Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় রাজধানী

দেশে বছরে উৎপাদন ৩০ লাখ টন ই-বর্জ্য, পুনর্ব্যবহার ১০ শতাংশের কম

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ১৮:১৭
দেশে বছরে উৎপাদন ৩০ লাখ টন ই-বর্জ্য, পুনর্ব্যবহার ১০ শতাংশের কম

সংগৃহীত ছবি

দেশে ডিজিটাল অর্থনীতির প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে ইলেকট্রনিক বর্জ্য বা ই-বর্জ্য। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় ৩০ লাখ টন ই-বর্জ্য উৎপন্ন হলেও এর ১০ শতাংশের কম আনুষ্ঠানিকভাবে পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব হচ্ছে। এই বিপুল পরিমাণ বর্জ্য পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করলেও তা থেকে প্রতি বছর প্রায় ২০০ থেকে ২২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের সম্পদ পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

আজ সোমবার রাজধানীর ওয়াইডব্লিউসিএ মিলনায়তনে ‘বাংলাদেশে ইলেকট্রনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: বাস্তবতা ও করণীয়’ শীর্ষক এক নীতি-পরামর্শ সংলাপে বক্তারা এসব তথ্য জানান। অধিকারভিত্তিক উন্নয়ন সংগঠন ‘ভয়েস’ ও ‘অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোগ্রেসিভ কমিউনিকেশনস (এপিসি)’ যৌথভাবে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে ‘ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০২১’-এর কার্যকারিতার ওপর ভয়েসের একটি মূল্যায়ন প্রতিবেদন তুলে ধরেন সংগঠনের উপপরিচালক মুশাররাত মাহেরা। প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশে নিবন্ধিত প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো থাকা সত্ত্বেও তদারকির অভাবে গত অর্থবছরে ব্যবহারের অযোগ্য পণ্য সংগ্রহ বা কার্যকর পুনর্ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি, যা ২০২১ সালের বিধিমালার বাস্তবায়নে গুরুতর ঘাটতি ফুটিয়ে তোলে।

সংলাপে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) অধ্যাপক ড. রওশন মমতাজ বলেছেন, ‘সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও কৌশলগত ও দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করা প্রয়োজন। পাশাপাশি, পরিবেশ অধিদপ্তরের অধীনস্থ কমিটিগুলোতে সদস্যদের সক্ষমতা অনুযায়ী দায়িত্ব বণ্টন এবং তা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা হলে আরও সুফল পাওয়া সম্ভব।’

উৎপাদিত ই-বর্জ্যের সঠিক পরিমাণ নিরূপণে প্রযুক্তিগত তদারকির ওপর জোর দিয়ে চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন খান উল্লেখ করেন, ‘ইলেকট্রনিক পণ্যগুলোকে একটি শক্তিশালী মনিটরিং ও ট্র্যাকিং ব্যবস্থার আওতায় আনতে হবে। ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সার্কুলার ইকোনমি বা চক্রাকার অর্থনীতি গড়ে তুলতে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা জরুরি।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মেডিকেল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পরামর্শক তড়িৎ কান্তি বিশ্বাস মাঠপর্যায়ের প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের ওপর জোর দিয়ে জানান, গবেষণায় শুধু সেকেন্ডারি তথ্যের ওপর নির্ভর না করে সুশৃঙ্খলভাবে প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহ করা দরকার। সব অংশীজনকে এক ছাতার নিচে এনে একটি সমন্বিত কৌশল প্রণয়ন করতে হবে, যেন ফেলে দেওয়া বর্জ্যকে মূল্যবান সম্পদে রূপান্তর করা যায়।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ তার সমাপনী বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সরকারি পরিপত্রের মাধ্যমে ই-বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি স্পষ্ট আইনি ও প্রশাসনিক কাঠামো দ্রুত প্রতিষ্ঠা করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানে নাগরিক উদ্যোগ, আরণ্যক ফাউন্ডেশন, ওয়ার্ক ফর বেটার বাংলাদেশসহ বিভিন্ন রিসাইক্লিং কোম্পানি ও গণমাধ্যমের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। এতে বক্তারা ২০২১ সালের ই-বর্জ্য বিধিমালার কার্যকর বাস্তবায়ন, নিয়মিত মনিটরিং এবং সরকারি-বেসরকারি খাতের যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে একটি টেকসই বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার ওপর তাগিদ দেন।

ই-বর্জ্যডিজিটাল অর্থনীতি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: