মণ্ডপে মণ্ডপে

দুর্গাপূজার দিনগুলোতে ঢাকা ও আশপাশের যেসব মণ্ডপে ঘুরে বেড়ানো যায়, তার খোঁজ দিচ্ছেন স্বর্ণা রায়
ঢাকায় ঐতিহ্যের টানে
পুরান ঢাকার পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা শুরু করা যেতে পারে পোগোজ স্কুল এলাকা থেকে। সেখান থেকে শাঁখারীবাজারের দিকে এগোলে পথে পাবেন একাধিক মণ্ডপ। শনি মন্দির থেকে জজকোর্টের দিকে গিয়ে রায়সাহেব বাজার হয়ে পৌঁছানো যায় তাঁতীবাজারে। সেখান থেকে শাঁখারীবাজারের দিকে এগোলে পাওয়া যাবে পুরান ঢাকার সাবেকি প্রতিমা ও ঐতিহ্যবাহী পূজার আবহ। এ ছাড়া লক্ষ্মীবাজার, শ্যামবাজারেও পূজার আয়োজন দেখা যায়।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে পূজার আনুষ্ঠানিকতা ও ভক্তদের সমাগম থাকে চোখে পড়ার মতো। টিকাটুলীর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে মহাষ্টমীর কুমারী পূজা বিশেষ আকর্ষণ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল, সিদ্ধেশ্বরী কালীমন্দির, বনানী মাঠ, কলাবাগান মাঠ, রমনা কালীমন্দির, লক্ষ্মীনারায়ণ মন্দিরেও দুর্গাপূজা উদযাপিত হয়।
নারায়ণগঞ্জে পূজার আমেজ
চাষাঢ়ার পেট্রলপাম্পের আশপাশে রয়েছে পরিচিত পূজামণ্ডপ। সেখান থেকে মুন্সীগঞ্জের দিকে এগোলে হাতের বাঁয়ে পড়বে আমলাপাড়া পূজামণ্ডপ। চাষাঢ়ায় রামকৃষ্ণ মিশন, টানবাজারের একাধিক মণ্ডপ এবং নিতাইগঞ্জ মোড়ের কাছে বলদেব জিউর আখড়া ও মিতালীগঞ্জ এলাকায়ও রয়েছে পূজার আয়োজন। উকিলপাড়ার অলিগলিতেও দেখা মিলবে বিভিন্ন মণ্ডপের।
গাজীপুরের নানা ঠিকানা
জয়দেবপুরের কৃপাময়ী কালীমন্দির, পূর্ব মধ্যপাড়া দুর্গাপূজা মন্দির এবং ভোড়া শ্রীশ্রী দুর্গা ও রাধাগোবিন্দ মন্দির ঘুরে দেখার সম্ভাব্য গন্তব্য। এ ছাড়া টঙ্গীর খরতৈল সার্বজনীন দুর্গাপূজা মন্দির ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৪২ নম্বর ওয়ার্ডের সমরসিং দুর্গামন্দিরের নামও রাখা যেতে পারে পূজার ভ্রমণতালিকায়।
ঐতিহ্যবাহী মণ্ডপ হোক কিংবা আধুনিক আয়োজন শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিটি পথেই ছড়িয়ে থাকুক আনন্দের রঙ।



