বোধ হয়

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত উদ্যোক্তা ইলন মাস্ক। ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠা করেন স্পেসএক্স। আনুষ্ঠানিকভাবে পরিচিত ‘স্পেস এক্সপ্লোরেশন টেকনোলজিস’ নামে। বেসরকারি মহাকাশযান নির্মাতা ও মহাকাশ পরিবহন পরিষেবা প্রদানকারী কোম্পানি। প্রথমে মহাকাশে রকেট পাঠানোর কাজ দিয়ে যাত্রা শুরু করলেও সময়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটি এখন স্যাটেলাইট ইন্টারনেট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডেটা সেন্টার— সবকিছু নিয়েই কাজ করেছে। ব্লুমবার্গের সম্পদ সূচক অনুযায়ী, স্পেসএক্সে মাস্কের মালিকানাধীন অংশের মূল্য ৫৫০ বিলিয়ন ডলারের বেশি। তবে ভবিষ্যতে স্পেসএক্স হয়ে উঠতে পারে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রথম প্রতিষ্ঠান। এমন পূর্বাভাস দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎবিদ এবং এক্সপ্রাইজ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা পিটার ডায়ামানডিস।
তার ভবিষ্যদ্বাণী নিয়ে চলতি বছরেই একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ইউক্রেনের ক্রিপ্টোকারেন্সিবিষয়ক ওয়েবসাইট ইনক্রিপ্টেড।
পিটার ডায়ামানডিস তার পূর্বাভাস সমর্থনে দিয়েছেন কয়েকটি যুক্তি। তার বিশ্বাস স্টারলিংক, এআই কম্পিউটিং, নিজস্ব চিপ উৎপাদনসহ বিভিন্ন ব্যবসায়িক ক্ষেত্রে অংশ নিয়ে এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে ১০ ট্রিলিয়ন ডলারের প্রতিষ্ঠান হওয়ার সক্ষমতা। ডায়ামানডিসের মতে, বিনিয়োগকারীরা স্পেসএক্সের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলকে উপেক্ষা করে স্বল্পমেয়াদি আর্থিক সূচকগুলোর ওপর অত্যাধিক মনোযোগ দিচ্ছেন। তিনি বলেছেন, ‘ওয়াল স্ট্রিট স্পেসএক্সের মূল্য কীভাবে নির্ধারণ করতে হয়, তা পুরোপুরি বোঝে না। কারণ, তারা শুধু একটি কোম্পানির মূল্য নির্ধারণের চেষ্টা করে চলেছে। আসলে এটি পাঁচটি কোম্পানি, যেটি সময়কে সংকুচিত করার ক্ষেত্রে ইলনের বিশেষ প্রতিভার দ্বারা একসঙ্গে সংযুক্ত।’ তার ভবিষ্যদ্বাণী সমর্থনের যুক্তিতে রয়েছে পাঁচটি কারণ, যেগুলো ইলনের প্রতিষ্ঠানের বাজারমূল্য বৃদ্ধিতে সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। সেগুলোর মধ্যে রয়েছে স্টারলিংক, এআই কম্পিউটিং, নিজস্ব কারখানায় চিপ উৎপাদন, মহাকাশযান উৎক্ষেপণ এবং ভারটিকাল ইকোসিস্টেম ইন্টিগ্রেশন। ডায়ামানডিসের মতে, স্পেসএক্স তৃতীয় পক্ষের নির্মাতাদের ওপর নির্ভর না করে নিজস্ব এআই অ্যাক্সিলারেটর তৈরি করতে চায়। এর অর্থ হলো, চিপের মালিকানা ডেটা সেন্টারের মালিকানা এবং সেটি বহনকারী রকেটের মালিকানাও নিজেদের হাতে রাখা।






