Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিজ্ঞান+প্রযুক্তি

মমি থেকে পাওয়া ইস্ট দিয়ে বানানো হলো পাউরুটি

ফিচার ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০৭ জুন ২০২৬, ১২:৫৫
মমি থেকে পাওয়া ইস্ট দিয়ে বানানো হলো পাউরুটি

ওতজি দ্য আইসম্যানের হাত পরীক্ষা করে দেখছেন একজন গবেষক। ছবি: সাউথ টায়রল মিউজিয়াম অফ আর্কিওলজি

বিজ্ঞানীদের হাত ধরে এক অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটেছে। প্রায় পাঁচ হাজার বছর পুরোনো একটি হিমায়িত মমি থেকে পাওয়া ‘ইস্ট’ বা খামির ব্যবহার করে একটি চমৎকার সাওয়ারডো ঘরানার পাউরুটি তৈরি করেছেন তারা। এখানেই শেষ নয়, গবেষকদের পরবর্তী পরিকল্পনা হলো এই একই ইস্ট ব্যবহার করে প্রাচীন আমেজের বিয়ার বা মদ তৈরি করা যায় কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা।

দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ঐতিহাসিক ইস্টের উৎস হলো আল্পস পর্বতমালার বরফে জমে থাকা বিখ্যাত মমি ‘ওতজি দ্য আইসম্যান’। ১৯৯১ সালে ইতালি ও অস্ট্রিয়ার সীমান্তের বরফে ঢাকা পাহাড় থেকে ওতজির এই অবিশ্বাস্যভাবে সংরক্ষিত মৃতদেহটি উদ্ধার করা হয়। আবিষ্কারের পর থেকেই ওতজি বিজ্ঞানীদের জন্য এক গভীর গবেষণার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং প্রাগৈতিহাসিক যুগের ইউরোপীয় মানুষ ও তাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কে মূল্যবান বহু তথ্য দিচ্ছে।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা ওতজির অবশিষ্টাংশের ভেতরে ও ওপরে সংরক্ষিত অণুজীবগুলো নিয়ে গবেষণা করছিলেন। সেই কাজেরই এক অপ্রত্যাশিত এবং চমৎকার ফল হিসেবে গবেষকরা সেখান থেকে এই ইস্ট বা খামির নিষ্কাশন করেন এবং তা দিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে তৈরি করেন ঐতিহ্যবাহী সাওয়ারডো রুটি।

ইনস্টিটিউট ফর মমি স্টাডিজের অন্তর্গত ‘ইউর্যাক রিসার্চ’-এর ওয়েবাসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে অণুজীববিজ্ঞানী মোহামেদ সারহান বলেন, “শেষ পর্যন্ত আমরা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি খামির প্রস্তুত করতে পেরেছিলাম, যা সাধারণ ইস্টের মতোই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ফুলে উঠেছিল। এটি দিয়ে আমরা সত্যিই দারুণ মানের খামির তৈরি করতে পেরেছি।”

তবে নিজের বেকিং দক্ষতার বিষয়ে কিছুটা রসিকতা করে সারহান যোগ করেন, “আমি এর আগে কখনো রুটি সেঁকিনি এবং সেটি রুটি তৈরির পর বেশ ভালোভাবেই বোঝা যাচ্ছিল। তাই প্রথম প্রচেষ্টায় এর ফলাফলে বেশ কিছু খামতি বা উন্নতির জায়গা ছিল। তবে আমি যেমনটা বলেছি, এগুলো ছিল আমাদের একদম প্রাথমিক পরীক্ষা।”

পাউরুটির সফল পরীক্ষার পর এখন বিজ্ঞানীদের মেন্যুতে যোগ হতে যাচ্ছে ঘরে তৈরি বিশেষ বিয়ার।

মোহামেদ সারহান জানান, “আমরা এই গবেষণাটিকে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এই প্রক্রিয়ায় আমরা খাদ্য খাতের বিশেষ গবেষণা দলগুলোকে যুক্ত করার পরিকল্পনা করছি। বর্তমানে পাউরুটি তৈরি আমাদের অন্যতম বড় একটি সফল প্রয়োগ; আমাদের পরবর্তী লক্ষ্য হলো বিয়ার তৈরি করা। এ বিষয়ে আমরা জার্মানির বিখ্যাত মদ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ‘ওয়েনস্টেফান’ -এর বিশেষজ্ঞদের সাথে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু করেছি।”

বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, ওতজির দেহ থেকে উদ্ধার হওয়া এই নির্দিষ্ট ইস্টগুলো কেবল অত্যন্ত ঠান্ডা পরিবেশেই বেঁচে থাকে। তাই ধারণা করা হচ্ছে, ওতজির মৃত্যুর পর কোনো এক সময়ে এগুলো তার শরীরে প্রবেশ করেছিল। পরবর্তীতে জেনেটিক বিশ্লেষণ বা জিনগত পরীক্ষা থেকেও ইঙ্গিত মিলেছে যে, ওতজির মৃত্যুর ঠিক পরপরই বা তুলনামূলক খুব কম সময়ের মধ্যে এই অণুজীবগুলো তার দেহে বাসা বেঁধেছিল।

দীর্ঘদিন ধরেই ওতজি বিশ্বজুড়ে মানুষের কৌতূহল ও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। তার শরীরে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন ট্যাটু বা উল্কির সন্ধান মিলেছে, যার মোট সংখ্যা ৬১টি। তবে সবচেয়ে বেশি রহস্য ও আগ্রহ রয়েছে তার মৃত্যু নিয়ে। আজ থেকে প্রায় ৫,৩০০ বছর আগে আল্পসের দুর্গম বরফাবৃত পাহাড়ে তিনি কীভাবে মারা গিয়েছিলেন, তা নিয়ে জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই।

ওতজির পিঠে একটি তীরের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে, যার কারণে ইতিহাসবিদ ও বিজ্ঞানীরা একে প্রায়ই বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ‘কোল্ড কেস মার্ডার’ বা অমীমাংসিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে অভিহিত করে থাকেন।
মমি
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise