Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় খোলা হাওয়া

অবাক ইতিহাস

বাদুড়বোমা

ইমরানুর রহমান
ইমরানুর রহমান
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ জুলাই ২০২৬, ০৩:২৭
বাদুড়বোমা

‘প্রজেক্ট এক্স-রে’ বা বাদুড়বোমা প্রকল্প

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উন্মাতাল সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইতিহাসের অন্যতম অদ্ভুত ও অবিশ্বাস্য এক পরিকল্পনা হাতে নেয়, যা পরে পরিচিত হয় ‘প্রজেক্ট এক্স-রে’ বা বাদুড়বোমা প্রকল্প নামে।

এ প্রকল্পের পেছনের ধারণাটি লিটল এস অ্যাডামস নামক একজন দন্তচিকিৎসকের মস্তিষ্কপ্রসূত। ১৯৪১ সালে পার্ল হারবার আক্রমণের পর তিনি প্রস্তাব করেন, জাপানের শহরগুলোতে আগুন ছড়িয়ে দিতে প্রকৃতিকে অস্ত্র হিসেবে মেক্সিকান ফ্রি টেইলড বাদুড় ব্যবহার করা যেতে পারে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, হাজার হাজার বাদুড়কে শীতনিদ্রার মতো অবস্থায় এনে বিশেষভাবে তৈরি সিলিন্ডার আকৃতির কনটেইনারে রাখা হবে। প্রতিটি বাদুড়ের গায়ে যুক্ত করা হবে অত্যন্ত ক্ষুদ্র কিন্তু দাহ্য পদার্থযুক্ত যন্ত্র। বিমান থেকে এসব কনটেইনার ফেলা হলে নির্দিষ্ট উচ্চতায় তা স্বয়ংক্রিয়ভাবে খুলে যাবে এবং বাদুড়গুলো ছড়িয়ে পড়বে শহরের বিভিন্ন দিকে। এরপর তারা চিলেকোঠা, গুদাম বা কাঠের ছাদের অন্ধকার জায়গায় আশ্রয় নেবে। নির্ধারিত সময় শেষে ওই দাহ্য উপাদান সক্রিয় হলে একসঙ্গে বহু স্থানে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সৃষ্টি হবে।

তবে প্রকল্পটি বাস্তবে প্রয়োগের পথে শুরু থেকেই নানা জটিলতার মুখে পড়ে। ১৯৪৩ সালে নিউ মেক্সিকোর একটি বিমানঘাঁটিতে পরীক্ষামূলক মহড়ার সময় কিছু বাদুড় নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়ে বিমানঘাঁটির হ্যাঙ্গার এবং এক উচ্চপদস্থ জেনারেলের গাড়িতে আশ্রয় নেয়। তাদের গায়ে থাকা দাহ্য উপাদান সক্রিয় হয়ে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটায়, ফলে পুরো ঘাঁটি আংশিকভাবে ধ্বংস হয়ে যায়।

প্রায় ২০ লাখ ডলার ব্যয়ের পর ১৯৪৪ সালে প্রকল্পটি তাই আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়।

সূত্র : ওয়ারফেয়ার হিস্ট্রি নেটওয়ার্ক

ইতিহাসবাদুড়বোমাবিশ্বযুদ্ধযুক্তরাষ্ট্রপার্ল হারবার
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise