Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
শাহনাজের হাত ধরে স্বাবলম্বী ৭০০ নারী
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় খোলা হাওয়া

লাউয়াছড়ায় বৃষ্টি

বিশ্বজিৎ দাস
agamir somoy
প্রকাশ: ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:৫৬
লাউয়াছড়ায় বৃষ্টি

বৃষ্টিতে অরণ্য অভিযান। ছবি: তৌহিদুল আজম মিশুক

গত বছর বর্ষায় হঠাৎ করেই সপরিবারে শ্রীমঙ্গল গিয়েছিলাম। আমি, ছেলে দীপ আর স্ত্রী রীতা। উঠেছিলাম গ্র্যান্ড সুলতান রিসোর্টে। উঁচু টিলার ওপর রিসোর্টের একটা রেস্টুরেন্ট আছে। ঘুরতে ঘুরতে সেখানে যখন পৌঁছালাম, তখন বিকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা হয়েছে। এমন সময় ঝমঝম করে বৃষ্টি নামল। রেস্টুরেন্টের ভেতর মিটমিটে লাইট জ্বলছে। চারপাশের হরেকরকম গাছ। সেই গাছের ওপর বৃষ্টির পানি পড়ছে। আমরা সিলেটের চা বাগানের চা খেতে খেতে সেই অপরূপ দৃশ্য দেখতে লাগলাম।


পরদিন ভাড়া করা জিপ গাড়িতে চড়ে বেরিয়ে পড়লাম লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের উদ্দেশে। বনের সীমানায় পৌঁছে জিপ থেকে নামতেই বিপদ টের পেলাম। বৃষ্টি শুরু হয়েছে অথচ ছাতা সঙ্গে আনিনি। জাতীয় উদ্যানে ঘোরার জন্য গাইড ঠিক করে ফেললাম। তার নাম হাশেম। একটা চায়ের দোকান থেকে আমাদের জন্য বড় ছাতা ভাড়া করে নিয়ে এলো হাশেম। জুতা জোড়া হাতে নিয়ে খালি পায়ে ঢুকে পড়লাম বনে।

পিচ্ছিল রাস্তা ধরে এগিয়ে চললাম চারজন। গাছের পাতায় বৃষ্টির শব্দ মন ভরিয়ে দিল।

একটু পর রেললাইন পার হলাম। এটিই সেই বিখ্যাত রেলক্রসিং, যেখানে অস্কারজয়ী মুভি ‘অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইটি ডেজ’ এবং হ‍ুমায়ূন আহমেদের ‘আমার আছে জল’ মুভির শুটিং হয়েছিল।

পিচ্ছিল রাস্তায় পিছলে পড়লাম বার দুয়েক। বৃষ্টির কারণে বনের মাঝের ছড়ার পানি খলবলিয়ে ছুটছে

বৃষ্টি মাথায় নিয়েই ছবি তুললাম। আমাদের লক্ষ্য খাসিয়াপল্লী। একটু পরেই রাস্তা ভাগ হয়ে গেল। আমরা গাইডের দেখানো পথে চলতে লাগলাম। পিচ্ছিল রাস্তায় পিছলে পড়লাম বার দুয়েক। বৃষ্টির কারণে বনের মাঝের ছড়ার পানি খলবলিয়ে ছুটছে। সেটা পেরোলাম। আমাদের গাইড একবার আমাদের ইশারা করে থামাল। দূরে রাস্তার ওপর সাপ সরে গেল সরসর করে। আবার চলতে শুরু করলাম। বৃষ্টি পতনের বেগ বেড়েছে।

একটু পরেই পিচ্ছিল পথে ধাপে ধাপে উঁচুতে উঠতে শুরু করলাম। তারপরই পৌঁছে গেলাম খাসিয়াপল্লীতে। চমৎকার ফুলের বাগান আছে চোখের সামনেই। একটা কুঁড়েঘরে বিস্কুট চানাচুর চিপস ইত্যাদি বিক্রি হচ্ছে। সেখান থেকে পানি কিনে খেলাম। প্রায় নির্জন পেলাম খাসিয়াপল্লী। বেশিরভাগ পুরুষ কাজের খোঁজে শহরের উদ্দেশে বেরিয়ে গেছে। অবাক হয়ে ভাবলাম, ওরা গেছে শহরে আর আমরা এসেছি শহর থেকে ওদের দেখতে!

যে পথে গিয়েছিলাম সে পথেই আবার ফিরে এলাম। ছড়ায় পানি বেড়েছে। তাই অনেকটা পথ ঘুরে আসতে হলো। 

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের গেটে অনেক চা-কফির দোকান। সেখানে দাঁড়িয়ে ভিজে যাওয়া মাথা ভালো করে মুছলাম। হঠাৎ দীপ চেঁচিয়ে উঠল, বাবা তোমার পায়ে ওটা কী?

অবাক হয়ে দেখলাম একটি জোঁক পায়ের সঙ্গে লেপ্টে আছে। রক্ত খেয়ে ঢোল হয়েছে। 

সেটা ছাড়ানোর পর দেখি পায়ের আঙুলের ফাঁক দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে! ওমা! দুই পায়ের আঙুলের ফাঁকে ছোট ছোট দুটি জোঁক ঢুকে আরাম করে রক্ত খাচ্ছে। আর এভাবেই শেষ হলো বর্ষায় আমার অরণ্যভ্রমণ।

লাউয়াছড়াশ্রীমঙ্গললাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন: