Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
কৃষক গড়েছেন ব্যতিক্রমী কলেজ
বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় জাতীয়

মো. আব্দুস সালাম

ঢাকা দক্ষিণে মশার হটস্পটে ক্র্যাশ কর্মসূচি চলছে

শম্পা বিশ্বাস
শম্পা বিশ্বাস
agamir somoy
প্রকাশ: ২০ আগস্ট ২০২৬, ১০:৫৬
ঢাকা দক্ষিণে মশার হটস্পটে ক্র্যাশ কর্মসূচি চলছে

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। ছবি: সংগৃহীত

ডেঙ্গুর মতো প্রাণহানির বিষয় নিয়ে হেলাফেলা করা যাবে না। তা নিয়ে আগামীর সময়ের সঙ্গে কথা বলেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক

আগামীর সময়: এ বছর ডেঙ্গুতে বহু মানুষ আক্রান্ত হয়েছে, মারাও গিয়েছে ৬০ জনের ওপরে। এই পরিস্থিতি নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?

মো. আব্দুস সালাম: ডেঙ্গু তো আমরা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। এটি এমন না যে আমাদের সৃষ্টি। তবে আমি মনে করি, গতবার ডেঙ্গুর যে অবস্থা ছিল এবং আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর যে প্রকট অবস্থা ছিল, আমরা অগ্রিম ব্যবস্থা নেওয়ায় এখন পরিস্থিতি ভালো। কয়েক মাস আগে জরিপ চালিয়েছিলাম কোথায় কোথায় মশার প্রজনন হতে পারে, সে জায়গাগুলো চিহ্নিত করেছি এবং সেখানে ব্যবস্থা নিয়েছি। এ কারণে এবার ঢাকা শহরের, বিশেষ করে দক্ষিণ ঢাকায় ডেঙ্গু অনেকটা কম।

কোনো গ্রামে কেউ আক্রান্ত হলে সে এসে ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি হয়। তাহলে এর দায়িত্ব তো দক্ষিণ সিটির না। আরেকটা বিষয়, ডেঙ্গু বেশিরভাগ সময়ই জনগণের সচেতনতার ওপর নির্ভর করে। তারা যদি সচেতন হয়, তিন দিনের বেশি কোথাও যদি পানি জমতে না দেয় এবং নোংরা জায়গাগুলো পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করে, তাহলেই মশার উৎপত্তিস্থলগুলো আগেই ধ্বংস করা সম্ভব। আমাদের লক্ষ্য কামড় থেকে বাঁচার চেয়ে মশা যাতে উৎপাদিত না হয়, সেটি সমূলে ধ্বংস করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

​আগামীর সময়: এবার মশার ঘনত্ব নিয়ে দুই সিটি করপোরেশন জরিপ করেছে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর করেছে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কীটতত্ত্ব বিভাগ জরিপ করেছে। এসব জরিপে মশার ঘনত্ব (ব্রুটো ইনডেক্স) ৩০-এর কাছাকাছি পাওয়া গেছে। এই পরিস্থিতি উদ্বেগজনক ধরে মশক নিয়ন্ত্রণের জন্য কী ব্যবস্থা নিচ্ছেন?

মো. আব্দুস সালাম: ব্যবস্থা তো আমরা নিচ্ছি। অনেক জায়গা আছে, যেখানে সিটি করপোরেশনের কর্মচারীরা যেতে পারেন না মশার ওষুধ দিতে। সেগুলো তো প্রাইভেট, নিজেদের জায়গা। আবার কিছু কিছু অঞ্চল আছে যেমন কামরাঙ্গীরচর; এটি তো পুরো একটা বস্তির মতো এলাকা। আমরা এত চেষ্টা করছি, ক্র্যাশ প্রোগ্রাম করেছি কয়েকবার, কিন্তু তারপরও অপরিচ্ছন্ন থাকার কারণে মশা হয়। তবু আমরা চেষ্টা করছি যেসব জায়গায় এখনো মশার খবর পাই, সেসব জায়গায় ক্র্যাশ প্রোগ্রাম করি, যাতে তা নির্মূল করা যায়।

আগামীর সময়: এবার জরিপের ফল থেকে যে জায়গাগুলো মশার হটস্পট বলে চিহ্নিত হলো, পরেরবার কি আশা করতে পারি যে এই হটস্পটগুলো থাকবে না?

মো. আব্দুস সালাম: আমরা তো তা-ই চাই। সেটির জন্য সিটি করপোরেশন এবং জনগণকে যৌথভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। জনগণকে সচেতন হতে হবে এবং সিটি করপোরেশনকেও আরও অ্যাকটিভ হতে হবে। তাহলে দুটির সমন্বয়ে এই পরিস্থিতি আমরা কাটাতে পারব।

আগামীর সময়: নতুন করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি মশকনিধনে নোভালিউরন ট্যাবলেট দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে। কবে নাগাদ এই কীটনাশকের প্রয়োগ শুরু হতে পারে?

মো. আব্দুস সালাম: এটি তো যারা ম্যানুফ্যাকচার করে তাদের ওপর অনেকটা নির্ভরশীল। আমরা চেষ্টা করছি। আরেকটি বিষয়, এই ট্যাবলেট যাতে মার্কেটে আসে, সাধারণ মানুষও কিনতে পারে, সেটির জন্য কাজ করছি।

আগামীর সময়: আজ বিশ্ব মশা দিবসে নগরবাসীর উদ্দেশে আপনার কী বার্তা থাকবে?

মো. আব্দুস সালাম: নগরবাসীর উদ্দেশে বার্তা একটাই, তিন দিনের বেশি কোথাও যাতে পানি জমে না থাকে। আপনার বাড়িঘর, আপনার আঙিনা আপনি পরিষ্কার রাখুন। রাস্তাটা পরিষ্কার রাখুন। আমরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকি। পাশাপাশি সিটি করপোরেশনকেও তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করার চেষ্টা করতে হবে। এই যৌথ উদ্যোগেই মশার উপদ্রব থেকে আমরা আমাদের রক্ষা করতে পারব।

আগামীর সময়: নগরবাসীর প্রতি এটা আপনার আহ্বান ছিল। কিন্তু তাদের কাছে সিটি করপোরেশনের প্রতিশ্রুতি কী থাকবে?

মো. আব্দুস সালাম: আমার প্রতিশ্রুতি থাকবে— সিটি করপোরেশনের যে দায়িত্ব এবং কাজগুলো আছে, সেগুলো শতভাগ পালন করতে হবে। মশা বা ডেঙ্গুতে প্রাণহানির একটা শঙ্কা থাকে, সেসব বিষয় নিয়ে কোনোভাবে যাতে আমরা হেলাফেলা না করি। এর জন্য যাতে আমরা সবাই সিরিয়াস থাকি। আমার ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সব কর্মী এবং কর্মকর্তারা যেন সিরিয়াস থাকেন, সেই ‍নির্দেশনা থাকবে তাদের প্রতি।

​আগামীর সময়: আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

মো. আব্দুস সালাম: আপনাকেও ধন্যবাদ।


 

ডেঙ্গুআক্রান্তক্র্যাশকীটতত্ত্ববাহক
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise