Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
রোগীর জন্য রক্ত সংগ্রহে ছোটেন আইয়ুব
মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

advertiseadvertise
আগামীর সময় বিনোদন

কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া বিজয়কে রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত করল

বিনোদন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ১১ মে ২০২৬, ১২:১০
কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়া বিজয়কে রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত করল

বিজয়ের টিভিকে তামিলনাড়ু নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে এসেছে।

তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে থালাপতি বিজয় এবার যে ম্যাজিক দেখিয়েছেন, তা দেখে পুরো ভারতের বাঘা বাঘা সব রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের এখন রীতিমতো ঘুম হারাম হয়ে গেছে। বাধরুদ্দীন তামিলগা ভেট্রি কাজাগমের একজন সদস্য।

বিধানসভা নির্বাচনে মাদুরাই সেন্ট্রাল আসনের মতো হিন্দু ধর্মাবলম্বী অধ্যুষিত এলাকায় একজন টুপি পরা মুসলিম মাংস বিক্রেতা বাধরুদ্দীন যখন বিজয়ের হয়ে ভোট চাচ্ছিলেন, তখন কেউ ভাবেনি যে তিনি কোনো দিন জিততে পারবেন। বড় বড় সব মন্ত্রী আর সুপারস্টার নির্মাতাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে বাধরুদ্দীন যেভাবে ১৯ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে এনেছেন, তাতে বিজয়ের ‘ডিজিটাল বিপ্লব’ এখন সবার মুখে মুখে ফিরছে।
বাধরুদ্দীন (মাথায় টুপি পরা) অন্য প্রার্থীদের তুলনায় অনেক সাধারণভাবে প্রচার করেছেন।বিজয় নিজে মাঠে খুব একটা প্রচারণা না চালালেও তার হয়ে হাজার হাজার ‘সোশ্যাল মিডিয়া যোদ্ধা’ দিনরাত এক করে অনলাইনে ঝড় তুলেছিলেন কয়েক মাস ধরে। বাধরুদ্দীনের মতো সাধারণ মানুষ যখন এলাকায় ‘হুইসেল’ মার্কা নিয়ে ভোট চাইছিলেন, তখন পর্দার আড়ালে ইউটিউব আর ইনস্টাগ্রামের রিলসগুলো ভোটারদের মন জয় করতে কাজ করছিল দারুণভাবে।

বিজয়ের একেকটি ছোট ভাষণ বা ভিডিও ক্লিপ হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলোয় এমনভাবে ছড়িয়ে পড়ত যে তা মুহূর্তেই কোটি কোটি মানুষের মোবাইল ফোনে পৌঁছে যেত।

আরও পড়ুন

স্যামসাংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করলেন ডুয়া লিপা

১১ মে ২০২৬

ভারতের গতানুগতিক রাজনীতিতে সাধারণত কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা আর ধর্মের প্রভাব থাকলেও বিজয় এবার কেবল তরুণ প্রজন্মের স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের ওপর ভর করেই বাজিমাত করেছেন।

সংবাদ সম্মেলন বা বড় বড় সাক্ষাৎকার এড়িয়ে চলে তিনি কেবল নিজের ফ্যান ক্লাবগুলোর সুসংগঠিত নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে সরাসরি জনগণের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করেছেন সারাক্ষণ। তার এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে ৩০ বছরের ক্যারিয়ারে গড়ে ওঠা প্রায় ৮৫ হাজার ফ্যান ক্লাব এক বিশাল অদৃশ্য সেনাবাহিনী হিসেবে কাজ করেছে নিঃস্বার্থভাবে।
বিজয়ের এর সাম্প্রতিক নির্বাচনী জয়ে সমর্থকদের উচ্ছ্বাস।নির্বাচনী মাঠের বিশাল সব মিছিল আর ব্যানারের চেয়েও বিজয়ের ডিজিটাল প্রচারণা এবার বেশি কার্যকর ছিল বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। মাদুরাইয়ের একটি সম্মেলনে তার তোলা মাত্র ২৪ সেকেন্ডের একটি সেলফি ভিডিও এক দিনেই প্রায় ৯ কোটি ভিউ পেয়ে রেকর্ড গড়েছিল সব জায়গায়।

পর্দার মারকুটে নায়ক থেকে বাস্তবের জননেতা হওয়ার এই যাত্রায় বিজয় এবার ১০৮টি আসন পেয়ে তামিলনাড়ুর মসনদে বসে ইতিহাস গড়েছেন গত রবিবার।

তবে ডিজিটাল প্রচারণায় জয় পেলেও বাস্তব দুনিয়ায় সরকার চালানো এখন বিজয়ের সামনে এক কঠিন পরীক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অভিজ্ঞতার অভাব নিয়ে বিরোধীরা হাজারো প্রশ্ন তুললেও তার দলের কর্মীরা এখন স্বচ্ছ আর দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসনের স্বপ্ন দেখাচ্ছেন জনগণকে।

থালাপতি বিজয় তার এই ‘সোশ্যাল মিডিয়া আর্মি’ নিয়ে তামিলনাড়ুর সাধারণ মানুষের ভাগ্য কতটা বদলাতে পারেন, তা দেখার জন্য এখন পুরো বিশ্ব চাতক পাখির মতো তাকিয়ে আছে সামনের দিনগুলোর দিকে।

সূত্র: বিবিসি 

থালাপতি বিজয়সোশ্যাল মিডিয়াতামিলনাড়ুনির্বাচন
    শেয়ার করুন:
    Advertisement
    advertiseadvertise