Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কুহক

ব্রাজিলের ভুতুড়ে সৈকত

agamir somoy
প্রকাশ: ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:৪৮
ব্রাজিলের ভুতুড়ে সৈকত

ব্রাজিলের সাও পাওলোর ইতানহায়েম শহরের প্রাইয়া দো সোনহো সৈকত পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্য। কিন্তু সূর্য ডুবে গেলে নাকি বদলে যায় এর চেহারা। কেন? সে গল্প শুনিয়েছেন সৈয়দ ফরহাদ

চাঁদের আলোয় আটলান্টিকের ঢেউগুলো সাদা হয়ে উঠছে বারবার। দূরে, পাথুরে তটের কাছে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ছিল একটি ছেলে আর একটি মেয়ে। কৌতূহলবশত তাদের দিকে এগোতে শুরু করলেন পর্যটক। কিন্তু কয়েক পা যাওয়ার পরই থমকে দাঁড়াতে হলো। কারণ অবয়ব দুটো যেন কুয়াশার মতো ঝাপসা হয়ে গেল। তারপর ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল রাতের অন্ধকারে।

সৈকতটি ঘিরে এমন গল্প প্রচলিত বহু বছর ধরে। লোককথা অনুযায়ী, বহু বছর আগে এক তরুণ-তরুণী রাতে সৈকতের পাথুরে অংশে হাঁটছিলেন। এরপর হঠাৎ তারা নিখোঁজ হয়ে যান। কেউ বলেন, বিশাল এক ঢেউ তাদের সমুদ্রে টেনে নিয়েছিল। কেউ আবার বলেন, ঘটনাটির পেছনে ছিল আরও রহস্যময় কিছু। তবে তাদের আর কখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এরপর থেকেই নাকি সৈকতে দেখা যেতে শুরু করে সেই যুগলকে। রাত গভীর হলে সমুদ্রের ধারে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে থাকা দুজন মানুষের ছায়া দেখার দাবি করেছেন পর্যটক ও জেলেরা। কাছে যাওয়ার চেষ্টা করলেই অবয়বগুলো অস্পষ্ট হয়ে যায়। কয়েক মুহূর্ত পর আর কিছুই দেখা যায় না।

এমনকি জেলেরা ঢেউয়ের গর্জনের ফাঁকে ফিসফিস শব্দ শোনার কথাও বলেছেন। আবার নির্জন তট ধরে হাঁটার সময় হঠাৎ মনে হয়েছে কেউ পেছন পেছন আসছে। ফিরে তাকালে অবশ্য কাউকেই দেখা যায়নি।
অবশ্য এসব ঘটনার কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই। ইংরেজি ও পর্তুগিজ ভাষার উৎস ঘেঁটে দেখা যায়, এই কিংবদন্তির লিখিত ইতিহাস সীমিত। গবেষকদের ধারণা, এটি মূলত স্থানীয় লোককাহিনি, যা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও রহস্যময় হয়ে উঠেছে।

প্রাইয়া দো সোনহো তার পাথুরে তট, প্রবল ঢেউ এবং বিপজ্জনক স্রোতের জন্য পরিচিত। অতীতে এখানে দুর্ঘটনা ঘটার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। হয়তো কোনো বাস্তব ট্র্যাজেডিই ধীরে ধীরে রূপ নিয়েছে ভূতের গল্পে।

তবু রহস্যের আকর্ষণ তো যুক্তির চেয়ে কম নয়। তাই কোনোদিন যদি প্রাইয়া দো সোনহোতে যান, দিনের আলোয় দেখবেন অপূর্ব এক সমুদ্রতট। কিন্তু রাত নামার পর, যখন চারপাশে শুধু ঢেউয়ের শব্দ আর সমুদ্রের বাতাস, তখন দূরে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি ছায়ামূর্তিকে হয়তো আর সহজে কল্পনা বলে উড়িয়ে দিতে পারবেন না।

ব্রাজিলভুতুড়ে সৈকত
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: