Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
বুধবার, ১৯ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় ফ্যাক্টচেক

উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা কী

ফ্যাক্টচেক ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১৫ মে ২০২৬, ১৯:২৪
উইঘুর মুসলিম নির্যাতনের ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা কী

ছবি: আগামীর সময়

চীনের সংশোধনাগারে উইঘুর মুসলিমদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের দৃশ্য দাবি করে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওতে এক নারীকে শিকল ও লোহার রডের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন করতে দেখা যায়, যা বিশ্বজুড়ে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তবে অনুসন্ধানে দেখা গেছে, এই দাবির কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। এটি মূলত চীনের একটি বিনোদনধর্মী প্ল্যাটফর্মের জন্য তৈরি করা একটি ‘স্ক্রিপ্টেড’ বা সাজানো নাটকের দৃশ্য।

যেভাবে ছড়ানো হয়েছে বিভ্রান্তি

বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিওটি শেয়ার করে দাবি করা হচ্ছে যে, এটি জিনজিয়াং প্রদেশের কোনো ডিটেনশন সেন্টারের ভেতরের দৃশ্য। নির্যাতনের ভয়াবহতা দেখে অনেকেই একে বাস্তব বলে ধরে নিয়েছেন। তবে ভিডিওটির উৎস অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ভিন্ন এক সত্য।



ভিডিওর প্রকৃত উৎস

তথ্য যাচাইয়ের লক্ষ্যে রিভার্স ইমেজ সার্চের মাধ্যমে দেখা যায়, ভিডিওটি বাস্তব কোনো কারাগারের নয়। এটি “Fictitious Prison” (কল্পিত কারাগার) নামক একটি বিশেষ ওয়েবসাইটের কনটেন্ট। এই ওয়েবসাইটটি মূলত চীনের নারীদের কারাগার জীবন নিয়ে কাল্পনিক ও স্ক্রিপ্টেড ড্রামা বা নাটক তৈরি করে থাকে।

ওয়েবসাইটটির ‘About’ সেকশনে স্পষ্ট উল্লেখ আছে যে, তারা বিভিন্ন নির্মাতার কাছ থেকে ‘প্রিজন কালচার’ ভিত্তিক কনটেন্ট সংগ্রহ করে তা চীনের বাইরে প্রদর্শন ও বিক্রি করে। ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওটিও ওই ওয়েবসাইটের একটি ২৪ মিনিটের পূর্ণাঙ্গ কনটেন্টের অংশবিশেষ, যা অনলাইনে নির্দিষ্ট মূল্যের বিনিময়ে দেখা যায়।



অনুসন্ধানে পাওয়া অন্যান্য প্রমাণ

অনুসন্ধানে আরও দেখা যায়, রেড্ডিট (Reddit)-এর মতো বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে এই ভিডিওটি নিয়ে আগেই আলোচনা হয়েছে। সেখানে “Anti-China activists confuse bondage video for Uyghur torture” শিরোনামে পোস্ট করা হয়েছে, যা কাল্পনিক ভিডিওকে নির্যাতনের প্রমাণ হিসেবে চালানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এমনকি ইউটিউবেও এই ভিডিওর কিছু অংশ এক সময় ভিন্ন নামে প্রচারিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে সরিয়ে নেওয়া হয়।

সামগ্রিক তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে এটি নিশ্চিত যে, উইঘুর মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের দাবি করে প্রচারিত ভিডিওটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর। চীনের একটি বিনোদনধর্মী ও বাণিজ্যিক প্ল্যাটফর্মের জন্য নির্মিত সাজানো নাটকের দৃশ্যকে বাস্তব ঘটনা হিসেবে প্রচার করে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে।

উইঘুরমুসলিমঅমানবিক নির্যাতনচীনকারাগার জীবনচীন-বাংলাদেশ
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise