নিকের প্রেমপত্র পড়ে কাঁদলেন প্রিয়াঙ্কা

নিক জোনাস ও প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
প্রিয়াঙ্কা চোপড়া ও নিক জোনাসকে বলা হয় গ্লোবাল সিনেমার অন্যতম ‘পাওয়ার কাপল’। সম্প্রতি একটি পডকাস্টে নিকের পাঠানো একটি চিঠি প্রিয়াঙ্কাকে শোনানো হয়। চিঠির শুরুতে নিক প্রিয়াঙ্কাকে সম্বোধন করেন “আমার জান” বলে। নিকের শব্দশৈলী এবং প্রিয়াঙ্কার প্রতি তাঁর গভীর উপলব্ধি উপস্থিত সবাইকে আবেগপ্রবণ করে তোলে।
নিক তাঁর চিঠিতে প্রিয়াঙ্কার শুধু একজন বৈশ্বিক তারকা বা গ্লোবাল আইকন সত্তাকেই নয়, বরং একজন মা, মেয়ে, বোন এবং স্ত্রী হিসেবে তাঁর ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন। নিক লেখেন “সবাই তোমার পাবলিক ইমেজ দেখে, কিন্তু নিভৃত মুহূর্তে তুমি যেমন তা আমাকে মুগ্ধ করে। তোমার মধ্যে এক অবিশ্বাস্য ধৈর্য এবং শোনার ক্ষমতা আছে যা মানুষকে নিরাপদ বোধ করায়। আমি এমন অনেককে দেখেছি যারা তোমার সান্নিধ্যে এসে নিজের অজান্তেই মানসিক শান্তি খুঁজে পায়।”
নিক আরও উল্লেখ করেন, গত আট বছরে প্রিয়াঙ্কা যে ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেছেন তা অন্য কাউকে হলে হয়তো ভেঙে দিত। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা নিজের শিকড় ধরে রেখে যেভাবে দুটি ভিন্ন বিশ্ব ভারত ও আমেরিকাকে মিলিয়েছেন, তা নিকের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা। চিঠির শেষে নিক লেখেন, “তুমি আমাদের মহাবিশ্বের কেন্দ্রবিন্দু। মালতি মেরি এবং আমি সবসময় তোমার পাশে আছি।”
চিঠিটি শোনার পর প্রিয়াঙ্কার চোখে পানি চলে আসে। তিনি মুচকি হেসে বলেন, “ও ওর স্ত্রীকে খুব ভালো চেনে।” এরপরই প্রিয়াঙ্কা তাঁদের বিয়ের আগের একটি ঘটনার স্মৃতিচারণ করেন।
প্রিয়াঙ্কা জানান, তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার আগে নিক প্রিয়াঙ্কার মা, ডা. মধু চোপড়ার কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন। প্রিয়াঙ্কা বলেন “নিক আমার মায়ের কাছে গিয়ে বলেছিল ‘আমি আপনাকে কথা দিচ্ছি, আমি প্রিয়াঙ্কাকে সবসময় খুশি রাখব। ওর সুখই হবে আমার একমাত্র লক্ষ্য এবং আমি সবসময় ওকে অনুভব করাব যে ও কতটা ভালোবাসার পাত্রী।’ বিয়ের সময় অনেকেই অনেক কথা বলে, কিন্তু নিক ছোট ছোট কাজের মাধ্যমে প্রতিদিন সেই কথা রেখে চলেছে।”
২০১৮ সালে যোধপুরের উমেদ ভবন প্যালেসে রাজকীয় আয়োজনে বিয়ে করেন নিক ও প্রিয়াঙ্কা। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে সারোগেসির মাধ্যমে তাঁদের কোল আলো করে আসে কন্যা সন্তান মালতি মেরি চোপড়া জোনাস। দীর্ঘ ছয় বছরের বিবাহিত জীবনে তাঁরা বারবার প্রমাণ করেছেন যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং বন্ধুত্বই একটি সুখী সম্পর্কের আসল চাবিকাঠি।
সুত্রঃ এনডিটিভি

