Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিজ্ঞান+প্রযুক্তি

পকেট স্ক্রিনই এখন মূল স্টেডিয়াম

ইমরানুর রহমান
ইমরানুর রহমান
agamir somoy
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৭:০০
পকেট স্ক্রিনই এখন মূল স্টেডিয়াম

টেলিভিশনের বদলে অনেকেই খেলাধুলা উপভোগ করতে বেছে নিচ্ছেন ভিআর হেডসেট। ছবি: মোবাইল নিউজ সিডব্লিউপি

খেলা দেখা এখন আর কেবল টেলিভিশনেই সীমাবদ্ধ নেই। এসেছে স্মার্টফোন, ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মতো বহু গ্যাজেট, যা প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর জন্যও তৈরি করেছে বড় সুযোগ। লিখেছেন ইমরানুর রহমান

স্টেডিয়ামের সবুজ ঘাসে যখন বল নিয়ে ছুটছেন বিশ্বসেরা তারকারা, তখন গ্যালারির চিৎকার ছাপিয়ে কোটি কোটি মানুষের চোখ আটকে থাকে একটা পর্দায়। তবে ২০২৬ সালের উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে সেই ‘পর্দা’ আর কেবল ড্রয়িংরুমের ঐতিহ্যবাহী টেলিভিশন সেটটিতে সীমাবদ্ধ নেই; তা চলে এসেছে মানুষের হাতের তালুতে, স্মার্টফোনের স্ক্রিনে। এবারের ফুটবল মহাযজ্ঞে মাঠের উত্তেজনার সমান্তরালে চলছে সম্প্রচার প্রযুক্তির এক অদৃশ্য স্নায়ুযুদ্ধ।

ভারী ব্রডকাস্টিং ক্রু আর বিশালাকার ক্যামেরার যুগকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মাঠের মূল কনটেন্ট ইকোসিস্টেমে সরাসরি হানা দিয়েছে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শক্তিশালী ফাইভ-জি নেটওয়ার্ক এবং পকেট সাইজের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনগুলোয়। ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এই টুর্নামেন্ট এখন রূপ নিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্টদের সক্ষমতা প্রমাণের এক মহাযুদ্ধে।

ঐতিহ্যগতভাবে ফিফা বিশ্বকাপের ম্যাচগুলো সম্প্রচারের জন্য বিশাল আকৃতির ব্রডকাস্ট ক্যামেরা ব্যবহার করে। এবারেও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু হোস্ট ব্রডকাস্ট সার্ভিসেস প্রতি ম্যাচে যে ক্যামেরাগুলো ব্যবহার করছে, তার একটি বড় অংশ জুড়েই রয়েছে আধুনিক স্মার্টফোন এবং মোবাইল ফিল্মিং সলিউশন। বিশেষ করে ওয়ান-ম্যান ক্রু বা অন-ফিল্ড ডিজিটাল কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের জন্য আইফোনের মতো ফ্ল্যাগশিপ ডিভাইসগুলো এখন আর কেবল ছবি তোলার মাধ্যম নয়, বরং সরাসরি লাইভ ফিড বা আইএসও ফিডের পরিপূরক কনটেন্ট তৈরির প্রধান হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

টিকটক ও ইউটিউবের মতো প্ল্যাটফর্মগুলোর সঙ্গে ফিফার ‘ডিজিটাল-ফার্স্ট’ পার্টনারশিপের কারণে মাঠের ভেতর থেকে তাৎক্ষণিক খবরের পেছনের খবর তৈরিতে এই পকেট সাইজের সুপার কম্পিউটারগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এই লড়াইয়ের সবচেয়ে বড় মোড় পরিবর্তনকারী উপাদান হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ইকোসিস্টেম। উদাহরণস্বরূপ, প্রযুক্তি জায়ান্ট লেনোভো এবার ফিফার অফিসিয়াল পার্টনার হিসেবে মাঠের ভেতরে এবং সম্প্রচারে বিপ্লব ঘটিয়েছে। রেফারিদের বুকে বা মাথায় লাগানো ‘রেফক্যাম’-এর ঝাঁকুনিযুক্ত ভিডিওকে রিয়েল টাইমে সোজা বা স্থির করার জন্য তারা ব্যবহার করছে এআই ইমেজ স্ট্যাবিলাইজার।

স্মার্টফোনে খেলা দেখার সুবিধা হচ্ছে, যেকোনো স্থানে থেকেই প্রিয় দলের ম্যাচ উপভোগ সম্ভব। ছবি: সংগৃহীত

এর ফলে বিশ্ব জুড়ে কোটি কোটি দর্শক রেফারির দৃষ্টিকোণ থেকে মাঠের ফাউল বা পেনাল্টির ঘটনাগুলো একদম নিখুঁতভাবে দেখতে পাচ্ছেন। লেনোভোর এআই ইঞ্জিন এই ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে সেকেন্ডের মধ্যে কাঁপতে থাকা ফুটেজকে ব্রডকাস্ট-গ্রেড কোয়ালিটিতে রূপান্তর করছে, যা সরাসরি স্মার্টফোনে ফাইভ-জির মাধ্যমে লাইভ স্ট্রিমিং হচ্ছে।

পাশাপাশি প্রত্যেক খেলোয়াড়ের থ্রিডি ডিজিটাল অ্যাভাটার বা অবয়ব তৈরির প্রযুক্তি এবার সম্প্রচারকে আরও তথ্যবহুল করেছে। ম্যাচ চলাকালীন খেলোয়াড়দের গতিবিধি, ট্যাকল এবং পাসিং নিখুঁতভাবে ট্র্যাক করতে ১৬টি হাই-রেজল্যুশন ক্যামেরা এবং এআই অ্যালগরিদম সমন্বিতভাবে কাজ করছে। এই ডেটাগুলো সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মধ্যে প্রসেস হয়ে ফক্স স্পোর্টসের মতো বড় ব্রডকাস্টারদের এআই-গ্রাফিকস সিস্টেমে চলে যাচ্ছে।

এর ফলে দর্শক তাদের ফোনের স্ক্রিনেই লাইভ এক্সজি, খেলোয়াড়দের তাৎক্ষণিক দৌড়ের গতি এবং বল পজিশনের লাইভ থ্রিডি ভিজ্যুয়ালাইজেশন দেখতে পাচ্ছেন।

শুধু সম্প্রচার করাই নয়, ভক্তদের খেলা দেখার অভিজ্ঞতা সহজ করতে মোবাইল ডিভাইসের ডিসপ্লে ও প্রজেকশন প্রযুক্তিতেও এসেছে বড় পরিবর্তন। বর্তমান সময়ে অনেক আউটডোর বা রাগেড স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান (যেমন— ৮৮৪৯ টেকনোলজি) তাদের ডিভাইসে বিল্ট-ইন ১০৮০ পিক্সেল প্রজেক্টর যুক্ত করেছে। এর ফলে ক্যাম্পিং বা ঘরের বাইরে থাকা ফুটবলভক্তরা আলাদা কোনো ভারী সেটআপ ছাড়াই শুধু স্মার্টফোনটি দেয়াল বা তাঁবুর কাপড়ে তাক করে পুরো বিশ্বকাপের ম্যাচ বড় পর্দায় উপভোগ করতে পারছেন।

২০২৬ সালের এই বিশ্বকাপকে তাই বলা যায় বিশ্ব জুড়ে মোবাইল ও এআই প্রযুক্তির এক বিশাল প্রদর্শনী। স্মার্টফোন জায়ান্টদের এই ক্যামেরার সেন্সর, প্রসেসিং ক্ষমতা এবং এআই অ্যালগরিদমের লড়াই প্রথাগত টেলিভিশন ব্রডকাস্টিংকে হটিয়ে পকেট স্ক্রিনকেই করে তুলেছে বিশ্বকাপের মূল স্টেডিয়াম। আর এই প্রযুক্তিগত দ্বৈরথের কল্যাণে দিনশেষে লাভবান হচ্ছেন ফুটবলপ্রেমীরাই।

টেলিভিশনস্মার্টফোনভার্চুয়াল রিয়েলিটিস্টেডিয়ামপকেট স্ক্রিনবিশ্বকাপ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise