Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ঢাকা ১০০০

গ্রীষ্মের যত রঙিন ফুল

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৪ মে ২০২৬, ১৬:৪৬
গ্রীষ্মের যত রঙিন ফুল

ছবি: আগামীর সময়

রাজধানীর রমনা পার্কে শোভা ছড়াচ্ছে গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন ফুল। এরমধ্যে রয়েছে কৃষ্ণচূড়া, জারুল, সোনালু, কাঠচাঁপা, রাধাচূড়া, নাগলিঙ্গম প্রভৃতি। ইট-পাথরের এ নগরে, শত ব্যস্ততার ভেতরেও একদণ্ড শান্তি জাগায় ফুলগুলো।

উজ্জ্বল লাল রঙের জন্য নজর কাড়ে কৃষ্ণচূড়া। প্রচণ্ড খরতাপে এ গাছের ঘন ও বিস্তৃত পাতা আমাদের দেয় ছায়া, ফুলগুলো ছড়ায় প্রশান্তি। আর বৃষ্টির পর ফুল আর পাতা হয়ে ওঠে সতেজ, রাস্তায় ঝরেপড়া পাপড়িগুলো দেখে মনে হয় যেন লাল কার্পেট।

এ ফুলের অন্য নাম আগুনচূড়া, লালচূড়া, গুলমোহর। কৃষ্ণচূড়া ফ্যাবেসি পরিবারের একটি বৃক্ষজাতীয় উদ্ভিদ, যার বৈজ্ঞানিক নাম ডেলোনিক্স রেজিয়া। এর রয়েছে চমৎকার পত্র-পল্লব। শিমগোত্রীয় বলে এ গাছের ফলের আকৃতিও শিমের মতো। কৃষ্ণচূড়ার আদিবাস আফ্রিকার মাদাগাস্কার হলেও ভারত ও বাংলাদেশে এটি গ্রীষ্মকালের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পরিচিত ফুল।

এই ফুল রোমান্টিকতার প্রতীক। বাংলা সাহিত্যে এ ফুল মিশে আছে প্রেম, বিরহ, আবেগ ও স্মৃতিতে।
আগুনরাঙা এ ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছেন, ‘গন্ধে উদাস হাওয়ার মতো উড়ে তোমার উত্তরী, কর্ণে তোমার কৃষ্ণচূড়ার মঞ্জরী।’

কাজী নজরুল ইসলাম লিখেছেন, ‘কৃষ্ণচূড়ার রাঙা মঞ্জুরি কর্ণে- আমি ভুবন ভুলাতে আসি গন্ধে ও বর্ণে।’

সোনালু ফুল উজ্জ্বল হলুদ রঙের। এই ফুল এতটাই সুন্দর, রাস্তার ধারে ও পার্কে শোভা বর্ধনের জন্য এই গাছ লাগানো হয়। এই ফুলের সংস্কৃত নামগুলো ভীষণ সুন্দর, যেমন- আরগ্বধ, অমলতাস, আরোগ্যশিম্বী, কুণ্ডল, কৃতমালক, কর্ণিকার, কর্ণী, কলিঘাত, চতুরঙ্গুল, দীর্ঘফল, নৃপদ্রুম, প্রগ্রহ, ব্যাধিঘাত, রাজবৃক্ষ, শম্পাক, স্বর্ণাঙ্গ ও হেমপুষ্প।

এর বৈজ্ঞানিক নাম ক্যাসিয়া ফিস্টুলা। ঝুলন্ত সোনালি-হলুদ ফুলে পুরো গাছ ভরে যায় বলে একে গোল্ডেন শাওয়ার ট্রি বলা হয়। এর আরেক নাম বাঁদরলাঠি। গাছটির আদি নিবাস ভারতীয় উপমহাদেশ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া।

সোনালু গাছের ফল, পাতা ও শিকড়ের রয়েছে ভেষজ গুণাবলি। এর ফলের মজ্জা বা শাঁস পানির সঙ্গে মিশিয়ে ছেঁকে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

নাগলিঙ্গম ফুলের ভেতরের গঠন অনেকটা শিবলিঙ্গের ওপর ফণা তোলা নাগের (সাপ) মতো। তাই সনাতন ধর্মে এটি বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে। গাছের কাণ্ড থেকেই ফুল ফোটে। রং সাধারণত গোলাপি, লালচে ও হলুদের মিশ্রণ। ফুলে তীব্র মিষ্টি একটা সুবাস রয়েছে। ফলের আকার গোল ও নারকেলের মতো শক্ত হয়, যা দেখতে কামানের গোলার মতো — তাই এটি ক্যাননবল ট্রি নামেও পরিচিত। এর ফুল, পাতা ও বাকলের নির্যাস থেকে বিভিন্ন ধরনের ওষুধ তৈরি হয়।

ফুলরমনা পার্ক
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise