইমেলায় ‘অব্যবস্থাপনা’, বাংলা একাডেমিতে প্রকাশকদের চিঠি

বইমেলায় ‘অব্যবস্থাপনা’, বাংলা একাডেমিতে প্রকাশকদের চিঠি

ফাইল ছবি

অমর একুশে বইমেলার ‘অব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিবেশের অবনতি’ নিরসনে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে বাংলা একাডেমি মহাপরিচালকের কাছে চিঠি দিয়েছে ‘প্রকাশক ঐক্য’। প্রকাশক ঐক্যর পক্ষে মঙ্গলবার ১৫জন প্রকাশক এই চিঠি দিয়েছে।

এই চিঠির বিষয়ে জানতে চাইলে বইমেলা পরিচালনা কমিটির সদস্য-সচিব সেলিম রেজা বুধবার জানালেন, ‘চিঠি পেয়েছি। এটি নিয়ে মেলা কমিটির সভায় আলোচনা করা হবে এবং মেলার নীতিমালা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

‘প্রকাশক ঐক্য’ চিঠিতে বলা হয়েছে, মেলার সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে। স্টল বরাদ্দে শর্তভঙ্গ ও বৈষম্য করা হয়েছে।

বাংলা একাডেমির সঙ্গে ‘প্রকাশক ঐক্য’র সমঝোতা অনুসারে এবারের মেলায় সমস্ত প্যাভিলিয়ন বাতিল করে সর্বোচ্চ ৫ ইউনিটের স্টল বরাদ্দ দেওয়ার কথা ছিল বলে চিঠিতে বলা হয়। কিন্তু কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে ৬ ইউনিটের স্টল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে বলে অভিযোগ করে প্রকাশক ঐক্য। এ বিষয়ে বাংলা একাডেমির পক্ষ থেকে সুস্পষ্ট ও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দাবি করেছে তারা।

এছাড়া ‘অবকাঠামোগত ত্রুটি, ধুলা ও মশার উপদ্রব’, হকারদের অবাধ বিচরণসহ কিছু অভিযোগও করেছে প্রকাশকদের এই সংগঠন।

প্রকাশক ঐক্য-এর পক্ষে এই চিঠি দিয়েছে- মেছবাহউদ্দীন আহমদ (প্রকাশক, আহমদ পাবলিশিং হাউজ), এ কে নাসির আহমেদ (প্রকাশক, কাকলী), মনিরুল হক (প্রকাশক, অনন্যা), মাজহারুল ইসলাম (প্রকাশক, অন্যপ্রকাশ), সৈয়দ জাকির হোসাইন (প্রকাশক, অ্যাডর্ন পাবলিকেশন), জসীম উদ্দিন (প্রকাশক, কথাপ্রকাশ), মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন (প্রকাশক, বাতিঘর প্রকাশনী; বেস্টসেলার থ্রিলার লেখক), মো. মোবারক হোসেন (পাণ্ডুলিপি সমন্বয়ক, প্রথমা প্রকাশন), মো. গফুর হোসেন (প্রকাশক, রিদম প্রকাশনা সংস্থা), ইকবাল হোসেন সানু (প্রকাশক, লাবনী), দীপঙ্কর দাশ (প্রকাশক, বাতিঘর), কামরুল হাসান শায়ক (প্রকাশক, পাঞ্জেরি পাবলিকেশন্স), মো. জহির দীপ্তি (প্রকাশক, ইতি প্রকাশন; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬), মাহ্রুখ মহিউদ্দীন (প্রকাশক, ইউপিএল; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬), মাহাবুব রাহমান (প্রকাশক, আদর্শ; সদস্য, অমর একুশে বইমেলা কমিটি ২০২৬)।

    শেয়ার করুন: