Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসুস্থদের ঠিকানা তাজুলের বৃদ্ধাশ্রম
রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

অস্ত্র হাতে ইশরাকের ‘অভিযান’, আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২২:৫৮
অস্ত্র হাতে ইশরাকের ‘অভিযান’, আইনি ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন

শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় পিস্তল হাতে কয়েকজনকে ধাওয়া করেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় রেললাইনসংলগ্ন একটি বস্তিতে মাদক কারবারে জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। গতকাল শনিবার নিজের ফেসবুক পেজে প্রকাশিত ভিডিওতে তাকে পিস্তল হাতে কয়েকজনকে ধাওয়া করতে দেখা গেছে। ভিডিওতে অস্ত্রটি তাক করার দৃশ্যও রয়েছে। পরে আটক ব্যক্তিদের পুলিশ নিয়ে যায়। গেন্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, প্রতিমন্ত্রী ফোন করার পর পুলিশ সদস্যরা গিয়ে আটক ব্যক্তিদের থানায় নিয়ে আসেন। আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে সাদা পাউডারজাতীয় পদার্থ পাওয়ার কথা জানিয়েছে পুলিশ। তবে সেটি মাদক কি না, তা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার কথা বলছেন তারা।

আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাদক নির্মূলে জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগ নিঃসন্দেহে ইতিবাচক হতে পারে। মাদক কারবারের কারণে কোনো এলাকার মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তাদের পাশে দাঁড়ানো, অপরাধের তথ্য সংগ্রহ করা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা জনপ্রতিনিধির দায়িত্বশীল ভূমিকার অংশ। কিন্তু সেই উদ্যোগের সঙ্গে যখন আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ধাওয়া করা, সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটক করা এবং পুলিশের কাছে সোপর্দ করার মতো ঘটনা যুক্ত হয়, তখন প্রশ্ন ওঠে— এই কর্মকাণ্ডের আইনি ভিত্তি কী?

পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, গাড়ি থেকে নেমেই পিস্তল উঁচিয়ে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন চিৎকার করে বলছেন, ‘এই ধর ধর ধর...।’ তখন তার পাশ থেকে একজনকে বলতে শোনা গেল, ‘একেবারে গুলি করে দেব।’ প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে থাকা দেহরক্ষীরা তখন কয়েকজনকে ধরতে দৌড়াচ্ছেন। তাদের মধ্যে একজনকে লাথিও দেন এক দেহরক্ষী। ভিডিওটির ক্যাপশনে রাজধানীর গেন্ডারিয়া রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর রেলগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে বলে বলা হয়েছে। ভিডিওটি পোস্ট করার পর এটি ভাইরাল হয়ে যায়। আরেকটি ভিডিওতে আটক ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে তুলে দিতে দেখা গেছে। এসব ভিডিও প্রকাশের পর শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা।

ফেসবুকে প্রকাশ করা ভিডিওটির শিরোনাম দেওয়া হয়েছে, ‘ইশরাকের অ্যাকশন: মাদক আস্তানা গুঁড়িয়ে বিক্রেতাদের পুলিশে সোপর্দ’। সেখানে ঘটনার তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬; স্থান গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকা।

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের এমন কাণ্ডে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি প্রশ্ন উঠেছে। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভালো উদ্দেশ্য থাকলেই আইন প্রয়োগের নির্ধারিত প্রক্রিয়া উপেক্ষা করা যায় না।

তাদের ভাষ্য, বাংলাদেশের অস্ত্র আইন, ১৮৭৮-এর ১৩ ও ১৯ ধারা অনুযায়ী, লাইসেন্স ছাড়া বা লাইসেন্সের শর্ত লঙ্ঘন করে সশস্ত্র হয়ে চলাফেরা করলে শাস্তির বিধান রয়েছে। এ ঘটনায় অস্ত্রের লাইসেন্স ও ব্যবহারের পরিস্থিতি যাচাই করা প্রয়োজন।

অন্যদিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ২৩ ধারায় নির্ধারিত ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের পরোয়ানা ছাড়া তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেপ্তারের ক্ষমতা দেয়। প্রতিমন্ত্রী হওয়ার কারণে কেউ স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ক্ষমতার অধিকারী হন না। আবার ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ৫৯ ধারা, নির্দিষ্ট পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে— সাধারণ ব্যক্তিরাও অপরাধীদের আটক রেখে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার সুযোগ দেয়। সেটিও যদি আটক করা ব্যক্তিরা জামিন অযোগ্য কোনো ফৌজদারি অপরাধে লিপ্ত থাকে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার ছয়জনের বিষয়টি কি আইনের সেই শর্ত পূরণ করেছে— এমন প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ।

ইশরাক হোসেনের ঘটনাকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৯ ধারায়, বেআইনি বা হয়রানিমূলক তল্লাশি ও গ্রেপ্তার উল্লেখ করে শাস্তির বিধান রেখেছে।

ভিডিওতে আরও দেখা গেছে, ইশরাকের সঙ্গে থাকা দুই ব্যক্তির হাতেও আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে।

ঘটনাস্থলে ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক পাভেল শিকদার। তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, বেলা ৩টা থেকে সাড়ে ৩টার দিকে তারা সেখানে যান। স্থানীয় লোকজনের বারবার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী সেখানে গিয়েছিলেন। পুলিশকেও জানানো হয়েছিল। তবে পুলিশ পৌঁছাতে দেরি করে।

এখন প্রশ্ন হলো, প্রতিমন্ত্রীর হাতে থাকা অস্ত্রটির লাইসেন্স ও ব্যবহারের আইনি ভিত্তিটা কী ছিল? সন্দেহভাজনদের আটকের ক্ষেত্রে কোন আইনি বিধান

অনুসরণ করা হয়েছে?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও অপরাধ বিশেষজ্ঞ ড. তৌহিদুল হক আগামীর সময়কে বলেছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অপরাধ প্রতিরোধের অধিকার থাকলেও তা আইনসম্মত পদ্ধতিতে প্রয়োগ করতে হবে। একজন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা ও সহযোগিতা দেওয়া। আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, কাউকে লক্ষ্য করে অস্ত্র তাক করা কিংবা বলপ্রয়োগের বৈধতা নির্ভর করবে ঘটনার পরিস্থিতি ও প্রযোজ্য আইনের ওপর। এ ঘটনায় নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে আইনগত বৈধতা নির্ধারণ করা জরুরি।

সার্বিক বিষয়ে একটি গণমাধ্যমকে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক জানিয়েছেন, তার হাতে থাকা অস্ত্রটি বৈধ।

কিন্তু খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত সংসদ নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে দেওয়া ইশরাকের হলফনামায় আগ্নেয়াস্ত্র থাকার কথা উল্লেখ করা হয়নি।

এ বিষয়ে ইশরাক জানিয়েছেন, তিনি অস্ত্রটি নিয়েছেন ২০২৫ সালের ১২ ডিসেম্বর শরিফ ওসমান হাদিকে গুলি করার পর। যখন তিনি এটি নিয়েছেন, তখন মনোনয়নপত্রে দেখানোর সুযোগ ছিল না।

তবে মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ছিল ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর। প্রতিমন্ত্রী ইশরাক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ২৮ ডিসেম্বর।

লাইসেন্স করা অস্ত্রের ব্যবহারের বিষয়ে ইশরাক ওই গণমাধ্যমকে বলেছেন, তিনি একজন জনপ্রতিনিধি। তার সংসদীয় আসনের মধ্যে গেন্ডারিয়ার রেলস্টেশনসংলগ্ন দয়াগঞ্জ ঘুণ্টিঘর এলাকাটি পড়েছে। সেখানে মাদক ব্যবসা হয়। এলাকার মানুষ বারবার তার কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। তিনি পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছেন। তবে কাজ হয়নি। এ কারণে বাধ্য হয়ে তিনি সেখানে গেছেন।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেছেন, পুলিশ কোনো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। তিনি অন্ততপক্ষে ৩০-৪০ বার পুলিশের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। তারা একেক সময় একেক কথা বলে। তাদের জনবল কম, গাড়ি নেই— এসব কথা বলে। এর আগে সেখানে অভিযান চালাতে গিয়ে কয়েকজন পুলিশ গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

ইশরাক হোসেনের ভাষ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর পুলিশ এখনো ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। মাদক কারবারিরা দূর থেকে গুলি করে দেয়। সে কারণে তার হাতে অস্ত্র ছিল। তিনি বলেছেন, ‘আমি তো আর গুলি করিনি, ওটা নিয়ে কাউকে ভয়ও দেখাই নাই। হ্যাঁ, অভিযান আমরা করেছি, আমরা সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলছি।’

তবে নাম প্রকাশ না করা শর্তে প্রসিকিউশনের এক আইজীবী আগামীর সময়কে জানিয়েছেন, যেকোনো অপরাধের ক্ষেত্রে সাধারণ জনগণও প্রতিরোধ করতে পারবে। তবে সেটি কতটুকু করা যাবে, তার সিআরপি ৫৯ ধারায় উল্লেখ রয়েছে। সরকার ও মন্ত্রীদের কাজ হলো নির্দেশ দেওয়া, তাদের সরাসরি অংশগ্রহণ বা রাগান্বিতভাবে ব্যবস্থা নিতে পারেন না। অস্ত্র বৈধ বা অবৈধ হোক, কারও দিকে তাক করাই অপরাধ। তল্লাশি করাও কোনো আইনের মধ্যে পড়ে না।

একই কথা বলেছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। তার প্রশ্ন— মন্ত্রীকেই যদি অস্ত্র হাতে অভিযানে নামতে হয়, তাহলে পুলিশের কাজ কী? শরীফ ভূঁইয়া বললেন, একজন প্রতিমন্ত্রী যেভাবে অস্ত্র প্রদর্শন করেছেন, তা বেআইনি।

অস্ত্র হাতে ইশরাকের অভিযানের বিষয়ে জানতে চাইলে, গেন্ডারিয়া থানার ওসি মনিরুজ্জামান মন্তব্য করতে রাজি হননি।

বিষয়টি নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) একাধিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারাও এড়িয়ে যান। ডিএমপির মিডিয়া শাখার উপকমিশনার (ডিসি) আকতার হোসেনও আগামীর সময়কে বললেন, ‘এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করব না।’

অস্ত্রহাতে প্রতিমন্ত্রীর এই অভিযানে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মানবাধিকার কমিশনের সাবেক সদস্য নাবিলা ইদ্রিস। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেছেন, ‘একজন প্রতিমন্ত্রী বন্দুক হাতে রাস্তায় লোকজনকে ধাওয়া করছে। মাই গড। তিনি আবার মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের। বন্দুক হাতে লোকজন ধাওয়া করা তার দায়িত্বের মধ্যে কীভাবে পড়ে?’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ আগামীর সময়কে বলেছেন, কোনো এমপি বা মন্ত্রী এ ধরণের অভিযান পরিচালনা করতে পারেন না। তাদের সেই ক্ষমতা নেই। অভিযান পরিচালনা করবে পুলিশ, এমপি-মন্ত্রীরা অভিযানের বিষয়ে নির্দেশনা বা পরিকল্পনা দিতে পারেন।

প্রতিমন্ত্রীর অস্ত্র প্রদর্শনের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে এই আইনজীবী বললেন, ‘অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু শর্ত থাকে। এ ধরনের অভিযানে অস্ত্র প্রদর্শনের জন্য কাউকে লাইসেন্স দেওয়া হয় না।’

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনঅস্ত্রঅভিযানরাজধানীমাদকগেন্ডারিয়াঅপরাধমানবাধিকারঅস্ত্র আইনআইন আদালতপুলিশভাইরাল
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    দরিদ্র খুঁজতেই ব্যয় ২০১০ কোটি টাকা

    দরিদ্র খুঁজতেই ব্যয় ২০১০ কোটি টাকা

    ধূমপান করছিলেন চিকিৎসক, দেখে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী, অতঃপর বরখাস্ত

    ধূমপান করছিলেন চিকিৎসক, দেখে ফেলেন প্রধানমন্ত্রী, অতঃপর বরখাস্ত

    কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন, নিহত ৬

    কক্সবাজারের ইনানীতে রিসোর্টে আগুন, নিহত ৬

    টুপটুপ রিসোর্ট পুড়ে ছাই, পরিচয় মিলেছে হতাহতদের

    টুপটুপ রিসোর্ট পুড়ে ছাই, পরিচয় মিলেছে হতাহতদের

    নিউ ইয়র্কে সাংস্কৃতিক কর্মী ইনামসহ তিন বাংলাদেশি আটক

    নিউ ইয়র্কে সাংস্কৃতিক কর্মী ইনামসহ তিন বাংলাদেশি আটক

    ‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না’— ছাত্রলীগ নেতার স্ট্যাটাস ঘিরে আলোচনা

    ‘পেনশন নিয়ে বাড়ি ফিরতে পারবেন না’— ছাত্রলীগ নেতার স্ট্যাটাস ঘিরে আলোচনা

    প্রাণ বাঁচাতে টুপটুপ রিসোর্টের দরজা-জানালা ভেঙে বের হন পর্যটকরা

    প্রাণ বাঁচাতে টুপটুপ রিসোর্টের দরজা-জানালা ভেঙে বের হন পর্যটকরা

    সুশাসনের বীজ বপন করতে হবে প্রাথমিক শিক্ষায়

    সুশাসনের বীজ বপন করতে হবে প্রাথমিক শিক্ষায়

    টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০, তদন্তে কমিটি

    টুপটুপ রিসোর্টে আগুনে নিহত ১০, তদন্তে কমিটি

    ‘আমি ও আমার স্ত্রী দোতলা থেকে পাশের নালায় লাফ দিয়ে নেমেছি’

    ‘আমি ও আমার স্ত্রী দোতলা থেকে পাশের নালায় লাফ দিয়ে নেমেছি’

    ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যালসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

    ইবনে সিনা ফার্মাসিটিক্যালসে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ৬ ইউনিট

    ‘অনলাইন গেমের জন্য আজ আমার জীবন দিতে হলো’

    ‘অনলাইন গেমের জন্য আজ আমার জীবন দিতে হলো’

    ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে পরীমনির লাইভ, পরে ডিলিট

    ছড়িয়ে পড়া ভিডিও নিয়ে পরীমনির লাইভ, পরে ডিলিট

    মাধবপুরে ছাত্রলীগ নেতা সিরাজুল গ্রেপ্তার

    মাধবপুরে ছাত্রলীগ নেতা সিরাজুল গ্রেপ্তার

    ‘সব শেষ, কী নিয়ে বাঁচব আমরা’

    ‘সব শেষ, কী নিয়ে বাঁচব আমরা’